ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় জোর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে IOM-এর নবনিযুক্ত মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: বরিশালে তথ্যমন্ত্রী টেকনাফের হোয়াইক্যং প্রাইভেটকারের বাম্পারে ১ লাখ ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ১ পিরোজপুরে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত একরাম হত্যা মামলা: র‍্যাবের সাবেক অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার মিফতাহ সেনা হেফাজতে গঠনমূলক সমালোচনা ও ইতিবাচক কাজ তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ক্লিনিক সিলগালার পর এবার মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

মহীয়সী নারী মিসেস মনোয়ারা খানমের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

 

সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ১০ নং কামালবাজার ইউনিয়নের ধরগাঁও গ্রামের মহীয়সী নারী মিসেস মনোয়ারা খানমের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষে তাঁর গ্রামের বাড়িতে কোরআন খতম, মিলাদ মাহফিল ও শিরনি বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে।

মরহুমা মনোয়ারা খানম অত্যন্ত ধার্মিক, দানশীল ও পরোপকারী নারী ছিলেন। তিনি এলাকার সর্বশ্রেণির মানুষকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন এবং দরিদ্রদের প্রতি সর্বাত্মকভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতেন। মরহুমা মনোয়ারা খানমের তিন ছেলে ও তিন মেয়ে—সবাই সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তাঁর বড় ছেলে মোহাম্মদ মুহিদুর রহমান প্রবাসী পল্লী গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং দৈনিক দেশবার্তা ও দৈনিক নতুন সময়-এর সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি। তিনি দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় সম্পৃক্ত আছেন। মেজো ছেলে এমদাদুর রহমান বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে আছেন। ছোট ছেলে হাবিবুর রহমান হাবিব দুই মেয়াদে সিলেট-৩ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন। মরহুমার স্বামী ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা।

মরহুমার নামে ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত “মনোয়ারা খানম শিক্ষা ট্রাস্ট” সিলেট জেলায় শিক্ষা বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এ ছাড়াও তাঁর নামে মনোয়ারা-গনি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, গনি-মনোয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আয়শা-মনোয়ারা মহিলা দাখিল মাদ্রাসাসহ অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

এম. এ. গনি ও মিসেস মনোয়ারা খানম শিক্ষা ট্রাস্টের সচিব এবং লালটেক হাজী হামিদ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মাসুক আহমেদ বলেন, “মহীয়সী নারী মিসেস মনোয়ারা খানম ছিলেন একজন রত্নগর্ভা মা। তাঁর সকল ছেলে-মেয়ে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এলাকার এমন কোনো হতদরিদ্র মানুষ নেই, যে তাঁর কাছে সাহায্য চেয়ে খালি হাতে ফেরত এসেছে। তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা ট্রাস্টের মাধ্যমে অনেক হতদরিদ্র ছাত্র-ছাত্রী বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে। মহান আল্লাহ পাক যেন তাঁকে বেহেশতের সর্বোচ্চ স্থান দান করেন।”

জনপ্রিয়

পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

মহীয়সী নারী মিসেস মনোয়ারা খানমের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আপডেট : ০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

 

সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ১০ নং কামালবাজার ইউনিয়নের ধরগাঁও গ্রামের মহীয়সী নারী মিসেস মনোয়ারা খানমের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষে তাঁর গ্রামের বাড়িতে কোরআন খতম, মিলাদ মাহফিল ও শিরনি বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে।

মরহুমা মনোয়ারা খানম অত্যন্ত ধার্মিক, দানশীল ও পরোপকারী নারী ছিলেন। তিনি এলাকার সর্বশ্রেণির মানুষকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন এবং দরিদ্রদের প্রতি সর্বাত্মকভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতেন। মরহুমা মনোয়ারা খানমের তিন ছেলে ও তিন মেয়ে—সবাই সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তাঁর বড় ছেলে মোহাম্মদ মুহিদুর রহমান প্রবাসী পল্লী গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং দৈনিক দেশবার্তা ও দৈনিক নতুন সময়-এর সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি। তিনি দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় সম্পৃক্ত আছেন। মেজো ছেলে এমদাদুর রহমান বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে আছেন। ছোট ছেলে হাবিবুর রহমান হাবিব দুই মেয়াদে সিলেট-৩ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন। মরহুমার স্বামী ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা।

মরহুমার নামে ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত “মনোয়ারা খানম শিক্ষা ট্রাস্ট” সিলেট জেলায় শিক্ষা বিস্তারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এ ছাড়াও তাঁর নামে মনোয়ারা-গনি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, গনি-মনোয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আয়শা-মনোয়ারা মহিলা দাখিল মাদ্রাসাসহ অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

এম. এ. গনি ও মিসেস মনোয়ারা খানম শিক্ষা ট্রাস্টের সচিব এবং লালটেক হাজী হামিদ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মাসুক আহমেদ বলেন, “মহীয়সী নারী মিসেস মনোয়ারা খানম ছিলেন একজন রত্নগর্ভা মা। তাঁর সকল ছেলে-মেয়ে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এলাকার এমন কোনো হতদরিদ্র মানুষ নেই, যে তাঁর কাছে সাহায্য চেয়ে খালি হাতে ফেরত এসেছে। তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা ট্রাস্টের মাধ্যমে অনেক হতদরিদ্র ছাত্র-ছাত্রী বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে। মহান আল্লাহ পাক যেন তাঁকে বেহেশতের সর্বোচ্চ স্থান দান করেন।”