ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি সীমান্তের ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে: পথসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হামের টিকা সংকটে ইউনূস সরকারের ভূমিকা তদন্তে তিন সদস্যের কমিশন তারেক রহমানের মোংলা সফর: জেটি নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর পিরোজপুরে চেরাগ গ্রন্থাগারের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ শহীদ জিয়ার শিক্ষাদর্শন ও মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরীর টেকনাফে এসআরবি-১৫-এর অভিযানে ১১ লাখ ইয়াবা ও ৫টি দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২ মোরেলগঞ্জে কৃষক দল নেতা জয়নাল আবেদিনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিন্নমত দমনের অভিযোগ, বাংলাদেশের প্রতি এইচআরডব্লিউর সতর্কবার্তা সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক

নেছারাবাদে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে নিচ্ছে প্রভাবশালীরা

 

পিরোজপুরের নেছারাবাদে সামাজিক বনায়নের রোপিত রাস্তার পাশের দশ লক্ষাধিক টাকার গাছ কেটে নিচ্ছে মো: মাসুদ নামে এক প্রভাবশালী এক ব্যক্তি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

শুক্রবার (২১ মার্চ) বিকেলে দেখা যায় মাদ্রা আরামকাঠি সড়কের পাশের চর এলাকা থেকে গত দু’দিন ধরে গাছগুলো কাটা হচ্ছে। সরকারি গাছ কাটতে দেখে স্থানীয়রা বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করে গাছগুলো কেটে নিচ্ছে মোঃ মাসুদ হোসেন নামের এক ব্যক্তি।

 

 

স্থানীয়দের অভিযোগ উপজেলা বন বিভাগ অফিসে একাধিকবার জানালেও তারা কোন কর্নপাত করছেনা। স্থানীয় বাসিন্দা মো: মিজান সিকদার অভিযোগ করেন, আরামকাঠি ৮নং ওয়ার্ডের আরামকাঠি মাদ্রা সড়কের সড়কের পাশে অনেক রেইনট্রি,বেলশিশু গাছ রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ আমল থেকে স্থানীয় মাসুদ হোসেন সব বেলশিশু গাছ সহ বেশ কয়েকটি রেইনট্রি গাছ কেটে নিয়েছে। তখন স্থানীয় বন বিভাগ অফিসে জানালেও তারা কোন কর্নপাত করেনি। নতুন করে সেই মাসুদ হোসেন পুনরায় রাস্তার পাশের পাঁচটি রেইনট্রি গাছ কাটছে ৷ যার মধ্যে তিনটি গাছ নিয়ে গেছে। আরো দুইটি কাটছে। সরকারি গাছ কাটা দেখে আমরা নিষেধ করলে মাসুদ হোসেন হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই অভিযোগ করে স্থানীয় মো: সানি নামে অপর এক যুবক বলেন, গত দুই তিন ধরে মাসুদ হোসেন রাস্তার গাছগুলো কেটে নিচ্ছে। আমরা স্থানীয়রা বাধা দিলে তিনি তা উপেক্ষা করে নিজের মতো করে গাছ কাটা চলমান রেখেছে। আমরা উপজেলা বন অফিসে জানালেও অজ্ঞাত কারনে তারা আসছেনা। সরকারি গাছ কাটার ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো: মাসুদ মিয়া বলেন, আমি ওইখানে জায়গা কিনেছি। গাছগুলো আমার জমির রাস্তার পাশে। স্থানীয় জলিল নামে এক লোক গাছগুলো রোপন করেছিল। তাকে কিছু টাকা দিয়েছি। তিনি দাবি করেন ওই গাছ সরকারি নয়।

 

 

নেছারাবাদ উপজেলা বন কর্মকর্তা মো: সালাউদ্দীনকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি বলেন, সরকারি ছুটি থাকায় ব্যক্তিগত কারণে আমি একটু বাহিরে আছি। অফিসের অফিস সহকারি মো: সেলিমকে পাঠাচ্ছি। তিনি গিয়ে বিষয়টি দেখুক। পরে অফিস সহকারী মো. সেলিমকে ফোন দিলে তিনি বলেন, স্যার (মোঃ সালাউদ্দিন) না আসলে আমি যেতে পারবোনা।

জনপ্রিয়

এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে: রাষ্ট্রপতি

নেছারাবাদে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে নিচ্ছে প্রভাবশালীরা

আপডেট : ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫

 

পিরোজপুরের নেছারাবাদে সামাজিক বনায়নের রোপিত রাস্তার পাশের দশ লক্ষাধিক টাকার গাছ কেটে নিচ্ছে মো: মাসুদ নামে এক প্রভাবশালী এক ব্যক্তি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

শুক্রবার (২১ মার্চ) বিকেলে দেখা যায় মাদ্রা আরামকাঠি সড়কের পাশের চর এলাকা থেকে গত দু’দিন ধরে গাছগুলো কাটা হচ্ছে। সরকারি গাছ কাটতে দেখে স্থানীয়রা বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করে গাছগুলো কেটে নিচ্ছে মোঃ মাসুদ হোসেন নামের এক ব্যক্তি।

 

 

স্থানীয়দের অভিযোগ উপজেলা বন বিভাগ অফিসে একাধিকবার জানালেও তারা কোন কর্নপাত করছেনা। স্থানীয় বাসিন্দা মো: মিজান সিকদার অভিযোগ করেন, আরামকাঠি ৮নং ওয়ার্ডের আরামকাঠি মাদ্রা সড়কের সড়কের পাশে অনেক রেইনট্রি,বেলশিশু গাছ রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ আমল থেকে স্থানীয় মাসুদ হোসেন সব বেলশিশু গাছ সহ বেশ কয়েকটি রেইনট্রি গাছ কেটে নিয়েছে। তখন স্থানীয় বন বিভাগ অফিসে জানালেও তারা কোন কর্নপাত করেনি। নতুন করে সেই মাসুদ হোসেন পুনরায় রাস্তার পাশের পাঁচটি রেইনট্রি গাছ কাটছে ৷ যার মধ্যে তিনটি গাছ নিয়ে গেছে। আরো দুইটি কাটছে। সরকারি গাছ কাটা দেখে আমরা নিষেধ করলে মাসুদ হোসেন হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই অভিযোগ করে স্থানীয় মো: সানি নামে অপর এক যুবক বলেন, গত দুই তিন ধরে মাসুদ হোসেন রাস্তার গাছগুলো কেটে নিচ্ছে। আমরা স্থানীয়রা বাধা দিলে তিনি তা উপেক্ষা করে নিজের মতো করে গাছ কাটা চলমান রেখেছে। আমরা উপজেলা বন অফিসে জানালেও অজ্ঞাত কারনে তারা আসছেনা। সরকারি গাছ কাটার ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো: মাসুদ মিয়া বলেন, আমি ওইখানে জায়গা কিনেছি। গাছগুলো আমার জমির রাস্তার পাশে। স্থানীয় জলিল নামে এক লোক গাছগুলো রোপন করেছিল। তাকে কিছু টাকা দিয়েছি। তিনি দাবি করেন ওই গাছ সরকারি নয়।

 

 

নেছারাবাদ উপজেলা বন কর্মকর্তা মো: সালাউদ্দীনকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি বলেন, সরকারি ছুটি থাকায় ব্যক্তিগত কারণে আমি একটু বাহিরে আছি। অফিসের অফিস সহকারি মো: সেলিমকে পাঠাচ্ছি। তিনি গিয়ে বিষয়টি দেখুক। পরে অফিস সহকারী মো. সেলিমকে ফোন দিলে তিনি বলেন, স্যার (মোঃ সালাউদ্দিন) না আসলে আমি যেতে পারবোনা।