ঢাকা , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
মিয়ানমারে পাচারের পথে ১৭ লাখ টাকার সার ও কৃষিপণ্য জব্দ, আটক ৬ টেকনাফে র‌্যাব-১৫-এর অভিযানে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার বানারীপাড়ায় দুই জুলাই শহীদ পরিবারের ঘরে তারেক রহমানের উপহার মোরেলগঞ্জে পাটের বস্তার পরিবর্তে প্লাস্টিক ব্যবহার: ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা বিশ্ব বাঘ দিবস আজ হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিস আলমসহ কয়েকজন আহত স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় জোর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে IOM-এর নবনিযুক্ত মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ

আশুলিয়ায় শ্রমিক-যৌথবাহিনীর সংঘর্ষে নিহত ১, গুলিবিদ্ধ ৪

সড়কে আন্দোলনরত বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা | সংগৃহীত ছবি

 

শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভের সময় শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের মাঝে সংঘর্ষে ১ শ্রমিক নিহত এবং ৪ শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া আরও অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্তত ৫টি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়

 

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের জিরাবো এলাকার মন্ডল গ্রুপের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত ওই শ্রমিকের নাম কাউসার হোসেন খান, তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায়। তিনি ম্যাঙ্গোটেক্স কারখানার অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার ইউসুফ আলী।

 

এ ব্যাপারে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার ইউসুফ আলী জানান, আমাদের হাসপাতালে তিনজন গুলিবিদ্ধ শ্রমিককে আনা হলে তাদের মধ্যে ১ জন মারা যান বাকি ২ জনের চিকিৎসা চলছে।

 

বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা জানান, আজ সকালে মন্ডল গ্রুপের শ্রমিকদের সঙ্গে মালিকপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আলোচনা সভা হয়। আলোচনায় সমঝোতা না হওয়ায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা কারখানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকলে আশপাশের অন্যান্য কারখানার শ্রমিকরাও তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া-পালটাধাওয়ার সময় শ্রমিকরা র‌্যাব ও পুলিশের কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়।

 

পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা লাঠিচার্জ করেন এবং একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ গুলি চালায়। এ সময় ৪ জন গুলিবিদ্ধ হলে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় পিএমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লাঠিচার্জে অন্তত ৩০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন।

 

এ ব্যাপারে শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

মিয়ানমারে পাচারের পথে ১৭ লাখ টাকার সার ও কৃষিপণ্য জব্দ, আটক ৬

আশুলিয়ায় শ্রমিক-যৌথবাহিনীর সংঘর্ষে নিহত ১, গুলিবিদ্ধ ৪

আপডেট : ০৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
সড়কে আন্দোলনরত বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা | সংগৃহীত ছবি

 

শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভের সময় শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের মাঝে সংঘর্ষে ১ শ্রমিক নিহত এবং ৪ শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া আরও অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্তত ৫টি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়

 

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের জিরাবো এলাকার মন্ডল গ্রুপের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত ওই শ্রমিকের নাম কাউসার হোসেন খান, তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায়। তিনি ম্যাঙ্গোটেক্স কারখানার অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার ইউসুফ আলী।

 

এ ব্যাপারে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার ইউসুফ আলী জানান, আমাদের হাসপাতালে তিনজন গুলিবিদ্ধ শ্রমিককে আনা হলে তাদের মধ্যে ১ জন মারা যান বাকি ২ জনের চিকিৎসা চলছে।

 

বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা জানান, আজ সকালে মন্ডল গ্রুপের শ্রমিকদের সঙ্গে মালিকপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আলোচনা সভা হয়। আলোচনায় সমঝোতা না হওয়ায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা কারখানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকলে আশপাশের অন্যান্য কারখানার শ্রমিকরাও তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া-পালটাধাওয়ার সময় শ্রমিকরা র‌্যাব ও পুলিশের কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়।

 

পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা লাঠিচার্জ করেন এবং একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ গুলি চালায়। এ সময় ৪ জন গুলিবিদ্ধ হলে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় পিএমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লাঠিচার্জে অন্তত ৩০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন।

 

এ ব্যাপারে শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।