ঢাকা , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা করা সেই সচিব মসিউর রহমানকে জনপ্রশাসনে ন্যস্ত মোরেলগঞ্জে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি, সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে হামলায় আহত পোশাকশ্রমিক তৌফিক মারা গেছেন ভোলায় গবাদিপশুর গোবর থেকে জৈবসার ও বায়োগ্যাস উৎপাদন, যুক্ত ১ হাজার উদ্যোক্তা তাহসিফ হত্যা: ৭ দিনের আবেদনে বন্ধু দীপের ৩ দিনের রিমান্ড প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বাগেরহাটে বিএনপির আনন্দ মিছিল বর্ণাঢ্য আয়োজনের সমাপ্ত হলো ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্ট “যুবসমাজ রক্ষায় শহীদ জিয়ার ভূমিকা অনবদ্য” — রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, বিপাকে বাইন্যান্স হত্যাচেষ্টা মামলায় ফের গ্রেফতার আ. লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল

নেছারাবাদে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে নিচ্ছে প্রভাবশালীরা

 

পিরোজপুরের নেছারাবাদে সামাজিক বনায়নের রোপিত রাস্তার পাশের দশ লক্ষাধিক টাকার গাছ কেটে নিচ্ছে মো: মাসুদ নামে এক প্রভাবশালী এক ব্যক্তি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

শুক্রবার (২১ মার্চ) বিকেলে দেখা যায় মাদ্রা আরামকাঠি সড়কের পাশের চর এলাকা থেকে গত দু’দিন ধরে গাছগুলো কাটা হচ্ছে। সরকারি গাছ কাটতে দেখে স্থানীয়রা বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করে গাছগুলো কেটে নিচ্ছে মোঃ মাসুদ হোসেন নামের এক ব্যক্তি।

 

 

স্থানীয়দের অভিযোগ উপজেলা বন বিভাগ অফিসে একাধিকবার জানালেও তারা কোন কর্নপাত করছেনা। স্থানীয় বাসিন্দা মো: মিজান সিকদার অভিযোগ করেন, আরামকাঠি ৮নং ওয়ার্ডের আরামকাঠি মাদ্রা সড়কের সড়কের পাশে অনেক রেইনট্রি,বেলশিশু গাছ রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ আমল থেকে স্থানীয় মাসুদ হোসেন সব বেলশিশু গাছ সহ বেশ কয়েকটি রেইনট্রি গাছ কেটে নিয়েছে। তখন স্থানীয় বন বিভাগ অফিসে জানালেও তারা কোন কর্নপাত করেনি। নতুন করে সেই মাসুদ হোসেন পুনরায় রাস্তার পাশের পাঁচটি রেইনট্রি গাছ কাটছে ৷ যার মধ্যে তিনটি গাছ নিয়ে গেছে। আরো দুইটি কাটছে। সরকারি গাছ কাটা দেখে আমরা নিষেধ করলে মাসুদ হোসেন হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই অভিযোগ করে স্থানীয় মো: সানি নামে অপর এক যুবক বলেন, গত দুই তিন ধরে মাসুদ হোসেন রাস্তার গাছগুলো কেটে নিচ্ছে। আমরা স্থানীয়রা বাধা দিলে তিনি তা উপেক্ষা করে নিজের মতো করে গাছ কাটা চলমান রেখেছে। আমরা উপজেলা বন অফিসে জানালেও অজ্ঞাত কারনে তারা আসছেনা। সরকারি গাছ কাটার ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো: মাসুদ মিয়া বলেন, আমি ওইখানে জায়গা কিনেছি। গাছগুলো আমার জমির রাস্তার পাশে। স্থানীয় জলিল নামে এক লোক গাছগুলো রোপন করেছিল। তাকে কিছু টাকা দিয়েছি। তিনি দাবি করেন ওই গাছ সরকারি নয়।

 

 

নেছারাবাদ উপজেলা বন কর্মকর্তা মো: সালাউদ্দীনকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি বলেন, সরকারি ছুটি থাকায় ব্যক্তিগত কারণে আমি একটু বাহিরে আছি। অফিসের অফিস সহকারি মো: সেলিমকে পাঠাচ্ছি। তিনি গিয়ে বিষয়টি দেখুক। পরে অফিস সহকারী মো. সেলিমকে ফোন দিলে তিনি বলেন, স্যার (মোঃ সালাউদ্দিন) না আসলে আমি যেতে পারবোনা।

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা করা সেই সচিব মসিউর রহমানকে জনপ্রশাসনে ন্যস্ত

নেছারাবাদে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে নিচ্ছে প্রভাবশালীরা

আপডেট : ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫

 

পিরোজপুরের নেছারাবাদে সামাজিক বনায়নের রোপিত রাস্তার পাশের দশ লক্ষাধিক টাকার গাছ কেটে নিচ্ছে মো: মাসুদ নামে এক প্রভাবশালী এক ব্যক্তি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

শুক্রবার (২১ মার্চ) বিকেলে দেখা যায় মাদ্রা আরামকাঠি সড়কের পাশের চর এলাকা থেকে গত দু’দিন ধরে গাছগুলো কাটা হচ্ছে। সরকারি গাছ কাটতে দেখে স্থানীয়রা বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করে গাছগুলো কেটে নিচ্ছে মোঃ মাসুদ হোসেন নামের এক ব্যক্তি।

 

 

স্থানীয়দের অভিযোগ উপজেলা বন বিভাগ অফিসে একাধিকবার জানালেও তারা কোন কর্নপাত করছেনা। স্থানীয় বাসিন্দা মো: মিজান সিকদার অভিযোগ করেন, আরামকাঠি ৮নং ওয়ার্ডের আরামকাঠি মাদ্রা সড়কের সড়কের পাশে অনেক রেইনট্রি,বেলশিশু গাছ রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ আমল থেকে স্থানীয় মাসুদ হোসেন সব বেলশিশু গাছ সহ বেশ কয়েকটি রেইনট্রি গাছ কেটে নিয়েছে। তখন স্থানীয় বন বিভাগ অফিসে জানালেও তারা কোন কর্নপাত করেনি। নতুন করে সেই মাসুদ হোসেন পুনরায় রাস্তার পাশের পাঁচটি রেইনট্রি গাছ কাটছে ৷ যার মধ্যে তিনটি গাছ নিয়ে গেছে। আরো দুইটি কাটছে। সরকারি গাছ কাটা দেখে আমরা নিষেধ করলে মাসুদ হোসেন হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই অভিযোগ করে স্থানীয় মো: সানি নামে অপর এক যুবক বলেন, গত দুই তিন ধরে মাসুদ হোসেন রাস্তার গাছগুলো কেটে নিচ্ছে। আমরা স্থানীয়রা বাধা দিলে তিনি তা উপেক্ষা করে নিজের মতো করে গাছ কাটা চলমান রেখেছে। আমরা উপজেলা বন অফিসে জানালেও অজ্ঞাত কারনে তারা আসছেনা। সরকারি গাছ কাটার ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো: মাসুদ মিয়া বলেন, আমি ওইখানে জায়গা কিনেছি। গাছগুলো আমার জমির রাস্তার পাশে। স্থানীয় জলিল নামে এক লোক গাছগুলো রোপন করেছিল। তাকে কিছু টাকা দিয়েছি। তিনি দাবি করেন ওই গাছ সরকারি নয়।

 

 

নেছারাবাদ উপজেলা বন কর্মকর্তা মো: সালাউদ্দীনকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি বলেন, সরকারি ছুটি থাকায় ব্যক্তিগত কারণে আমি একটু বাহিরে আছি। অফিসের অফিস সহকারি মো: সেলিমকে পাঠাচ্ছি। তিনি গিয়ে বিষয়টি দেখুক। পরে অফিস সহকারী মো. সেলিমকে ফোন দিলে তিনি বলেন, স্যার (মোঃ সালাউদ্দিন) না আসলে আমি যেতে পারবোনা।