ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
গাড়ির ধোঁয়া ও নির্মাণের ধুলায় বিষাক্ত হচ্ছে ঢাকার বাতাস প্রদীপের আলোয় দূর হবে অন্ধকার, মা কালীর আরাধনায় জাগবে শুভশক্তি টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী শীতের আমেজে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পিপাসু পর্যটকদের ডাকছে কুইন আইল্যান্ড ভোলা মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ রাজধানীতে এক রাতে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন বাগেরহাটে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ প্রবাসীর মৃত্যু ​

টেকনাফে পুলিশের অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী নাহিদ গ্রেপ্তার

 

​কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের বিশেষ অভিযানে চারটি আগ্নেয়াস্ত্র, ৭৯ রাউন্ড গুলি ও একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ একাধিক হত্যা, অপহরণ, অস্ত্র ও মাদক মামলার আসামি এবং দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী আব্দুল খালেক ওরফে নাহিদ (৩১) গ্রেপ্তার হয়েছেন।

​

সোমবার (১০ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল হ্নীলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লেদা মৌলভীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা আরও পাঁচজন সহযোগী অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

​

গ্রেপ্তার নাহিদের দেহ তল্লাশি ও তার ব্যবহৃত সিএনজি থেকে একটি ম্যাগাজিনসহ একটি পিস্তল (দুই রাউন্ড গুলিসহ), তিনটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার গান, ৬৯ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ১০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, একটি সাদা রঙের অ্যাংলেট এবং একটি নম্বরবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।

​

পুলিশ জানায়, থানার রেকর্ড পর্যালোচনায় আব্দুল খালেক ওরফে নাহিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, হত্যা, অপহরণ, মাদক ও ডাকাতিসহ মোট ১৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ঝুলছিল।

​

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার নাহিদ এবং পালিয়ে যাওয়া অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

​টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “টেকনাফে সন্ত্রাস, অস্ত্র ও মাদক নির্মূলে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া নাহিদ দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিল। তার থেকে অপরাধ চক্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। আমরা এই অপরাধ চক্রের মূল হোতাদেরও আইনের আওতায় আনব। টেকনাফে কোনো সন্ত্রাসী বা অস্ত্রধারীকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

​

কক্সবাজার জেলা পুলিশ জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী টেকনাফে সন্ত্রাস, অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

গাড়ির ধোঁয়া ও নির্মাণের ধুলায় বিষাক্ত হচ্ছে ঢাকার বাতাস

টেকনাফে পুলিশের অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী নাহিদ গ্রেপ্তার

আপডেট : ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

 

​কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের বিশেষ অভিযানে চারটি আগ্নেয়াস্ত্র, ৭৯ রাউন্ড গুলি ও একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ একাধিক হত্যা, অপহরণ, অস্ত্র ও মাদক মামলার আসামি এবং দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী আব্দুল খালেক ওরফে নাহিদ (৩১) গ্রেপ্তার হয়েছেন।

​

সোমবার (১০ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল হ্নীলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লেদা মৌলভীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা আরও পাঁচজন সহযোগী অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

​

গ্রেপ্তার নাহিদের দেহ তল্লাশি ও তার ব্যবহৃত সিএনজি থেকে একটি ম্যাগাজিনসহ একটি পিস্তল (দুই রাউন্ড গুলিসহ), তিনটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার গান, ৬৯ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ১০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, একটি সাদা রঙের অ্যাংলেট এবং একটি নম্বরবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।

​

পুলিশ জানায়, থানার রেকর্ড পর্যালোচনায় আব্দুল খালেক ওরফে নাহিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, হত্যা, অপহরণ, মাদক ও ডাকাতিসহ মোট ১৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ঝুলছিল।

​

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার নাহিদ এবং পালিয়ে যাওয়া অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

​টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “টেকনাফে সন্ত্রাস, অস্ত্র ও মাদক নির্মূলে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া নাহিদ দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিল। তার থেকে অপরাধ চক্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। আমরা এই অপরাধ চক্রের মূল হোতাদেরও আইনের আওতায় আনব। টেকনাফে কোনো সন্ত্রাসী বা অস্ত্রধারীকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

​

কক্সবাজার জেলা পুলিশ জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী টেকনাফে সন্ত্রাস, অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।