সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না | ফাইল ছবি
বেসরকারি সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারপার্সন এবং সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জহিরুল ইসলাম খান পান্নার (জেড আই খান পান্না) বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার পর সোমবার (২১ অক্টোবর) তিনি ঐ মামলায় আগাম জামিন পেয়েছেন। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, আইনজীবী আলী আহমেদ খোকন, আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন প্রমূখ।
মামলাটি প্রভাবশালী কেউ করিয়েছিলো। সরকারের ভেতর থেকেও হতে পারে, আবার বাইরে থেকেও হতে পারে। দুর্নীতিবাজ অনেকের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, তাদের কেউও হতে পারে। কিন্তু এসব করে আমার মুখ বন্ধ করা যাবে না, আগাম জামিন পাওয়ার পর এসব কথা বলেন তিনি।
উচ্চ আদালতে জেড আই খান পান্নার আগাম জামিন পাওয়ার কিছুক্ষণ পরই খবর আসে যে, ওই মামলার বাদী মো. বাকের মামলার এজাহার থেকে তার নাম বাদ দিতে আবেদন করেছেন। আবেদনে বলা হয়েছে তাকে অজ্ঞতা ও ভুলবশত আসামি করা হয়েছে।
বাদী মো. বাকের পরে গত কয়েকদিনে একাধিক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে বলেছেন, মামলায় কাদের আসামি করা হয়েছে সেটি তার জানা নেই এবং তিনি জেড আই খান পান্নাকে চেনেন না।
লেখক ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলছেন, ঘটনাটি খুবই অপ্রত্যাশিত এবং যেভাবেই হোক এটি একটি ভুল বার্তা দিয়েছে জনমনে।
তবে সরকার প্রধান বা সরকারের সমালোচনার কারণেই তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছিলো কি না এমন প্রশ্নের জবাবে জেড আই খান পান্না বলেছেন, ‘সরকারের ভেতর কিংবা বাইরে- যে কোন জায়গা থেকেই এটি হতে পারে’।
প্রসঙ্গত, খিলগাঁও থানায় ১৭ অক্টোবর দায়ের করা ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই আহাদুল ইসলামকে গুলি ও মারধর করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ360 প্রতিবেদক 



















