ঢাকা , শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বাগেরহাটে নাগরিক ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে ইসলামি যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত খাল খননে ১ কোটি ২ লাখ টাকা সাশ্রয়, রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন চরফ্যাশনের ইউএনও প্রতিবন্ধীদের আত্মনির্ভরশীলতার পথ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী, ৩ অদম্য তরুণ-তরুণীর হাতে চাকরির নিয়োগপত্র হস্তান্তর টেকনাফে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোরে ১১,২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার: বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান ভোলায় বৃক্ষরোপণ মেলা ২০২৬ শুরু বাগেরহাটে চুরি হওয়া ১১টি গরু উদ্ধার, পিকআপসহ গ্রেপ্তার ৩ সিআইডি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এনসিপির মামলা, বিজিবি মোতায়েন মিয়ানমারে পাচারের পথে ১৭ লাখ টাকার সার ও কৃষিপণ্য জব্দ, আটক ৬

টেকনাফে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোরে ১১,২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার: বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান

 

কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে ব্লুটুথ স্পিকারের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক রাইডারকে শনাক্ত করা হলেও তিনি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজিবি জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ এলাকায় অবস্থিত স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের একটি পার্সেলের ভেতরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়কের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় বিজিবি এবং টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোরে থাকা একটি ব্লুটুথ স্পিকার হিসেবে ঘোষিত পার্সেলটি সন্দেহজনক মনে হলে সেটি খুলে পরীক্ষা করা হয়। পরে স্পিকারের ভেতরে থাকা বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ অপসারণ করে কালো স্কচটেপে মোড়ানো ছয়টি প্যাকেট থেকে মোট ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্সেলটি নারায়ণগঞ্জ থেকে টেকনাফে পাঠানো হয়েছিল। পরে ‘পণ্যটি সঠিক নয়’ উল্লেখ করে সেটি ফেরত পাঠানোর উদ্দেশ্যে কুরিয়ার সার্ভিসে জমা দেওয়া হয়। কোম্পানির তথ্যভাণ্ডার পর্যালোচনায় পার্সেল বহনকারী এক রাইডারের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পার্সেল জমা দিয়েই তিনি দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৩৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় পলাতক মো. জামাল (পিতা: অজ্ঞাত, গ্রাম- নয়াপাড়া, ডাকঘর- সাবরাং, থানা- টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার)-কে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি পার্সেলের প্রকৃত প্রেরক, মালিক ও সংশ্লিষ্ট চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে। মাদক পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও সংশ্লিষ্ট আলামত নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

বাগেরহাটে নাগরিক ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত

টেকনাফে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোরে ১১,২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার: বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান

আপডেট : ৮ ঘন্টা আগে

 

কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে ব্লুটুথ স্পিকারের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক রাইডারকে শনাক্ত করা হলেও তিনি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজিবি জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ এলাকায় অবস্থিত স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের একটি পার্সেলের ভেতরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়কের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় বিজিবি এবং টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোরে থাকা একটি ব্লুটুথ স্পিকার হিসেবে ঘোষিত পার্সেলটি সন্দেহজনক মনে হলে সেটি খুলে পরীক্ষা করা হয়। পরে স্পিকারের ভেতরে থাকা বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ অপসারণ করে কালো স্কচটেপে মোড়ানো ছয়টি প্যাকেট থেকে মোট ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, পার্সেলটি নারায়ণগঞ্জ থেকে টেকনাফে পাঠানো হয়েছিল। পরে ‘পণ্যটি সঠিক নয়’ উল্লেখ করে সেটি ফেরত পাঠানোর উদ্দেশ্যে কুরিয়ার সার্ভিসে জমা দেওয়া হয়। কোম্পানির তথ্যভাণ্ডার পর্যালোচনায় পার্সেল বহনকারী এক রাইডারের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পার্সেল জমা দিয়েই তিনি দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৩৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় পলাতক মো. জামাল (পিতা: অজ্ঞাত, গ্রাম- নয়াপাড়া, ডাকঘর- সাবরাং, থানা- টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার)-কে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি পার্সেলের প্রকৃত প্রেরক, মালিক ও সংশ্লিষ্ট চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে। মাদক পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও সংশ্লিষ্ট আলামত নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।