সারাদেশে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুল সময় কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মহল ও অভিভাবকরা বলছেন, কনকনে এই শীতে ভোরবেলায় স্কুলে যাওয়া শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাথমিক স্তরের শিশুরা ঠান্ডা সহনশীল নয়। সকালের তীব্র শীতে স্কুলে যাতায়াতের কারণে তারা সর্দি, কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক এলাকায় শিশুদের ঠান্ডাজনিত অসুস্থতার খবর পাওয়া গেছে।

অভিভাবকরা জানান, ভোরের কনকনে ঠান্ডায় শিশুদের ঘুম থেকে তুলে প্রস্তুত করা এবং স্কুলে পাঠানো অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ায় নিয়মিত স্কুলে যেতে পারছে না, যার প্রভাব পড়ছে তাদের পড়াশোনায়।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শীতকালীন এই পরিস্থিতিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সূচি সাময়িকভাবে এক থেকে দেড় ঘণ্টা পিছিয়ে দিলে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি উপস্থিতির হার বাড়বে এবং শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে স্বস্তি নিয়ে ক্লাসে অংশ নিতে পারবে।
এ বিষয়ে সচেতন মহল মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলছেন, শিশুদের সুস্থতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে তাকিয়ে আছেন অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ। আশা করা হচ্ছে, শীতের এই সময়ে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

মোঃ নাজমুল, স্টাফ রিপোর্টারঃ 



















