ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে প্রস্তুত ২৫১ রেলকোচ ত্রিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে পদক্ষেপ না নিতে ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার চিঠি

শেখ হাসিনা

 

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে পদক্ষেপ না নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে (আইসিটি) চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিটি পাঠিয়েছে যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক আইন সংস্থা ‘কিংসলে ন্যাপলি’।

 

সোমবার (৩০ মার্চ) প্রেরিত এই চিঠিতে ট্রাইব্যুনালের আদেশ অবিলম্বে বাতিলের দাবি করা হয়েছে।

 

পাশাপাশি ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক আইন মেনে, নোটিশ দিয়ে এবং শেখ হাসিনার পছন্দের আইনজীবীর উপস্থিতি নিশ্চিত করে নতুন ট্রাইব্যুনাল গঠনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ও ট্রাইব্যুনাল এই দাবিগুলো কত দ্রুত বাস্তবায়ন করবে তা ১৪ দিনের মধ্যে নিশ্চিত করতে হবে।

 

চিঠিতে বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ত্রুটি ও অসঙ্গতি বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের বিচারিক বেঞ্চ এবং প্রসিকিউটর টিম রাজনৈতিক পক্ষপাত দ্বারা পুনর্গঠন করা হয়েছে। পূর্বের বিচারকদের অপসারণের কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। নতুন বেঞ্চ গঠনের প্রক্রিয়াও অন্তর্বর্তী সরকারের হঠাৎ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। প্রসিকিউটর টিমের কিছু সদস্যকে রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতমূলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগও উঠে এসেছে।

 

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল আন্তর্জাতিক আইন বিশেষ করে আইসিসিপিআরের ১৪(১) অনুচ্ছেদের বিধি অনুসারে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। বিচারিক বেঞ্চের মধ্যে চেয়ারম্যান গোলাম মর্তুজা মজুমদার এবং বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর সঙ্গে রাজনৈতিক সংযোগের অভিযোগ রয়েছে। অপর বিচারক শফিউল আলম মাহমুদের বিএনপি-সংক্রান্ত প্রকাশ্য সম্পর্কও উল্লেখ করা হয়েছে।

 

আইনি প্রক্রিয়ার অবমাননা বিষয়েও চিঠিতে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। চার্জ গঠন সংক্রান্ত নোটিশ না দেওয়া, নিজস্ব আইনজীবী নিয়োগের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা, এবং রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ না দেওয়া আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের মানদণ্ড লঙ্ঘন করেছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে পদক্ষেপ না নিতে ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার চিঠি

আপডেট : ০৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
শেখ হাসিনা

 

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে পদক্ষেপ না নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে (আইসিটি) চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিটি পাঠিয়েছে যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক আইন সংস্থা ‘কিংসলে ন্যাপলি’।

 

সোমবার (৩০ মার্চ) প্রেরিত এই চিঠিতে ট্রাইব্যুনালের আদেশ অবিলম্বে বাতিলের দাবি করা হয়েছে।

 

পাশাপাশি ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক আইন মেনে, নোটিশ দিয়ে এবং শেখ হাসিনার পছন্দের আইনজীবীর উপস্থিতি নিশ্চিত করে নতুন ট্রাইব্যুনাল গঠনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ও ট্রাইব্যুনাল এই দাবিগুলো কত দ্রুত বাস্তবায়ন করবে তা ১৪ দিনের মধ্যে নিশ্চিত করতে হবে।

 

চিঠিতে বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ত্রুটি ও অসঙ্গতি বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের বিচারিক বেঞ্চ এবং প্রসিকিউটর টিম রাজনৈতিক পক্ষপাত দ্বারা পুনর্গঠন করা হয়েছে। পূর্বের বিচারকদের অপসারণের কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। নতুন বেঞ্চ গঠনের প্রক্রিয়াও অন্তর্বর্তী সরকারের হঠাৎ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। প্রসিকিউটর টিমের কিছু সদস্যকে রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতমূলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগও উঠে এসেছে।

 

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল আন্তর্জাতিক আইন বিশেষ করে আইসিসিপিআরের ১৪(১) অনুচ্ছেদের বিধি অনুসারে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। বিচারিক বেঞ্চের মধ্যে চেয়ারম্যান গোলাম মর্তুজা মজুমদার এবং বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর সঙ্গে রাজনৈতিক সংযোগের অভিযোগ রয়েছে। অপর বিচারক শফিউল আলম মাহমুদের বিএনপি-সংক্রান্ত প্রকাশ্য সম্পর্কও উল্লেখ করা হয়েছে।

 

আইনি প্রক্রিয়ার অবমাননা বিষয়েও চিঠিতে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। চার্জ গঠন সংক্রান্ত নোটিশ না দেওয়া, নিজস্ব আইনজীবী নিয়োগের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা, এবং রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ না দেওয়া আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের মানদণ্ড লঙ্ঘন করেছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।