ঢাকা , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় জোর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে IOM-এর নবনিযুক্ত মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: বরিশালে তথ্যমন্ত্রী টেকনাফের হোয়াইক্যং প্রাইভেটকারের বাম্পারে ১ লাখ ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ১ পিরোজপুরে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত একরাম হত্যা মামলা: র‍্যাবের সাবেক অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার মিফতাহ সেনা হেফাজতে গঠনমূলক সমালোচনা ও ইতিবাচক কাজ তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের পর মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি

  • সংবাদ360 ডেস্কঃ
  • আপডেট : ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ১৪১ ভিউ
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু | সংগৃহীত ছবি

 

বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের পদত্যাগের তিন দিন পর ভারতের মণিপুরে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছে। উত্তরসূরি নিয়ে ঐকমত্য না হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি শাসনের কথা জানিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

গত ৯ ফেব্রুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন এন বীরেন সিং। তার ইস্তফার পরে নতুন কোনও মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করতে পারেনি বিজেপি। এই অচলাবস্থার মাঝে বৃহস্পতিবার মণিপুরে রাষ্ট্রপতির শাসন জারি করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির কথা জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বয়ানে লেখা রয়েছে, আমি মণিপুরের রাজ্যপালের থেকে রিপোর্ট পেয়েছি। ওই রিপোর্ট দেখে এবং অন্য তথ্যগুলোর ভিত্তিতে আমার মনে হয়েছে, সংবিধান অনুসারে সেখানে সরকার চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

 

ইন্ডিয়া টাইমস জানিয়েছে, রাজ্য সরকার অনাস্থা প্রস্তাব এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্লোর টেস্টের মুখোমুখি হওয়ার ঠিক একদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।

 

প্রসঙ্গত, গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে উত্তপ্ত মণিপুর। ২০২৩ সালের মে মাসে প্রথম মেইতেই এবং কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সে রাজ্যের পরিস্থিতি। মাঝে কিছু দিন বিরতির পর গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বহু বাড়িঘর। দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে মণিপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি রাজ্যের বেশ কয়েকজন বিধায়কের বাড়িতেও হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা।

 

সম্প্রতি ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপে শোনা যায়, কুকিদের সঙ্গে সহিংসতার সময় মেইতেই গোষ্ঠীগুলোকে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল বীরেন সিংয়ের ইশারায়।

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে অতীতে বার বারই প্রশ্ন উঠেছে। মণিপুরে উদ্ভূত অশান্তির কারণে গত বছরের শেষ দিনে মণিপুরবাসীর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমাও চেয়েছিলেন বীরেন।

জনপ্রিয়

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত

মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের পর মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি

আপডেট : ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু | সংগৃহীত ছবি

 

বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের পদত্যাগের তিন দিন পর ভারতের মণিপুরে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছে। উত্তরসূরি নিয়ে ঐকমত্য না হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি শাসনের কথা জানিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

গত ৯ ফেব্রুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন এন বীরেন সিং। তার ইস্তফার পরে নতুন কোনও মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করতে পারেনি বিজেপি। এই অচলাবস্থার মাঝে বৃহস্পতিবার মণিপুরে রাষ্ট্রপতির শাসন জারি করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির কথা জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বয়ানে লেখা রয়েছে, আমি মণিপুরের রাজ্যপালের থেকে রিপোর্ট পেয়েছি। ওই রিপোর্ট দেখে এবং অন্য তথ্যগুলোর ভিত্তিতে আমার মনে হয়েছে, সংবিধান অনুসারে সেখানে সরকার চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

 

ইন্ডিয়া টাইমস জানিয়েছে, রাজ্য সরকার অনাস্থা প্রস্তাব এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্লোর টেস্টের মুখোমুখি হওয়ার ঠিক একদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।

 

প্রসঙ্গত, গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে উত্তপ্ত মণিপুর। ২০২৩ সালের মে মাসে প্রথম মেইতেই এবং কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সে রাজ্যের পরিস্থিতি। মাঝে কিছু দিন বিরতির পর গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বহু বাড়িঘর। দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে মণিপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি রাজ্যের বেশ কয়েকজন বিধায়কের বাড়িতেও হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা।

 

সম্প্রতি ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপে শোনা যায়, কুকিদের সঙ্গে সহিংসতার সময় মেইতেই গোষ্ঠীগুলোকে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল বীরেন সিংয়ের ইশারায়।

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে অতীতে বার বারই প্রশ্ন উঠেছে। মণিপুরে উদ্ভূত অশান্তির কারণে গত বছরের শেষ দিনে মণিপুরবাসীর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমাও চেয়েছিলেন বীরেন।