ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। ফলাফলে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে।
ভারতের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ২০৬টি আসন।
অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। বাকি ১টি আসনেও এগিয়ে আছে তারা।
এছাড়া কংগ্রেস ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টি ২টি করে এবং সিপিআই(এম) ও অল ইন্ডিয়া সেক্যুলার ফ্রন্ট ১টি করে আসন পেয়েছে।
বিজেপি ভোট পেয়েছে ৪৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। তৃণমূল পেয়েছে ৪০ দশমিক ৮০ শতাংশ। ভারতীয় নির্বাচন কমিশন তাদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানিয়েছে।
এই ফলাফলে আগের নির্বাচনের তুলনায় বিজেপির আসন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা রাজ্যে দলটির সংগঠন ও প্রচারণার প্রভাবকে সামনে এনেছে।
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের ফলাফল দলটির জন্য একটি বড় ধাক্কা। ভবানীপুরে দলের সভানেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের আসনসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে তারা প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল করতে পারেনি।
ফল প্রকাশের আগেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিজেপির সাফল্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও এটিকে বিজেপির ‘ঐতিহাসিক’ সাফল্য বলে আখ্যা দেন।

এরই মধ্যে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে চলছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা। বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতার নাম উঠে এসেছে এই তালিকায়। এই পদের সবচেয়ে বড় দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছে বিজেপির দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। সাংগঠনিক দক্ষতা এবং প্রভাবের জন্য সুপরিচিত তিনি। এর আগে তৃণমূল সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিত্বও সামলেছেন।
এই দৌড়ে এগিয়ে আছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। আরএসএসের আদর্শে গড়ে ওঠা এই অভিজ্ঞ নেতা সমাজের বিভিন্ন স্তরে দলের ভিত্তি প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ২০২৪ সাল থেকে তিনি রাজ্যসভার সদস্য এবং বিগত কয়েক বছরে রাজ্যে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধিতে বিশেষ কৃতিত্ব রয়েছে তার।
কর্মীদের মাঝে এখনো ব্যাপক জনপ্রিয় প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার নেতৃত্বেই ২০১৯-এর লোকসভা এবং ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছিল। নির্বাচনে খড়গপুর সদর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এই নেতা। এই লড়াইয়ের অন্যতম

ডেস্ক রিপোর্টঃ 



















