ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য তেলবাহী ট্যাংকারের ধাক্কায় মোংলায় কয়লাবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবি অর্থাভাবে অনিশ্চিত এসএসসি, শুভকে সহায়তা করল এবিজি ফাউন্ডেশন মোরেলগঞ্জে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় মিলেছে, নিহত কিশোর মফিজুল পিরোজপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‍্যালি ও সমাবেশ যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাগেরহাটে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে জলঢাকার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের পরিচিতি ও মতবিনিময় পিরোজপুরে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেশে ফিরে নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা আনসার-ভিডিপি একাডেমি পরিদর্শনে চার বন্ধুপ্রতিম দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিদল; বৈশ্বিক কর্মসংস্থানে বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত

কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার আর নেই

সংগৃহীত ছবি

 

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। লিভার–সংক্রান্ত জটিলতায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে নেয়ার পর শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সামাজিক মাধ্যমে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ।

 

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে আমার প্রাণপ্রিয় আদরের মেয়ে কারিনা কায়সার একটু আগে চেন্নাইতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের ছেড়ে ওপারে চলে গেছে। আমার মেয়ের কোন ভুল-ত্রুটি হয়ে থাকলে কিংবা কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে আপনারা তাকে ক্ষমা করে দিবেন।’

 

তিনি আরও লিখেছেন, ‘যারা এই দুঃসময়ে আমাদের পাশে ছিলেন, দোয়া করেছেন, সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দোয়া করবেন সবাই, আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুক।’

 

গণমাধ্যমকে কায়সার হামিদ বলেন, ‘ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেয়ার সময় হঠাৎ ওর প্রেশার অনেক নিচে নেমে যায়। এরপর ডাক্তাররা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওকে আর বাঁচানো গেল না।’

 

কয়েক দিন ধরেই লিভার–সংক্রান্ত জটিলতায় সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা কায়সার। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাই নেয়া হয়। সেখানে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকেরা প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেন। পরে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল।

 

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা। পরে তার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ ও ই-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

জনপ্রিয়

বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য

কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার আর নেই

আপডেট : ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

 

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। লিভার–সংক্রান্ত জটিলতায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে নেয়ার পর শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সামাজিক মাধ্যমে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ।

 

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে আমার প্রাণপ্রিয় আদরের মেয়ে কারিনা কায়সার একটু আগে চেন্নাইতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের ছেড়ে ওপারে চলে গেছে। আমার মেয়ের কোন ভুল-ত্রুটি হয়ে থাকলে কিংবা কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে আপনারা তাকে ক্ষমা করে দিবেন।’

 

তিনি আরও লিখেছেন, ‘যারা এই দুঃসময়ে আমাদের পাশে ছিলেন, দোয়া করেছেন, সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দোয়া করবেন সবাই, আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুক।’

 

গণমাধ্যমকে কায়সার হামিদ বলেন, ‘ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেয়ার সময় হঠাৎ ওর প্রেশার অনেক নিচে নেমে যায়। এরপর ডাক্তাররা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওকে আর বাঁচানো গেল না।’

 

কয়েক দিন ধরেই লিভার–সংক্রান্ত জটিলতায় সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা কায়সার। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাই নেয়া হয়। সেখানে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকেরা প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেন। পরে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল।

 

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা। পরে তার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ ও ই-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।