ঢাকা , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফে র‌্যাব-১৫-এর অভিযানে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার বানারীপাড়ায় দুই জুলাই শহীদ পরিবারের ঘরে তারেক রহমানের উপহার মোরেলগঞ্জে পাটের বস্তার পরিবর্তে প্লাস্টিক ব্যবহার: ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা বিশ্ব বাঘ দিবস আজ হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিস আলমসহ কয়েকজন আহত স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় জোর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে IOM-এর নবনিযুক্ত মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: বরিশালে তথ্যমন্ত্রী

স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘিরে জোর আলোচনা

 

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জোর আলোচনা চলছে। সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, তৃণমূলের সঙ্গে নেতৃত্বের সংযোগ শক্তিশালী করা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো পুনর্গঠনের ধারাবাহিকতায় নতুন নেতৃত্ব আনার প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জুন মাসের মধ্যেই নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

 

২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর এস এম জিলানীকে সভাপতি এবং রাজীব আহসানকে সাধারণ সম্পাদক করে তিন বছরের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব নিয়ে নেতাকর্মীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে। দলীয় সূত্র বলছে, সম্ভাব্য নেতাদের সাংগঠনিক দক্ষতা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, তৃণমূলে গ্রহণযোগ্যতা এবং রাজনৈতিক ত্যাগের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

 

সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ নেতাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বৈঠকে কমিটি পুনর্গঠন, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় নেতৃত্বকে সামনে আনার বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। দীর্ঘ সময় রাজপথে থেকে হামলা-মামলা, কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়া নেতাদের মূল্যায়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পায় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

 

দলের অভ্যন্তরে ‘এক নেতার এক পদ’ নীতি কার্যকর করার আলোচনা থাকায় এবারের কমিটিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে বর্তমান শীর্ষ নেতৃত্বের বাইরে নতুন মুখ সামনে আসতে পারে বলেও নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।

 

সভাপতি পদে সম্ভাব্যদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা সাদরেজ জামান। দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে দলের একটি অংশ তাঁকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

 

এ বিষয়ে সাদরেজ জামান বলেন, “যারা দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে জেল-জুলুম, নির্যাতন ও গুমের ঝুঁকি মোকাবিলা করেও রাজপথে ছিলেন, তাঁদের মধ্য থেকেই নতুন নেতৃত্ব মূল্যায়ন করা হবে বলে আমি প্রত্যাশা করি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত দেবেন, আমি সেই সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকব।”

 

সভাপতি পদে আরও যাঁদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তাঁদের মধ্যে আছেন জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ইয়াছিন আলী, সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস এবং সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন।

 

অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদেও একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নোমান, যুগ্ম সম্পাদক ফয়েজউল্লাহ ফয়েজ এবং আরও কয়েকজন সাংগঠনিক নেতা। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন শিকদার ডালিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন এবং ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফরিদ।

 

এছাড়া ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের মধ্য থেকেও নতুন নেতৃত্ব আসতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল।

 

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, “যেসব কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে পুনর্গঠন করা হবে। ত্যাগী, পরীক্ষিত এবং তৃণমূলভিত্তিক নেতৃত্বই মূল্যায়ন পাবে।”

 

সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। আমার প্রত্যাশা, ত্যাগী, নির্যাতিত ও পদবঞ্চিত নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।”

 

নজরুল ইসলাম নোমান বলেন, “যাঁরা দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থেকেছেন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার সক্ষমতা রাখেন, তাঁদেরই মূল্যায়ন করা হবে বলে আমার বিশ্বাস।”

 

মো. শাহাবুদ্দিন শিকদার ডালিম বলেন, “১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাদের মূল্যায়ন করা হলে স্বেচ্ছাসেবক দল আরও শক্তিশালী হবে।”

 

ফয়েজউল্লাহ ফয়েজ বলেন, “মেধাবী, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দিলে সংগঠনে নতুন গতি ফিরে আসবে।”

 

জহির উদ্দিন তুহিন বলেন, “দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব।”

 

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, নতুন কমিটিতে ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এবং মাঠপর্যায়ে পরীক্ষিত নেতৃত্বকে মূল্যায়ন করা হলে স্বেচ্ছাসেবক দলে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে এবং কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে।

জনপ্রিয়

টেকনাফে র‌্যাব-১৫-এর অভিযানে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘিরে জোর আলোচনা

আপডেট : ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

 

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জোর আলোচনা চলছে। সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, তৃণমূলের সঙ্গে নেতৃত্বের সংযোগ শক্তিশালী করা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো পুনর্গঠনের ধারাবাহিকতায় নতুন নেতৃত্ব আনার প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জুন মাসের মধ্যেই নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

 

২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর এস এম জিলানীকে সভাপতি এবং রাজীব আহসানকে সাধারণ সম্পাদক করে তিন বছরের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব নিয়ে নেতাকর্মীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে। দলীয় সূত্র বলছে, সম্ভাব্য নেতাদের সাংগঠনিক দক্ষতা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, তৃণমূলে গ্রহণযোগ্যতা এবং রাজনৈতিক ত্যাগের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

 

সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ নেতাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বৈঠকে কমিটি পুনর্গঠন, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় নেতৃত্বকে সামনে আনার বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। দীর্ঘ সময় রাজপথে থেকে হামলা-মামলা, কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়া নেতাদের মূল্যায়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পায় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

 

দলের অভ্যন্তরে ‘এক নেতার এক পদ’ নীতি কার্যকর করার আলোচনা থাকায় এবারের কমিটিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে বর্তমান শীর্ষ নেতৃত্বের বাইরে নতুন মুখ সামনে আসতে পারে বলেও নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।

 

সভাপতি পদে সম্ভাব্যদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা সাদরেজ জামান। দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে দলের একটি অংশ তাঁকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

 

এ বিষয়ে সাদরেজ জামান বলেন, “যারা দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে জেল-জুলুম, নির্যাতন ও গুমের ঝুঁকি মোকাবিলা করেও রাজপথে ছিলেন, তাঁদের মধ্য থেকেই নতুন নেতৃত্ব মূল্যায়ন করা হবে বলে আমি প্রত্যাশা করি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত দেবেন, আমি সেই সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকব।”

 

সভাপতি পদে আরও যাঁদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তাঁদের মধ্যে আছেন জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ইয়াছিন আলী, সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস এবং সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন।

 

অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদেও একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নোমান, যুগ্ম সম্পাদক ফয়েজউল্লাহ ফয়েজ এবং আরও কয়েকজন সাংগঠনিক নেতা। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন শিকদার ডালিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন এবং ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফরিদ।

 

এছাড়া ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের মধ্য থেকেও নতুন নেতৃত্ব আসতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল।

 

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, “যেসব কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে পুনর্গঠন করা হবে। ত্যাগী, পরীক্ষিত এবং তৃণমূলভিত্তিক নেতৃত্বই মূল্যায়ন পাবে।”

 

সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। আমার প্রত্যাশা, ত্যাগী, নির্যাতিত ও পদবঞ্চিত নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।”

 

নজরুল ইসলাম নোমান বলেন, “যাঁরা দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থেকেছেন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার সক্ষমতা রাখেন, তাঁদেরই মূল্যায়ন করা হবে বলে আমার বিশ্বাস।”

 

মো. শাহাবুদ্দিন শিকদার ডালিম বলেন, “১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাদের মূল্যায়ন করা হলে স্বেচ্ছাসেবক দল আরও শক্তিশালী হবে।”

 

ফয়েজউল্লাহ ফয়েজ বলেন, “মেধাবী, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দিলে সংগঠনে নতুন গতি ফিরে আসবে।”

 

জহির উদ্দিন তুহিন বলেন, “দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব।”

 

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, নতুন কমিটিতে ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এবং মাঠপর্যায়ে পরীক্ষিত নেতৃত্বকে মূল্যায়ন করা হলে স্বেচ্ছাসেবক দলে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে এবং কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে।