ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় জোর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে IOM-এর নবনিযুক্ত মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: বরিশালে তথ্যমন্ত্রী টেকনাফের হোয়াইক্যং প্রাইভেটকারের বাম্পারে ১ লাখ ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ১ পিরোজপুরে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত একরাম হত্যা মামলা: র‍্যাবের সাবেক অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার মিফতাহ সেনা হেফাজতে গঠনমূলক সমালোচনা ও ইতিবাচক কাজ তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ক্লিনিক সিলগালার পর এবার মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৪০ হাজার ইয়াবা ও ৪৮ ক্যান হান্টার বিয়ার উদ্ধার, আটক ২

 

কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক দুটি অভিযানে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ও ৪৮ ক্যান হান্টার বিয়ার উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় পৃথক ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

 

বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, ২১ জুলাই রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সী-বীচ বিওপি সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ চেকপোস্টে বিশেষ যানবাহন তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় টেকনাফ থেকে চট্টগ্রামগামী একটি প্রাইভেটকার তল্লাশি করে ট্রাঙ্কের সাইড কভারের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালক ও মালিক ওমর ফারুক রাসেল (৪১)কে আটক করা হয়।

 

অভিযানে ইয়াবার পাশাপাশি একটি প্রাইভেটকার, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, একটি বাটন মোবাইল, একটি স্মার্ট ঘড়ি এবং নগদ ২ হাজার ১৮০ টাকা জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৪০ লাখ ৯ হাজার ৬৮০ টাকা।

 

অন্যদিকে, ২১ জুলাই রাতেই দমদমিয়া বিওপি চেকপোস্টে চট্টগ্রাম থেকে টেকনাফগামী পালকি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৪৮ ক্যান (৩০০ এমএল) হান্টার বিয়ার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় টেকনাফ পৌরসভার কলেজপাড়ার বাসিন্দা মো. হাশিম (৫৬)কে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের আনুমানিক মূল্য ১৭ হাজার টাকা।

 

বিজিবি জানায়, আটক মো. হাশিম এর আগেও একই অপরাধে বিজিবির হাতে আটক হয়েছিল এবং বর্তমানে আদালতের জামিনে মুক্ত অবস্থায় ছিল।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধ দমনে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল, চেকপোস্টভিত্তিক তল্লাশি এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

আটক দুই আসামি এবং জব্দকৃত আলামত নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

জনপ্রিয়

পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৪০ হাজার ইয়াবা ও ৪৮ ক্যান হান্টার বিয়ার উদ্ধার, আটক ২

আপডেট : ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

 

কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক দুটি অভিযানে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ও ৪৮ ক্যান হান্টার বিয়ার উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় পৃথক ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

 

বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, ২১ জুলাই রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সী-বীচ বিওপি সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ চেকপোস্টে বিশেষ যানবাহন তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় টেকনাফ থেকে চট্টগ্রামগামী একটি প্রাইভেটকার তল্লাশি করে ট্রাঙ্কের সাইড কভারের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালক ও মালিক ওমর ফারুক রাসেল (৪১)কে আটক করা হয়।

 

অভিযানে ইয়াবার পাশাপাশি একটি প্রাইভেটকার, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, একটি বাটন মোবাইল, একটি স্মার্ট ঘড়ি এবং নগদ ২ হাজার ১৮০ টাকা জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৪০ লাখ ৯ হাজার ৬৮০ টাকা।

 

অন্যদিকে, ২১ জুলাই রাতেই দমদমিয়া বিওপি চেকপোস্টে চট্টগ্রাম থেকে টেকনাফগামী পালকি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে ৪৮ ক্যান (৩০০ এমএল) হান্টার বিয়ার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় টেকনাফ পৌরসভার কলেজপাড়ার বাসিন্দা মো. হাশিম (৫৬)কে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের আনুমানিক মূল্য ১৭ হাজার টাকা।

 

বিজিবি জানায়, আটক মো. হাশিম এর আগেও একই অপরাধে বিজিবির হাতে আটক হয়েছিল এবং বর্তমানে আদালতের জামিনে মুক্ত অবস্থায় ছিল।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধ দমনে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল, চেকপোস্টভিত্তিক তল্লাশি এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

আটক দুই আসামি এবং জব্দকৃত আলামত নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।