ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ রাজধানীতে এক রাতে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন বাগেরহাটে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ প্রবাসীর মৃত্যু ​ বাগেরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত ​ পিরোজপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তিন মাসের প্রশিক্ষণে দক্ষতা অর্জন, এবার আয়ের সুযোগ ১০০ নারীর

টেকনাফের ৭ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ যৌথ অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীসহ আটক একাধিক

 

কক্সবাজারের টেকনাফে ১৬ এপিবিএনের আওতাধীন সাতটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীসহ একাধিক অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়।

 

রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে অবৈধ অস্ত্রধারী, মাদক ব্যবসায়ী, অপহরণকারী, তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও ডাকাত চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে এ অভিযান চালানো হয়।

 

১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদারের নির্দেশনায় এবং পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেন, পিপিএম-এর নেতৃত্বে এপিবিএন, জেলা পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ব্যাটালিয়ন আনসার ও র‌্যাবের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালিত হয়।

 

অভিযান চলাকালে জাদিমুড়া ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন এবং চাকমারকুল ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মো. জিয়াউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

অভিযানের ফলাফল

নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মো. রফিক (১৯), যিনি পেনাল কোডের ৩৯৯ ধারায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত, এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) এর ৭(ক) ধারায় ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামী আরফা খাতুন (৬০)-কে নিজ নিজ শেড থেকে গ্রেফতার করা হয়।

 

শালবাগান ক্যাম্পে পেনাল কোডের ৩৭৯/৪১১ ধারার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী কামাল হোসেন (৩০)-কে আটক করা হয়।

 

লেদা ক্যাম্পে প্রকাশ্যে জুয়া খেলার অভিযোগে আব্দুর রহিম (৩০), মোহাম্মদ জাবের (২০) এবং শহিদুল ইসলাম (১৮)-কে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

জাদিমুড়া ক্যাম্পে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণীর ১০(ক) ধারার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী আব্দুল্লাহ (৪৫)-কে গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃতদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সন্ত্রাস দমন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ১৬ এপিবিএনের এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

টেকনাফের ৭ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ যৌথ অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীসহ আটক একাধিক

আপডেট : ০৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

কক্সবাজারের টেকনাফে ১৬ এপিবিএনের আওতাধীন সাতটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীসহ একাধিক অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়।

 

রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে অবৈধ অস্ত্রধারী, মাদক ব্যবসায়ী, অপহরণকারী, তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও ডাকাত চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে এ অভিযান চালানো হয়।

 

১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদারের নির্দেশনায় এবং পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেন, পিপিএম-এর নেতৃত্বে এপিবিএন, জেলা পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ব্যাটালিয়ন আনসার ও র‌্যাবের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালিত হয়।

 

অভিযান চলাকালে জাদিমুড়া ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন এবং চাকমারকুল ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মো. জিয়াউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

অভিযানের ফলাফল

নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মো. রফিক (১৯), যিনি পেনাল কোডের ৩৯৯ ধারায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত, এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) এর ৭(ক) ধারায় ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামী আরফা খাতুন (৬০)-কে নিজ নিজ শেড থেকে গ্রেফতার করা হয়।

 

শালবাগান ক্যাম্পে পেনাল কোডের ৩৭৯/৪১১ ধারার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী কামাল হোসেন (৩০)-কে আটক করা হয়।

 

লেদা ক্যাম্পে প্রকাশ্যে জুয়া খেলার অভিযোগে আব্দুর রহিম (৩০), মোহাম্মদ জাবের (২০) এবং শহিদুল ইসলাম (১৮)-কে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

জাদিমুড়া ক্যাম্পে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণীর ১০(ক) ধারার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী আব্দুল্লাহ (৪৫)-কে গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃতদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সন্ত্রাস দমন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ১৬ এপিবিএনের এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।