ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে প্রস্তুত ২৫১ রেলকোচ ত্রিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

টেকনাফের ৭ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ যৌথ অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীসহ আটক একাধিক

 

কক্সবাজারের টেকনাফে ১৬ এপিবিএনের আওতাধীন সাতটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীসহ একাধিক অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়।

 

রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে অবৈধ অস্ত্রধারী, মাদক ব্যবসায়ী, অপহরণকারী, তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও ডাকাত চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে এ অভিযান চালানো হয়।

 

১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদারের নির্দেশনায় এবং পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেন, পিপিএম-এর নেতৃত্বে এপিবিএন, জেলা পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ব্যাটালিয়ন আনসার ও র‌্যাবের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালিত হয়।

 

অভিযান চলাকালে জাদিমুড়া ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন এবং চাকমারকুল ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মো. জিয়াউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

অভিযানের ফলাফল

নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মো. রফিক (১৯), যিনি পেনাল কোডের ৩৯৯ ধারায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত, এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) এর ৭(ক) ধারায় ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামী আরফা খাতুন (৬০)-কে নিজ নিজ শেড থেকে গ্রেফতার করা হয়।

 

শালবাগান ক্যাম্পে পেনাল কোডের ৩৭৯/৪১১ ধারার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী কামাল হোসেন (৩০)-কে আটক করা হয়।

 

লেদা ক্যাম্পে প্রকাশ্যে জুয়া খেলার অভিযোগে আব্দুর রহিম (৩০), মোহাম্মদ জাবের (২০) এবং শহিদুল ইসলাম (১৮)-কে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

জাদিমুড়া ক্যাম্পে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণীর ১০(ক) ধারার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী আব্দুল্লাহ (৪৫)-কে গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃতদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সন্ত্রাস দমন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ১৬ এপিবিএনের এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট

টেকনাফের ৭ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ যৌথ অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীসহ আটক একাধিক

আপডেট : ০৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

কক্সবাজারের টেকনাফে ১৬ এপিবিএনের আওতাধীন সাতটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীসহ একাধিক অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়।

 

রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে অবৈধ অস্ত্রধারী, মাদক ব্যবসায়ী, অপহরণকারী, তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও ডাকাত চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে এ অভিযান চালানো হয়।

 

১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদারের নির্দেশনায় এবং পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেন, পিপিএম-এর নেতৃত্বে এপিবিএন, জেলা পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ব্যাটালিয়ন আনসার ও র‌্যাবের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালিত হয়।

 

অভিযান চলাকালে জাদিমুড়া ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন এবং চাকমারকুল ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মো. জিয়াউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

অভিযানের ফলাফল

নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মো. রফিক (১৯), যিনি পেনাল কোডের ৩৯৯ ধারায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত, এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) এর ৭(ক) ধারায় ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামী আরফা খাতুন (৬০)-কে নিজ নিজ শেড থেকে গ্রেফতার করা হয়।

 

শালবাগান ক্যাম্পে পেনাল কোডের ৩৭৯/৪১১ ধারার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী কামাল হোসেন (৩০)-কে আটক করা হয়।

 

লেদা ক্যাম্পে প্রকাশ্যে জুয়া খেলার অভিযোগে আব্দুর রহিম (৩০), মোহাম্মদ জাবের (২০) এবং শহিদুল ইসলাম (১৮)-কে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

জাদিমুড়া ক্যাম্পে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণীর ১০(ক) ধারার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী আব্দুল্লাহ (৪৫)-কে গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃতদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সন্ত্রাস দমন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ১৬ এপিবিএনের এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।