ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এনসিপির মামলা, বিজিবি মোতায়েন মিয়ানমারে পাচারের পথে ১৭ লাখ টাকার সার ও কৃষিপণ্য জব্দ, আটক ৬ টেকনাফে র‌্যাব-১৫-এর অভিযানে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার বানারীপাড়ায় দুই জুলাই শহীদ পরিবারের ঘরে তারেক রহমানের উপহার মোরেলগঞ্জে পাটের বস্তার পরিবর্তে প্লাস্টিক ব্যবহার: ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা বিশ্ব বাঘ দিবস আজ হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিস আলমসহ কয়েকজন আহত স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের সমস্ত পেট্রল পাম্প

ফাইল ছবি

 

জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের সব পেট্রল পাম্প যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

 

রোববার (২২ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ দাবি করে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রল পাম্পগুলোর পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তেল কোম্পানিগুলো থেকে দৈনিক যে পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে, তা দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না।

 

ফলে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় বিরামহীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা শারীরিক ও মানসিক চাপের মধ্যে পড়ছেন।পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় যেকোনো সময় দেশব্যাপী পেট্রল পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

 

সংগঠনটির দাবি, এর আগেও পেট্রল পাম্পে নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হলেও জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকার ও জেলা প্রশাসন কার্যত উপেক্ষা করছে। তেল বিক্রির সময় কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঈদের আগের দিন একটি পাম্পে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল ও সমপরিমাণ অকটেন মজুদ থাকলেও অতিরিক্ত চাপের কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যায়। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে কয়েকদিন চলার মতো মজুদ হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধি ও বিশৃঙ্খলার কারণে দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।

 

এ পরিস্থিতিকে ‘লুটতরাজের মতো’ উল্লেখ করে সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, কিছু মোটরসাইকেল চালক দিনে একাধিকবার তেল সংগ্রহ করে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অনেকে আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েও বারবার তেল নিতে আসছেন, যা সংকট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি ও পাম্পগুলোতে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সংগঠনটি।

জনপ্রিয়

হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এনসিপির মামলা, বিজিবি মোতায়েন

যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের সমস্ত পেট্রল পাম্প

আপডেট : ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
ফাইল ছবি

 

জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের সব পেট্রল পাম্প যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

 

রোববার (২২ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ দাবি করে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রল পাম্পগুলোর পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তেল কোম্পানিগুলো থেকে দৈনিক যে পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে, তা দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না।

 

ফলে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় বিরামহীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা শারীরিক ও মানসিক চাপের মধ্যে পড়ছেন।পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় যেকোনো সময় দেশব্যাপী পেট্রল পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

 

সংগঠনটির দাবি, এর আগেও পেট্রল পাম্পে নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হলেও জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকার ও জেলা প্রশাসন কার্যত উপেক্ষা করছে। তেল বিক্রির সময় কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঈদের আগের দিন একটি পাম্পে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল ও সমপরিমাণ অকটেন মজুদ থাকলেও অতিরিক্ত চাপের কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যায়। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে কয়েকদিন চলার মতো মজুদ হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধি ও বিশৃঙ্খলার কারণে দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।

 

এ পরিস্থিতিকে ‘লুটতরাজের মতো’ উল্লেখ করে সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, কিছু মোটরসাইকেল চালক দিনে একাধিকবার তেল সংগ্রহ করে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অনেকে আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েও বারবার তেল নিতে আসছেন, যা সংকট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি ও পাম্পগুলোতে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সংগঠনটি।