ঝালকাঠির রাজাপুরের শুক্তাগড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফেরদৌস রিপনের ওপরে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে তার পরিবার। এ ঘটনায় আহত ছাত্রদল নেতা রিপনের মা ঝর্ণা বেগম বাদী হয়ে ৩০ মার্চ রাজাপুর থানায় মামলা দায়ের করলেও এখন পযর্ন্ত কোনো আসামী গ্রেফতার হয়নি।
মামলা সূত্রে যানাযায়, গত ২৪ মার্চ সন্ধ্যা অনুমান ৭টার সময় মামলার প্রধান আসামী মাহামুদ হাওলাদার রিপন’কে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে চুরি হওয়া অটোরিক্সার ব্যাটারী তাদের বাড়ী হতে নিয়ে যেতে বলে। তারই ধারাবাহিকাতায় একই তারিখ রাত অনুমান সোয়া ৮টার সময় রিপনসহ ফারুক হাওলাদার ও মোঃ বাবুল হাওলাদার ২নং শুক্তাগড় ইউনিয়নের সাকরাইল এলাকায় আসামী মোঃ মাহামুদ হাওলাদার এর বাড়ীর উঠানে পৌঁছা মাত্র পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে দেশীয় অস্ত্র-সন্ত্র দিয়ে রিপনের উপর অতর্কিত হামলা চালায় মাহামুদ হাওলাদার, শহিদ খাঁ, রাজু , চয়ন হাওলাদার, লিলি বেগম, খুকু বেগম, রুম্পা আক্তারসহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন। ধারালো অস্ত্রের কোপে রিপনের ডান ও বাম হাতের কব্জির উপরের অংশ গুরুতর হাড় ভাঙ্গা জখম হয়। এসময় তাদের এলোপাথারী মারধরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলা ফুলা জখম করে। একপর্যায়ে রিপন মাটিতে লুটাইয়া পড়লে সকল আসামীরা রিপন’কে এলোপাথারী ভাবে পিটাইয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলা ফুলা জখম করে এবং রিপনের সাথে থাকা নগদ ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় মুমুর্ষ অবস্থায় রিপন’কে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা গুরুতর থাকায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। রিপন’কে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক রিপনের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরন করেন। বর্তমানে রিপন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।
অপরদিকে রিপনের ওপর হামলার পরে তাদের’কে জড়িয়ে ঝালকাঠি বিজ্ঞ আদালতে একটি কাউন্টার মামলা দায়ের করেন রিপনের ওপর হামলার ঘটনায় মামলার মামলার আসামী খুকু বেগম।
রিপনের মা অভিযোগ করে জানান, হামলার প্রায় ১২ দিন অহিবাহিত হলেও এখন পযর্ন্ত কোনো আসামী গ্রেফতার হয়নি। আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে । আসামীদের গ্রেফতারের জন্য আমরা প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছি এবং দ্রুত আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানায়, আসামীদের গ্রেফতারের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।আসামিদের কেহ’ই প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছে না। দ্রুত সময়ের মধ্যেই দোষীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ 



















