ঢাকা , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিস আলমসহ কয়েকজন আহত স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় জোর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে IOM-এর নবনিযুক্ত মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: বরিশালে তথ্যমন্ত্রী টেকনাফের হোয়াইক্যং প্রাইভেটকারের বাম্পারে ১ লাখ ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ১ পিরোজপুরে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত একরাম হত্যা মামলা: র‍্যাবের সাবেক অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার মিফতাহ সেনা হেফাজতে গঠনমূলক সমালোচনা ও ইতিবাচক কাজ তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নন-লাইফ বীমায় কমিশন বন্ধে আইডিআরএ’র সার্কুলার বাস্তবায়নে বিআইএফ’র ৫ সদস্যের মনিটরিং কমিটি

 

নন-লাইফ (সাধারণ) বীমা খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) যে শূন্য শতাংশ কমিশন নীতিমালা জারি করেছে, তা কার্যকর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে বীমা মুখ্য নির্বাহীদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম (বিআইএফ)। আইডিআরএ’র সার্কুলার বাস্তবায়ন সরাসরি পর্যবেক্ষণের জন্য সংগঠনটি ৫ সদস্যের একটি শক্তিশালী মনিটরিং কমিটি গঠন করেছে।

 

৭ জানুয়ারি ২০২৬ রাজধানী ঢাকায় বিআইএফ’র কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংগঠনের মুখ্য নির্বাহীদের বিশেষ জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়। সভা শেষে বিআইএফ’র পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় সভাপতিত্ব করেন বিআইএফ’র প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) কার্যনির্বাহী সদস্য এবং পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম ইউসুফ আলী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “আইডিআরএ’র জারি করা সার্কুলার শতভাগ বাস্তবায়ন করতে পারলে বীমা শিল্পে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। এজন্য শুধু নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়, প্রত্যেকটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শীর্ষ ব্যবস্থাপনাকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তাহলেই বীমা শিল্পের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে এবং মানুষের মধ্যে বীমার প্রতি আস্থা শতভাগ নিশ্চিত করা যাবে।”

 

তিনি আরও বলেন, কমিশনভিত্তিক অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ না হলে বীমা শিল্প কখনোই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে না। শূন্য কমিশন নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বীমা খাতকে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রকৃত দর্শনে ফিরিয়ে আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

 

সভায় উপস্থিত ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, নন-লাইফ বীমায় কমিশন প্রথা বন্ধ হলে পলিসি আন্ডাররাইটিংয়ে পেশাদারিত্ব বাড়বে এবং লোকসানী ব্যবসা কমে আসবে, যা শেষ পর্যন্ত গ্রাহক ও শিল্প—উভয়ের জন্যই সুফল বয়ে আনবে।

 

বিআইএফ’র সেক্রেটারি জেনারেল ও সেনা ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শফিক শামীম পিএসসি (অব.) তার বক্তব্যে বলেন, “আইডিআরএ’র নীতিমালা বাস্তবায়নে সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে আইডিআরএ’র তদারকি ও মনিটরিং সেলের কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। স্বল্প জরিমানার সংস্কৃতি পরিহার করে প্রয়োজন অনুযায়ী বড় অঙ্কের জরিমানা, নোটিশ জারি এবং গুরুতর অনিয়মে জড়িতদের লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”

 

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের এক্সিকিউটিভ মেম্বার এস এম নুরুজ্জামান, বাংলাদেশ কো-অপারেটিভ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূরে আলম সিদ্দিকী, বিআইএফ’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এ কে এম সারোয়ার জাহান জামীল, অফিস সেক্রেটারি ও স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিন সরকারসহ বিভিন্ন নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তারা।

 

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিআইএফ’র সেক্রেটারি জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শফিক শামীম পিএসসি (অব.)-কে আহ্বায়ক করে গঠিত মনিটরিং কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এ কে এম সারোয়ার জাহান জামীল, এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিআইএফ’র নির্বাহী সদস্য মো. ইমাম শাহীন, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ সিহাব উল্যাহ আল মনজুর এবং সিটি ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসেন।

 

এই কমিটি বিআইএফ’র সকল সদস্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ বীমা খাতে শূন্য কমিশন বিষয়ে আইডিআরএ’র সাম্প্রতিক সার্কুলার বাস্তবায়ন কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবে।

 

বীমাবিদ ও সাংবাদিক মহল এই উদ্যোগকে বীমা শিল্পের ইতিহাসে একটি অনন্য ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে, শূন্য কমিশন নীতি বাস্তবায়িত হলে শুধু বীমা খাতের শৃঙ্খলাই ফিরবে না, বরং বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে। শিল্প খাতে ঝুঁকি নিরূপণ ও ব্যবস্থাপনায় বীমা খাত আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

জনপ্রিয়

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিস আলমসহ কয়েকজন আহত

নন-লাইফ বীমায় কমিশন বন্ধে আইডিআরএ’র সার্কুলার বাস্তবায়নে বিআইএফ’র ৫ সদস্যের মনিটরিং কমিটি

আপডেট : ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

 

নন-লাইফ (সাধারণ) বীমা খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) যে শূন্য শতাংশ কমিশন নীতিমালা জারি করেছে, তা কার্যকর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে বীমা মুখ্য নির্বাহীদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম (বিআইএফ)। আইডিআরএ’র সার্কুলার বাস্তবায়ন সরাসরি পর্যবেক্ষণের জন্য সংগঠনটি ৫ সদস্যের একটি শক্তিশালী মনিটরিং কমিটি গঠন করেছে।

 

৭ জানুয়ারি ২০২৬ রাজধানী ঢাকায় বিআইএফ’র কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংগঠনের মুখ্য নির্বাহীদের বিশেষ জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়। সভা শেষে বিআইএফ’র পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় সভাপতিত্ব করেন বিআইএফ’র প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) কার্যনির্বাহী সদস্য এবং পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম ইউসুফ আলী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “আইডিআরএ’র জারি করা সার্কুলার শতভাগ বাস্তবায়ন করতে পারলে বীমা শিল্পে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। এজন্য শুধু নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়, প্রত্যেকটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শীর্ষ ব্যবস্থাপনাকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তাহলেই বীমা শিল্পের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে এবং মানুষের মধ্যে বীমার প্রতি আস্থা শতভাগ নিশ্চিত করা যাবে।”

 

তিনি আরও বলেন, কমিশনভিত্তিক অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ না হলে বীমা শিল্প কখনোই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে না। শূন্য কমিশন নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বীমা খাতকে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রকৃত দর্শনে ফিরিয়ে আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

 

সভায় উপস্থিত ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, নন-লাইফ বীমায় কমিশন প্রথা বন্ধ হলে পলিসি আন্ডাররাইটিংয়ে পেশাদারিত্ব বাড়বে এবং লোকসানী ব্যবসা কমে আসবে, যা শেষ পর্যন্ত গ্রাহক ও শিল্প—উভয়ের জন্যই সুফল বয়ে আনবে।

 

বিআইএফ’র সেক্রেটারি জেনারেল ও সেনা ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শফিক শামীম পিএসসি (অব.) তার বক্তব্যে বলেন, “আইডিআরএ’র নীতিমালা বাস্তবায়নে সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে আইডিআরএ’র তদারকি ও মনিটরিং সেলের কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। স্বল্প জরিমানার সংস্কৃতি পরিহার করে প্রয়োজন অনুযায়ী বড় অঙ্কের জরিমানা, নোটিশ জারি এবং গুরুতর অনিয়মে জড়িতদের লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”

 

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের এক্সিকিউটিভ মেম্বার এস এম নুরুজ্জামান, বাংলাদেশ কো-অপারেটিভ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূরে আলম সিদ্দিকী, বিআইএফ’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এ কে এম সারোয়ার জাহান জামীল, অফিস সেক্রেটারি ও স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিন সরকারসহ বিভিন্ন নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তারা।

 

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিআইএফ’র সেক্রেটারি জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শফিক শামীম পিএসসি (অব.)-কে আহ্বায়ক করে গঠিত মনিটরিং কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এ কে এম সারোয়ার জাহান জামীল, এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিআইএফ’র নির্বাহী সদস্য মো. ইমাম শাহীন, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ সিহাব উল্যাহ আল মনজুর এবং সিটি ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসেন।

 

এই কমিটি বিআইএফ’র সকল সদস্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ বীমা খাতে শূন্য কমিশন বিষয়ে আইডিআরএ’র সাম্প্রতিক সার্কুলার বাস্তবায়ন কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবে।

 

বীমাবিদ ও সাংবাদিক মহল এই উদ্যোগকে বীমা শিল্পের ইতিহাসে একটি অনন্য ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে, শূন্য কমিশন নীতি বাস্তবায়িত হলে শুধু বীমা খাতের শৃঙ্খলাই ফিরবে না, বরং বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে। শিল্প খাতে ঝুঁকি নিরূপণ ও ব্যবস্থাপনায় বীমা খাত আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।