কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপহরণ, মানবপাচার, ডাকাতি, মাদক ও চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ দমন এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে তিনটি নতুন পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ লক্ষ্যে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ও বাহারছড়া ইউনিয়ন এবং উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নে পৃথক তিনটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, সীমান্তবর্তী ও পর্যটনসমৃদ্ধ এসব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত পুলিশি উপস্থিতির দাবি ছিল। প্রস্তাবিত তদন্ত কেন্দ্রগুলো চালু হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের কার্যক্রম আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে পর্যটন এলাকার নিরাপত্তা জোরদার হওয়ায় দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আস্থাও বৃদ্ধি পাবে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী বলেন, “আমার নির্বাচনি এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই হোয়াইক্যং, বাহারছড়া ও জালিয়াপালংয়ে তিনটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়িত হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পর্যটন এলাকার নিরাপত্তাও আরও সুদৃঢ় হবে এবং জনগণ দ্রুত পুলিশি সেবা পাবে।”
এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহজালাল বলেন, “হোয়াইক্যং সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন। এখানে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপিত হলে অপহরণ, মাদক, মানবপাচার ও অন্যান্য অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সাধারণ মানুষও দ্রুত আইনগত সহায়তা পাবে।”
বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন বলেন, “বাহারছড়া ইউনিয়ন পর্যটন ও সীমান্ত-দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে তদন্ত কেন্দ্র স্থাপন হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটবে।”
এদিকে জালিয়াপালং ইউনিয়নের বাসিন্দারা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় একটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রয়োজন ছিল। সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জনগণের নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে, অপরাধ কমবে এবং মানুষ আরও নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারবে।”
সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী আরও বলেন, “জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সরকারের অঙ্গীকার। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”

ফরহাদ রহমান, টেকনাফ প্রতিনিধিঃ 



















