ঢাকা , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফ রাজারছড়ায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মানব পাচারকারীদের ২০টি আস্তানা টেকনাফে নাফ নদীতে বিজিবির চিরুনি অভিযান খেলাধুলায় তরুণদের সুস্থ ও আত্মবিশ্বাসী করা সম্ভব: এমপি জুই আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ: রিট খারিজ করলেন হাইকোর্ট পিরোজপুরে ৪০০ ইয়াবা ও ৩০ গ্রাম আইসসহ গ্রেপ্তার ১ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমেছে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে বিদ্যুতের পুঞ্জীভূত সংকটে শুধু মন্ত্রীকে দোষারোপ কতটা যৌক্তিক? মোরেলগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পিরোজপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু টেকনাফের নাজির হোসেন হত্যার আসামি রিদোয়ান গ্রেপ্তার

টেকনাফে পুলিশের অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী নাহিদ গ্রেপ্তার

 

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের বিশেষ অভিযানে চারটি আগ্নেয়াস্ত্র, ৭৯ রাউন্ড গুলি ও একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ একাধিক হত্যা, অপহরণ, অস্ত্র ও মাদক মামলার আসামি এবং দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী আব্দুল খালেক ওরফে নাহিদ (৩১) গ্রেপ্তার হয়েছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল হ্নীলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লেদা মৌলভীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা আরও পাঁচজন সহযোগী অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার নাহিদের দেহ তল্লাশি ও তার ব্যবহৃত সিএনজি থেকে একটি ম্যাগাজিনসহ একটি পিস্তল (দুই রাউন্ড গুলিসহ), তিনটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার গান, ৬৯ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ১০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, একটি সাদা রঙের অ্যাংলেট এবং একটি নম্বরবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, থানার রেকর্ড পর্যালোচনায় আব্দুল খালেক ওরফে নাহিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, হত্যা, অপহরণ, মাদক ও ডাকাতিসহ মোট ১৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ঝুলছিল।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার নাহিদ এবং পালিয়ে যাওয়া অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

​টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “টেকনাফে সন্ত্রাস, অস্ত্র ও মাদক নির্মূলে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া নাহিদ দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিল। তার থেকে অপরাধ চক্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। আমরা এই অপরাধ চক্রের মূল হোতাদেরও আইনের আওতায় আনব। টেকনাফে কোনো সন্ত্রাসী বা অস্ত্রধারীকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

কক্সবাজার জেলা পুলিশ জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী টেকনাফে সন্ত্রাস, অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

টেকনাফ রাজারছড়ায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মানব পাচারকারীদের ২০টি আস্তানা

টেকনাফে পুলিশের অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী নাহিদ গ্রেপ্তার

আপডেট : ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

 

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের বিশেষ অভিযানে চারটি আগ্নেয়াস্ত্র, ৭৯ রাউন্ড গুলি ও একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ একাধিক হত্যা, অপহরণ, অস্ত্র ও মাদক মামলার আসামি এবং দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী আব্দুল খালেক ওরফে নাহিদ (৩১) গ্রেপ্তার হয়েছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল হ্নীলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লেদা মৌলভীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা আরও পাঁচজন সহযোগী অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার নাহিদের দেহ তল্লাশি ও তার ব্যবহৃত সিএনজি থেকে একটি ম্যাগাজিনসহ একটি পিস্তল (দুই রাউন্ড গুলিসহ), তিনটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার গান, ৬৯ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ১০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, একটি সাদা রঙের অ্যাংলেট এবং একটি নম্বরবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, থানার রেকর্ড পর্যালোচনায় আব্দুল খালেক ওরফে নাহিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, হত্যা, অপহরণ, মাদক ও ডাকাতিসহ মোট ১৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ঝুলছিল।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার নাহিদ এবং পালিয়ে যাওয়া অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

​টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “টেকনাফে সন্ত্রাস, অস্ত্র ও মাদক নির্মূলে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া নাহিদ দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিল। তার থেকে অপরাধ চক্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। আমরা এই অপরাধ চক্রের মূল হোতাদেরও আইনের আওতায় আনব। টেকনাফে কোনো সন্ত্রাসী বা অস্ত্রধারীকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

কক্সবাজার জেলা পুলিশ জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী টেকনাফে সন্ত্রাস, অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।