ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় জোর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে IOM-এর নবনিযুক্ত মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: বরিশালে তথ্যমন্ত্রী টেকনাফের হোয়াইক্যং প্রাইভেটকারের বাম্পারে ১ লাখ ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ১ পিরোজপুরে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত একরাম হত্যা মামলা: র‍্যাবের সাবেক অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার মিফতাহ সেনা হেফাজতে গঠনমূলক সমালোচনা ও ইতিবাচক কাজ তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ক্লিনিক সিলগালার পর এবার মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

নাফ নদীতে বিজিবির শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান, দুই চোরাচালানকারীসহ ১ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

 

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই মাদক চোরাচালানকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাদের নৌকা থেকে ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভোররাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীন সাবরাং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

 

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে নাফ নদী হয়ে একটি বড় ইয়াবার চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে রাত দেড়টার দিকে বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল অত্যাধুনিক ফ্যান্টম বোট নিয়ে কৌশলগত অবস্থান নেয়।

 

পরে রাত ৩টার দিকে প্রযুক্তিগত নজরদারির মাধ্যমে একটি নৌকা শনাক্ত করা হলে বিজিবি ধাওয়া দেয়। এ সময় নৌকায় থাকা চোরাচালানকারীরা নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। বিজিবি ধাওয়া করে দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অপর একজন অন্ধকারের সুযোগে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।

 

আটকরা হলেন উখিয়ার কুতুপালং এফডিএমএন ক্যাম্পের বাসিন্দা জুস মোহাম্মদ (৩০) এবং আলিখালী এফডিএমএন ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইলিয়াস (৩৭)।

 

বিজিবি জানায়, তল্লাশিতে নৌকা থেকে ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযান চলাকালে চোরাচালানকারীদের নৌকাটি বিজিবির ফ্যান্টম বোটের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই অর্ধনিমজ্জিত হয়।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্তে মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধ দমনে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

আটক দুই আসামি ও উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

জনপ্রিয়

পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

নাফ নদীতে বিজিবির শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান, দুই চোরাচালানকারীসহ ১ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

আপডেট : ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

 

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই মাদক চোরাচালানকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাদের নৌকা থেকে ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভোররাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীন সাবরাং বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

 

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে নাফ নদী হয়ে একটি বড় ইয়াবার চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে রাত দেড়টার দিকে বিজিবির একটি বিশেষ আভিযানিক দল অত্যাধুনিক ফ্যান্টম বোট নিয়ে কৌশলগত অবস্থান নেয়।

 

পরে রাত ৩টার দিকে প্রযুক্তিগত নজরদারির মাধ্যমে একটি নৌকা শনাক্ত করা হলে বিজিবি ধাওয়া দেয়। এ সময় নৌকায় থাকা চোরাচালানকারীরা নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। বিজিবি ধাওয়া করে দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অপর একজন অন্ধকারের সুযোগে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।

 

আটকরা হলেন উখিয়ার কুতুপালং এফডিএমএন ক্যাম্পের বাসিন্দা জুস মোহাম্মদ (৩০) এবং আলিখালী এফডিএমএন ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইলিয়াস (৩৭)।

 

বিজিবি জানায়, তল্লাশিতে নৌকা থেকে ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযান চলাকালে চোরাচালানকারীদের নৌকাটি বিজিবির ফ্যান্টম বোটের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ঘটনাস্থলেই অর্ধনিমজ্জিত হয়।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্তে মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধ দমনে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

আটক দুই আসামি ও উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।