ঢাকা , শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বাগেরহাটে নাগরিক ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে ইসলামি যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত খাল খননে ১ কোটি ২ লাখ টাকা সাশ্রয়, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন চরফ্যাশনের ইউএনও প্রতিবন্ধীদের আত্মনির্ভরশীলতার পথ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী, ৩ অদম্য তরুণ-তরুণীর হাতে চাকরির নিয়োগপত্র হস্তান্তর টেকনাফে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোরে ১১,২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার: বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান ভোলায় বৃক্ষরোপণ মেলা ২০২৬ শুরু বাগেরহাটে চুরি হওয়া ১১টি গরু উদ্ধার, পিকআপসহ গ্রেপ্তার ৩ সিআইডি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এনসিপির মামলা, বিজিবি মোতায়েন মিয়ানমারে পাচারের পথে ১৭ লাখ টাকার সার ও কৃষিপণ্য জব্দ, আটক ৬

খাল খননে ১ কোটি ২ লাখ টাকা সাশ্রয়, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন চরফ্যাশনের ইউএনও

নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আফরোজ

 

সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করে খাল পুনঃখনন প্রকল্পে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রশাসন। প্রকল্পটির কাজ নির্ধারিত মান বজায় রেখে সম্পন্ন হলেও প্রাক্কলনের তুলনায় কম ব্যয় হওয়ায় অবশিষ্ট অর্থ সরকারি বিধি অনুযায়ী ট্রেজারিতে জমা দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)’-এর আওতায় চরফ্যাশন উপজেলার সুবল ডাক্তার বাড়ি থেকে সুন্দরী ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের জন্য ২ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সরকারি নির্দেশনা ও নির্ধারিত কারিগরি মান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। তবে খালের বিভিন্ন অংশে প্রস্থ ও খননের গভীরতা প্রাক্কলনের তুলনায় কম প্রয়োজন হওয়ায় বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় না করেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। এতে ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা সাশ্রয় হয়, যা সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আফরোজ বলেন, “দীর্ঘদিনের অবহেলায় খালটি ভরাট হয়ে কার্যত অকেজো হয়ে পড়েছিল। স্থানীয় মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসন, পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সরকারের উদ্যোগে খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহারের অংশ হিসেবে সাশ্রয় হওয়া প্রতিটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন সবসময় দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছে।”

উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ সরকারি অর্থের সাশ্রয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে।

জনপ্রিয়

বাগেরহাটে নাগরিক ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত

খাল খননে ১ কোটি ২ লাখ টাকা সাশ্রয়, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন চরফ্যাশনের ইউএনও

আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আফরোজ

 

সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করে খাল পুনঃখনন প্রকল্পে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রশাসন। প্রকল্পটির কাজ নির্ধারিত মান বজায় রেখে সম্পন্ন হলেও প্রাক্কলনের তুলনায় কম ব্যয় হওয়ায় অবশিষ্ট অর্থ সরকারি বিধি অনুযায়ী ট্রেজারিতে জমা দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)’-এর আওতায় চরফ্যাশন উপজেলার সুবল ডাক্তার বাড়ি থেকে সুন্দরী ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের জন্য ২ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সরকারি নির্দেশনা ও নির্ধারিত কারিগরি মান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। তবে খালের বিভিন্ন অংশে প্রস্থ ও খননের গভীরতা প্রাক্কলনের তুলনায় কম প্রয়োজন হওয়ায় বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় না করেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। এতে ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা সাশ্রয় হয়, যা সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমানা আফরোজ বলেন, “দীর্ঘদিনের অবহেলায় খালটি ভরাট হয়ে কার্যত অকেজো হয়ে পড়েছিল। স্থানীয় মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসন, পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সরকারের উদ্যোগে খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহারের অংশ হিসেবে সাশ্রয় হওয়া প্রতিটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন সবসময় দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছে।”

উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ সরকারি অর্থের সাশ্রয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে।