ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এনসিপির মামলা, বিজিবি মোতায়েন মিয়ানমারে পাচারের পথে ১৭ লাখ টাকার সার ও কৃষিপণ্য জব্দ, আটক ৬ টেকনাফে র‌্যাব-১৫-এর অভিযানে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার বানারীপাড়ায় দুই জুলাই শহীদ পরিবারের ঘরে তারেক রহমানের উপহার মোরেলগঞ্জে পাটের বস্তার পরিবর্তে প্লাস্টিক ব্যবহার: ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা বিশ্ব বাঘ দিবস আজ হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিস আলমসহ কয়েকজন আহত স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

ঈদ মিছিলে মূর্তির সমাহার ঈদের মূল স্পিরিটের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’

সংগৃহীত ছবি

 

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতি ঢোকানোর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়েছেন দলটির আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান।

 

 

বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা বলেন, সুলতানি বা মুঘল আমলের কয়েকশ বছরের পুরোনো ঐতিহ্য ঈদ মিছিল ফিরিয়ে আনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মুসলমানদের সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের যাত্রা শুরু হয়েছে বলে আমরা মনে করি। সারা দেশে শিশু-কিশোরসহ সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ঈদ মিছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত ঈদ মিছিলে বিভিন্ন মূর্তির সমাহার ঈদের মূল স্পিরিটের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ইতিহাস না জেনে ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে। তা না হলে আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।

 

 

তারা আরও বলেন, আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যুগে নওরোজ ও মেহেরজান নামে দুটি উৎসব পালন করা হতো, যা ছিল ইসলামের তৌহিদি চেতনার বিপরীত। তখন পৌত্তলিক সংস্কৃতি থেকে মুক্ত থাকতে মুসলমানদের জন্য ইসলাম দুই ঈদের প্রবর্তন করে। অথচ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত ঈদ মিছিলে মঙ্গল শোভাযাত্রার মতো মূর্তিবাদী সংস্কৃতির আড়ম্বর দেখা গেল। ঈদ মুসলিম উম্মাহর জন্য আল্লাহ প্রদত্ত পুরস্কারের দিন। যা মুসলমানদের জন্য আনন্দের দিন। সে আনন্দ উৎসব হতে হবে ইসলামের তৌহিদি চেতনা ও বিধান অক্ষুণ্ন রেখে। কোনো প্রাণী বা মানুষের মূর্তি বা ভাস্কর্য বানানো ইসলামে সম্পূর্ণ নিষেধ। এই মৌলিক বিধান অক্ষুণ্ন রেখেই ঈদ উদযাপনকে সাংস্কৃতিকভাবে আমাদের জাতীয় উৎসবে পরিণত করতে হবে। মূর্তিবাদী সংস্কৃতি নয়, তৌহিদি চেতনার মধ্যেই বাংলাদেশের মুসলমানদের সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ নিহিত।

জনপ্রিয়

হবিগঞ্জে ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এনসিপির মামলা, বিজিবি মোতায়েন

ঈদ মিছিলে মূর্তির সমাহার ঈদের মূল স্পিরিটের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’

আপডেট : ০৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫
সংগৃহীত ছবি

 

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতি ঢোকানোর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়েছেন দলটির আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান।

 

 

বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা বলেন, সুলতানি বা মুঘল আমলের কয়েকশ বছরের পুরোনো ঐতিহ্য ঈদ মিছিল ফিরিয়ে আনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মুসলমানদের সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের যাত্রা শুরু হয়েছে বলে আমরা মনে করি। সারা দেশে শিশু-কিশোরসহ সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ঈদ মিছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত ঈদ মিছিলে বিভিন্ন মূর্তির সমাহার ঈদের মূল স্পিরিটের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ইতিহাস না জেনে ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে। তা না হলে আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।

 

 

তারা আরও বলেন, আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যুগে নওরোজ ও মেহেরজান নামে দুটি উৎসব পালন করা হতো, যা ছিল ইসলামের তৌহিদি চেতনার বিপরীত। তখন পৌত্তলিক সংস্কৃতি থেকে মুক্ত থাকতে মুসলমানদের জন্য ইসলাম দুই ঈদের প্রবর্তন করে। অথচ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত ঈদ মিছিলে মঙ্গল শোভাযাত্রার মতো মূর্তিবাদী সংস্কৃতির আড়ম্বর দেখা গেল। ঈদ মুসলিম উম্মাহর জন্য আল্লাহ প্রদত্ত পুরস্কারের দিন। যা মুসলমানদের জন্য আনন্দের দিন। সে আনন্দ উৎসব হতে হবে ইসলামের তৌহিদি চেতনা ও বিধান অক্ষুণ্ন রেখে। কোনো প্রাণী বা মানুষের মূর্তি বা ভাস্কর্য বানানো ইসলামে সম্পূর্ণ নিষেধ। এই মৌলিক বিধান অক্ষুণ্ন রেখেই ঈদ উদযাপনকে সাংস্কৃতিকভাবে আমাদের জাতীয় উৎসবে পরিণত করতে হবে। মূর্তিবাদী সংস্কৃতি নয়, তৌহিদি চেতনার মধ্যেই বাংলাদেশের মুসলমানদের সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ নিহিত।