ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
মিয়ানমারে পাচারের পথে ১৭ লাখ টাকার সার ও কৃষিপণ্য জব্দ, আটক ৬ টেকনাফে র‌্যাব-১৫-এর অভিযানে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার বানারীপাড়ায় দুই জুলাই শহীদ পরিবারের ঘরে তারেক রহমানের উপহার মোরেলগঞ্জে পাটের বস্তার পরিবর্তে প্লাস্টিক ব্যবহার: ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা বিশ্ব বাঘ দিবস আজ হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিস আলমসহ কয়েকজন আহত স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় জোর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে IOM-এর নবনিযুক্ত মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা | সংগৃহীত ছবি

 

জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গণহত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া পৃথক অভিযোগে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক মন্ত্রী-ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, আনিসুল হক, দীপু মনি, আ ক ম মোজাম্মেল হকসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধেও একই আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

 

মামলার পরবর্তী তারিখ ১৮ নভেম্বর ধার্য করে এই সময়ে আসামিদের আদালতে হাজির করতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) প্রসিকিউশনের করা পৃথক আবেদন গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। অন্য সদস্যরা হলেন-বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মহিতুল হক এনাম চৌধুরী। প্রসিকিউশন জানায়, গোপনীয়তার কারণে আসামিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।

 

৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অর্ধশতাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। সেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ১৪ দলীয় জোটের শরিক দলের নেতা, পুলিশের তৎকালীন আইজিসহ বেশ কয়েকজন সদস্য, র‌্যাবের তৎকালীন ডিজি, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতাদের আসামি করা হয়।

 

এছাড়া সারা দেশে প্রায় ২ শতাধিক হত্যা মামলা দায়ের হয় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে। জুলাই-আগস্টের গণহত্যার পর এই প্রথম কোনো আদালত থেকে শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলো। এখন তদন্ত রিপোর্ট দাখিলের পর ফরমাল চার্জ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করবে প্রসিকিউশন।

 

আদেশের পর চিফ প্রসিকউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আদালতে বলেছি, আসামির বিরুদ্ধে তদন্তে গণহত্যার প্রাথমিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। আসামি প্রভাবশালী। এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে আসামির লোকজন বিভিন্ন পজিশনে আছে। তাই আলামত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া মামলার তদন্ত কাজ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা প্রয়োজন। পরে শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দেন।

 

এর আগে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে নিহতদের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ঘটনার তারিখ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া এ সময়ে আহত হয়ে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন তারিখে নিহতরাও এর আওতায় থাকবে। ঘটনার স্থান হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে সমগ্র বাংলাদেশকে। অপরাধের ধরনে বলা হয়েছে, আসামির নির্দেশ ও পরিকল্পনায় অন্যান্য আসামি দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারী সাধারণ নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে তাদের সমূলে বা আংশিক নির্মূল করার উদ্দেশ্যে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে।

 

১৫ অক্টোবর নিয়োগের পর বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় কর্মদিবসে সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার। এছাড়া ট্রাইব্যুনালের দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মহিতুল হক এনাম চৌধুরী এদিন ট্রাইব্যুনালে আসেন। এ সময় ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার ও অন্য কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানান।

 

অভ্যুত্থানে ৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর প্রথমবারের মতো বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কাজ শুরু হয়। এদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কোর্টের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ে শোনান। এ সময় সংবিধানের বিভিন্ন সংশোধনী, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে গুম, খুন, তথ্যপ্রযুক্তি আইনে হওয়া মামলার পরিসংখ্যান, শাপলা চত্বরে হত্যা, আয়নাঘর, কানাডার বেগমপাড়াসহ অর্থ পাচারের পরিসংখ্যান এবং সর্বশেষ ছাত্র আন্দোলনে বলপ্রয়োগের তথ্য তুলে ধরেন।

 

চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম আদালতে বলেন, ১৪ দলের নেতারা বৈঠক করে গণহত্যায় সমর্থন ও উসকানি দিয়েছেন। গণহত্যার সময় কিছু ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের নেতিবাচক ভূমিকা ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা গণহত্যা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেননি।

 

সোমবার (১৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এরপর ১৫ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে যোগ দেন ৩ সদস্যের বিচারক প্যানেল। ১৬ অক্টোবর তাদের এজলাসে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। আর প্রথমবারের মতো বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বিচার কার্যক্রম শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল।

জনপ্রিয়

মিয়ানমারে পাচারের পথে ১৭ লাখ টাকার সার ও কৃষিপণ্য জব্দ, আটক ৬

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেট : ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৪
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা | সংগৃহীত ছবি

 

জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গণহত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া পৃথক অভিযোগে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক মন্ত্রী-ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, আনিসুল হক, দীপু মনি, আ ক ম মোজাম্মেল হকসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধেও একই আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

 

মামলার পরবর্তী তারিখ ১৮ নভেম্বর ধার্য করে এই সময়ে আসামিদের আদালতে হাজির করতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) প্রসিকিউশনের করা পৃথক আবেদন গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। অন্য সদস্যরা হলেন-বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মহিতুল হক এনাম চৌধুরী। প্রসিকিউশন জানায়, গোপনীয়তার কারণে আসামিদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।

 

৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অর্ধশতাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। সেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ১৪ দলীয় জোটের শরিক দলের নেতা, পুলিশের তৎকালীন আইজিসহ বেশ কয়েকজন সদস্য, র‌্যাবের তৎকালীন ডিজি, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতাদের আসামি করা হয়।

 

এছাড়া সারা দেশে প্রায় ২ শতাধিক হত্যা মামলা দায়ের হয় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে। জুলাই-আগস্টের গণহত্যার পর এই প্রথম কোনো আদালত থেকে শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলো। এখন তদন্ত রিপোর্ট দাখিলের পর ফরমাল চার্জ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করবে প্রসিকিউশন।

 

আদেশের পর চিফ প্রসিকউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আদালতে বলেছি, আসামির বিরুদ্ধে তদন্তে গণহত্যার প্রাথমিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। আসামি প্রভাবশালী। এখনো দেশের বিভিন্ন স্থানে আসামির লোকজন বিভিন্ন পজিশনে আছে। তাই আলামত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া মামলার তদন্ত কাজ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা প্রয়োজন। পরে শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দেন।

 

এর আগে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে নিহতদের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ঘটনার তারিখ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া এ সময়ে আহত হয়ে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন তারিখে নিহতরাও এর আওতায় থাকবে। ঘটনার স্থান হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে সমগ্র বাংলাদেশকে। অপরাধের ধরনে বলা হয়েছে, আসামির নির্দেশ ও পরিকল্পনায় অন্যান্য আসামি দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারী সাধারণ নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে তাদের সমূলে বা আংশিক নির্মূল করার উদ্দেশ্যে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে।

 

১৫ অক্টোবর নিয়োগের পর বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় কর্মদিবসে সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার। এছাড়া ট্রাইব্যুনালের দুই সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মহিতুল হক এনাম চৌধুরী এদিন ট্রাইব্যুনালে আসেন। এ সময় ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার ও অন্য কর্মকর্তারা তাদের অভ্যর্থনা জানান।

 

অভ্যুত্থানে ৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর প্রথমবারের মতো বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কাজ শুরু হয়। এদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কোর্টের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ে শোনান। এ সময় সংবিধানের বিভিন্ন সংশোধনী, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে গুম, খুন, তথ্যপ্রযুক্তি আইনে হওয়া মামলার পরিসংখ্যান, শাপলা চত্বরে হত্যা, আয়নাঘর, কানাডার বেগমপাড়াসহ অর্থ পাচারের পরিসংখ্যান এবং সর্বশেষ ছাত্র আন্দোলনে বলপ্রয়োগের তথ্য তুলে ধরেন।

 

চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম আদালতে বলেন, ১৪ দলের নেতারা বৈঠক করে গণহত্যায় সমর্থন ও উসকানি দিয়েছেন। গণহত্যার সময় কিছু ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের নেতিবাচক ভূমিকা ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা গণহত্যা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেননি।

 

সোমবার (১৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এরপর ১৫ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে যোগ দেন ৩ সদস্যের বিচারক প্যানেল। ১৬ অক্টোবর তাদের এজলাসে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। আর প্রথমবারের মতো বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বিচার কার্যক্রম শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল।