ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফে জাল টাকার কারখানায় বিজিবির অভিযান, ৫১ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ২ টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের বাড়ি রাজশাহী এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন

‘তুই আমার সাথে প্রফেসরগিরি দেখাস, বেয়াদব কোথাকার’

 

তুই প্রফেসরগিরি দেখাস আমার সাথে? ফাজিল কোথাকার, তুই আমাকে বেয়াদব বললি কেন? তুই বেয়াদব বলার কে?’ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ওশানোগ্রাফি বিভাগের সিনিয়র এক শিক্ষককে এভাবেই ধমক দিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে একই বিভাগের আওয়ামী পন্থি জুনিয়র শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম সরকারকে। এমন একটি ভিডিও প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।

 

গত ২৬ নভেম্বর ওশানোগ্রাফি বিভাগের সভাপতির কক্ষে বিভাগটির সিনিয়র শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম সরকার। এ সময় একাধিকবার ওই শিক্ষকের দিকে এগিয়ে এসে তাকে ধমকাতে দেখা যায়।

 

জানা যায়, গত ২৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান ওশানোগ্রাফি বিভাগে পরিদর্শনে আসেন। তবে উপ-উপাচার্যের আসার আগমুহূর্তে সাইদুল ইসলামের বিভাগে দেরিতে আসার কারণ জিজ্ঞেস করতেই তিনি অধ্যাপক ড. মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওশানোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেম উদ্দিন বলেন, গত ২৬ নভেম্বর ওশানোগ্রাফি বিভাগে চবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান স্যার ডিজিটে আসার আগমুহূর্তে বিভাগে দেরিতে আসার কারণ জিজ্ঞেস করতেই সাইদুল ইসলাম আমার সঙ্গে গালিগালাজ ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন। এ ছাড়া আমাকে দেখে নেওয়ারও হুমকি-ধমকি দেন তিনি। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ভিসি ও প্রো-ভিসিদের নিয়েও তিনি কটূক্তি করেন।

 

এ বিষয়ে সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম বলেন, গত ২৬ নভেম্বর অধ্যাপক ড. মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার কারণ হলো, তিনি আমাকে আগে বেয়াদব বলেছেন। তুই-তোকারি করে কথা বলেছেন। তারপর আমি তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছি।

 

উল্লেখ্য, সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম সরকার আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোর বিরোধী ছিলেন। এজন্য ওশানোগ্রাফি বিভাগ থেকে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। তবে ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি নমনীয় হওয়ায় তিনি ক্যাম্পাসে আসেন।

জনপ্রিয়

ঈদকে সামনে রেখে টেকনাফে জাল টাকার কারখানায় বিজিবির অভিযান, ৫১ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ২

‘তুই আমার সাথে প্রফেসরগিরি দেখাস, বেয়াদব কোথাকার’

আপডেট : ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪

 

তুই প্রফেসরগিরি দেখাস আমার সাথে? ফাজিল কোথাকার, তুই আমাকে বেয়াদব বললি কেন? তুই বেয়াদব বলার কে?’ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ওশানোগ্রাফি বিভাগের সিনিয়র এক শিক্ষককে এভাবেই ধমক দিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে একই বিভাগের আওয়ামী পন্থি জুনিয়র শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম সরকারকে। এমন একটি ভিডিও প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।

 

গত ২৬ নভেম্বর ওশানোগ্রাফি বিভাগের সভাপতির কক্ষে বিভাগটির সিনিয়র শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম সরকার। এ সময় একাধিকবার ওই শিক্ষকের দিকে এগিয়ে এসে তাকে ধমকাতে দেখা যায়।

 

জানা যায়, গত ২৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান ওশানোগ্রাফি বিভাগে পরিদর্শনে আসেন। তবে উপ-উপাচার্যের আসার আগমুহূর্তে সাইদুল ইসলামের বিভাগে দেরিতে আসার কারণ জিজ্ঞেস করতেই তিনি অধ্যাপক ড. মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওশানোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেম উদ্দিন বলেন, গত ২৬ নভেম্বর ওশানোগ্রাফি বিভাগে চবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান স্যার ডিজিটে আসার আগমুহূর্তে বিভাগে দেরিতে আসার কারণ জিজ্ঞেস করতেই সাইদুল ইসলাম আমার সঙ্গে গালিগালাজ ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন। এ ছাড়া আমাকে দেখে নেওয়ারও হুমকি-ধমকি দেন তিনি। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ভিসি ও প্রো-ভিসিদের নিয়েও তিনি কটূক্তি করেন।

 

এ বিষয়ে সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম বলেন, গত ২৬ নভেম্বর অধ্যাপক ড. মোসলেম উদ্দিনের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার কারণ হলো, তিনি আমাকে আগে বেয়াদব বলেছেন। তুই-তোকারি করে কথা বলেছেন। তারপর আমি তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছি।

 

উল্লেখ্য, সহকারী অধ্যাপক সাইদুল ইসলাম সরকার আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোর বিরোধী ছিলেন। এজন্য ওশানোগ্রাফি বিভাগ থেকে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। তবে ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি নমনীয় হওয়ায় তিনি ক্যাম্পাসে আসেন।