ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে প্রস্তুত ২৫১ রেলকোচ ত্রিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সারজিস ও হাসনাতকে রংপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

সংগৃহীত ছবি

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহকে রংপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও সাবেক সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

 

সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাতে রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডস্থ জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টি অফিসে দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের উপস্থিতিতে বক্তৃতাকালে এ ঘোষণা দেন।

 

তিনি বলেন, ‘সারজিস আলম আর হাসনাত আব্দুল্লাহ জাতীয় পার্টিকে নিয়ে যে ঘোষণা দিয়েছেন- তাতে তাদের এরপর আর রংপুরে আসতে দেওয়া হবে না। তারপরেও তারা যদি ফেসবুকে কোনো ম্যাসেজ দেন- তাহলে জাতীয় পার্টির সব নেতাকর্মী সমর্থক যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে রংপুরে পার্টি আফিসে চলে আসবেন।’

 

সাবেক সিটি মেয়র বলেন, ‘আমরা তাদের দেখিয়ে দিতে চাই রংপুরে জাতীয় পার্টির শক্তি কতটুকু। আন্দোলন চালিয়ে যেতে না পারি তাহলে নাকে খত দিয়ে জাতীয় পার্টি থেকে চলে যাব।’

 

জাতীয় পার্টির নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আপনারা কান খুলে শুনেন জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টি থেকে যে ঘোষণা আসবে- সারজিস আলম আর হাসনাত আব্দুল্লাহ কোনো প্রোগ্রাম রংপুরের মাটিতে হতে দেওয়া হবে না।’ একই সঙ্গে প্রশাসন ও আর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর যারা আছেন তারাও কান খুলে শুনে রাখেন এর পরে রংপুরে কোনো রাজনৈতিক সংলাপে যদি জাতীয় পার্টিকে আমন্ত্রণ করা না হলে সে সংলাপ আমরা করতে দেব না। তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, সারজিদ আর হাসনাতের মতো দুজন টোকাইকে প্রশ্রয় দেন তাহলে বোকার স্বর্গে বাস করছেন।

 

মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, ‘আমরা সংস্কার করার জন্য ড. ইউনুস মহোদয়কে আরও সময় দিতে চাই। আমরা সব সময় বলেছি সংস্কার করতে যত সময় লাগে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সে সময় আমরা সব সময় দিতে চাই।’

 

সাবেক মেয়র আরও বলেন, আমরা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে রংপুরে সর্বতোভাবে অংশগ্রহণ করেছি। আমিসহ দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী আন্দোলন করেছি রক্ত দিয়েছি। আমরা যে আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলাম সেটা রংপুরের সব স্তরের মানুষ দেখেছে। আমাদের ত্যাগ তিতিক্ষাকে ছোট করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। রংপুরে জাতীয় পার্টি ছাড়া এতবড় বিশাল আন্দোলন কখনই সফল হতো না। তার প্রমাণ- আমাদের দলের অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অনেককে আসামি করা হয়েছে। আমাদের সরলতাকে দুর্বল ভাবার কোনো কারন নেই।

 

সোমবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে নিজ নিজ ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে পোস্ট দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

 

ফেসবুক পোস্টে সারজিস লেখেন, ‘জাতীয় পার্টির মতো মেরুদণ্ডহীন ফ্যাসিস্টের দালালদের প্রধান উপদেষ্টা কিভাবে আলোচনায় ডাকে?’

 

 

হাসনাত লেখেন, ‘স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টিকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হলে, আমরা সেই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ ও কঠোর বিরোধিতা করব।’

জনপ্রিয়

উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট

সারজিস ও হাসনাতকে রংপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

আপডেট : ০২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪
সংগৃহীত ছবি

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহকে রংপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও সাবেক সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

 

সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাতে রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডস্থ জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টি অফিসে দলের চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের উপস্থিতিতে বক্তৃতাকালে এ ঘোষণা দেন।

 

তিনি বলেন, ‘সারজিস আলম আর হাসনাত আব্দুল্লাহ জাতীয় পার্টিকে নিয়ে যে ঘোষণা দিয়েছেন- তাতে তাদের এরপর আর রংপুরে আসতে দেওয়া হবে না। তারপরেও তারা যদি ফেসবুকে কোনো ম্যাসেজ দেন- তাহলে জাতীয় পার্টির সব নেতাকর্মী সমর্থক যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে রংপুরে পার্টি আফিসে চলে আসবেন।’

 

সাবেক সিটি মেয়র বলেন, ‘আমরা তাদের দেখিয়ে দিতে চাই রংপুরে জাতীয় পার্টির শক্তি কতটুকু। আন্দোলন চালিয়ে যেতে না পারি তাহলে নাকে খত দিয়ে জাতীয় পার্টি থেকে চলে যাব।’

 

জাতীয় পার্টির নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আপনারা কান খুলে শুনেন জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টি থেকে যে ঘোষণা আসবে- সারজিস আলম আর হাসনাত আব্দুল্লাহ কোনো প্রোগ্রাম রংপুরের মাটিতে হতে দেওয়া হবে না।’ একই সঙ্গে প্রশাসন ও আর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর যারা আছেন তারাও কান খুলে শুনে রাখেন এর পরে রংপুরে কোনো রাজনৈতিক সংলাপে যদি জাতীয় পার্টিকে আমন্ত্রণ করা না হলে সে সংলাপ আমরা করতে দেব না। তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, সারজিদ আর হাসনাতের মতো দুজন টোকাইকে প্রশ্রয় দেন তাহলে বোকার স্বর্গে বাস করছেন।

 

মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, ‘আমরা সংস্কার করার জন্য ড. ইউনুস মহোদয়কে আরও সময় দিতে চাই। আমরা সব সময় বলেছি সংস্কার করতে যত সময় লাগে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সে সময় আমরা সব সময় দিতে চাই।’

 

সাবেক মেয়র আরও বলেন, আমরা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে রংপুরে সর্বতোভাবে অংশগ্রহণ করেছি। আমিসহ দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী আন্দোলন করেছি রক্ত দিয়েছি। আমরা যে আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলাম সেটা রংপুরের সব স্তরের মানুষ দেখেছে। আমাদের ত্যাগ তিতিক্ষাকে ছোট করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। রংপুরে জাতীয় পার্টি ছাড়া এতবড় বিশাল আন্দোলন কখনই সফল হতো না। তার প্রমাণ- আমাদের দলের অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অনেককে আসামি করা হয়েছে। আমাদের সরলতাকে দুর্বল ভাবার কোনো কারন নেই।

 

সোমবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে নিজ নিজ ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে পোস্ট দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

 

ফেসবুক পোস্টে সারজিস লেখেন, ‘জাতীয় পার্টির মতো মেরুদণ্ডহীন ফ্যাসিস্টের দালালদের প্রধান উপদেষ্টা কিভাবে আলোচনায় ডাকে?’

 

 

হাসনাত লেখেন, ‘স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টিকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হলে, আমরা সেই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ ও কঠোর বিরোধিতা করব।’