ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
গাড়ির ধোঁয়া ও নির্মাণের ধুলায় বিষাক্ত হচ্ছে ঢাকার বাতাস প্রদীপের আলোয় দূর হবে অন্ধকার, মা কালীর আরাধনায় জাগবে শুভশক্তি টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী শীতের আমেজে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পিপাসু পর্যটকদের ডাকছে কুইন আইল্যান্ড ভোলা মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ রাজধানীতে এক রাতে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন বাগেরহাটে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ প্রবাসীর মৃত্যু ​
৪২ কোটি টাকার ইয়াবার চালান জব্দ, একক অভিযানে ৬৪ বিজিবির সর্ববৃহৎ সাফল্য

টেকনাফে নৌকার নিচে ঝুলছিল ১৪ লাখ ইয়াবা, ২ জন আটক

 

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা এলাকায় নৌকায় অভিনব কায়দায় লুকিয়ে পাচারের সময় প্রায় ৪২ কোটি টাকা মূল্যের ১৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হ্নীলা বিওপির সুইচ গেইট সংলগ্ন এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়।

 

আটক ব্যক্তিরা হলেন-হ্নীলা জেলেপাড়ার গোপাল দাসের ছেলে জয়ঘর দাস (৫০) এবং ফুলের ডেলের মো. শফিকের ছেলে মো. হোসাইন (২০)। তাঁরা দুজনই টেকনাফের হ্নীলা এলাকার বাসিন্দা।

 

৬৪ বিজিবি জানায়, গত দুই সপ্তাহ ধরে হ্নীলা সীমান্ত দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন ও প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ এবং টহল জোরদার করা হয়।

 

এর আগে গত ৩ ও ৪ সেপ্টেম্বর হ্নীলার অবরাং এলাকা দিয়ে রাতের আঁধারে ইয়াবার দুটি ছোট চালান পাচারের চেষ্টা করা হলে প্রযুক্তির সহায়তায় দুই আসামিসহ ৩ লাখ পিস ইয়াবা আটক করে বিজিবি।

 

বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, রাতের বেলায় চালান প্রবেশে ব্যর্থ হয়ে পাচারকারীরা এবার দিনের বেলায় জেলের ছদ্মবেশে নৌকাযোগে ইয়াবার চালান নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সুইচ গেইট এলাকায় তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বিশেষ টহল দল নৌকাটি থামার সংকেত দেয়। এ সময় তারা পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা দুজনকে আটক করেন।

 

পরে নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে ভেতরে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। তবে নৌকার সঙ্গে দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পানিতে হালকা ভাসমান কয়েকটি বস্তা দেখতে পান বিজিবি সদস্যরা। বস্তাগুলো উদ্ধার করে খুললে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ১৪০ কার্টনে ১৪ লাখ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

 

৬৪ বিজিবির দাবি, এটি তাদের একক অভিযানে এ যাবৎকালের সর্ববৃহৎ ইয়াবা চালান জব্দের ঘটনা।

 

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, সীমান্তে মাদক, অস্ত্র ও সারসহ সব ধরনের চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। প্রযুক্তি ও জনবল ব্যবহারের মাধ্যমে সীমান্ত সুরক্ষা আরও জোরদার করা হচ্ছে।

 

বিজিবি আরও জানায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাদকবিরোধী অভিযানে উখিয়া ব্যাটালিয়ন ১ কোটি ৪৩ লাখ পিস ইয়াবা এবং ২৪৩ জন আসামিকে আটক করেছে।

 

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে বিজিবি।

জনপ্রিয়

গাড়ির ধোঁয়া ও নির্মাণের ধুলায় বিষাক্ত হচ্ছে ঢাকার বাতাস

৪২ কোটি টাকার ইয়াবার চালান জব্দ, একক অভিযানে ৬৪ বিজিবির সর্ববৃহৎ সাফল্য

টেকনাফে নৌকার নিচে ঝুলছিল ১৪ লাখ ইয়াবা, ২ জন আটক

আপডেট : ০২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা এলাকায় নৌকায় অভিনব কায়দায় লুকিয়ে পাচারের সময় প্রায় ৪২ কোটি টাকা মূল্যের ১৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

 

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হ্নীলা বিওপির সুইচ গেইট সংলগ্ন এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়।

 

আটক ব্যক্তিরা হলেন-হ্নীলা জেলেপাড়ার গোপাল দাসের ছেলে জয়ঘর দাস (৫০) এবং ফুলের ডেলের মো. শফিকের ছেলে মো. হোসাইন (২০)। তাঁরা দুজনই টেকনাফের হ্নীলা এলাকার বাসিন্দা।

 

৬৪ বিজিবি জানায়, গত দুই সপ্তাহ ধরে হ্নীলা সীমান্ত দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন ও প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ এবং টহল জোরদার করা হয়।

 

এর আগে গত ৩ ও ৪ সেপ্টেম্বর হ্নীলার অবরাং এলাকা দিয়ে রাতের আঁধারে ইয়াবার দুটি ছোট চালান পাচারের চেষ্টা করা হলে প্রযুক্তির সহায়তায় দুই আসামিসহ ৩ লাখ পিস ইয়াবা আটক করে বিজিবি।

 

বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, রাতের বেলায় চালান প্রবেশে ব্যর্থ হয়ে পাচারকারীরা এবার দিনের বেলায় জেলের ছদ্মবেশে নৌকাযোগে ইয়াবার চালান নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সুইচ গেইট এলাকায় তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বিশেষ টহল দল নৌকাটি থামার সংকেত দেয়। এ সময় তারা পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা দুজনকে আটক করেন।

 

পরে নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে ভেতরে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। তবে নৌকার সঙ্গে দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পানিতে হালকা ভাসমান কয়েকটি বস্তা দেখতে পান বিজিবি সদস্যরা। বস্তাগুলো উদ্ধার করে খুললে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ১৪০ কার্টনে ১৪ লাখ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

 

৬৪ বিজিবির দাবি, এটি তাদের একক অভিযানে এ যাবৎকালের সর্ববৃহৎ ইয়াবা চালান জব্দের ঘটনা।

 

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, সীমান্তে মাদক, অস্ত্র ও সারসহ সব ধরনের চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। প্রযুক্তি ও জনবল ব্যবহারের মাধ্যমে সীমান্ত সুরক্ষা আরও জোরদার করা হচ্ছে।

 

বিজিবি আরও জানায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাদকবিরোধী অভিযানে উখিয়া ব্যাটালিয়ন ১ কোটি ৪৩ লাখ পিস ইয়াবা এবং ২৪৩ জন আসামিকে আটক করেছে।

 

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে বিজিবি।