ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী শীতের আমেজে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পিপাসু পর্যটকদের ডাকছে কুইন আইল্যান্ড ভোলা মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ রাজধানীতে এক রাতে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন বাগেরহাটে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ প্রবাসীর মৃত্যু ​ বাগেরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত ​ পিরোজপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ
২০ হাজার ইয়াবাসহ দুই ভাই আটক, কাদামাটির ২.৫ ফুট গভীর থেকে উদ্ধার

টেকনাফে নাফ নদীতে বিজিবির চিরুনি অভিযান

 

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি হস্তচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়।

 

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টেকনাফ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার চৌধুরীপাড়া কেকে খালসংলগ্ন নাফ নদীতে এ অভিযান চালায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)।

 

আটকরা হলেন—উত্তর চৌধুরীপাড়ার জাফর আহমদের ছেলে মো. আয়াছ (৩০) ও মো. রফিক (২৫)।

 

বিজিবি জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে নাফ নদী অতিক্রম করে ইয়াবার একটি চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। পরে জেলের ছদ্মবেশে থাকা ব্যক্তিদের কাছে চালানটি হস্তান্তরের পরিকল্পনা ছিল। এ তথ্যের ভিত্তিতে দুপুর ১টা থেকে ওই এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয় বিজিবির একটি আভিযানিক দল।

 

দুপুর সাড়ে ২টার দিকে মাছ ধরার নৌকাগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের সময় একটি হস্তচালিত কাঠের নৌকায় থাকা সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের বক্তব্যে অসংগতি পাওয়া যায়। পরে প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য ও প্রযুক্তিগত নিরীক্ষণের মাধ্যমে ইয়াবার চালান গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে জানায় বিজিবি।

 

আটকদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পার্শ্ববর্তী কেওড়া বাগানে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চিরুনি অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে কেওড়া বাগানের কাদামাটির প্রায় আড়াই ফুট গভীরে লুকিয়ে রাখা ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, মাদক পাচারকারীরা জেলের ছদ্মবেশ ধারণ কিংবা মাদক লুকাতে যতই অভিনব কৌশল অবলম্বন করুক, বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে তাদের অপচেষ্টা প্রতিহত করা হবে। টেকনাফে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

 

আটক দুই আসামি ও উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী

২০ হাজার ইয়াবাসহ দুই ভাই আটক, কাদামাটির ২.৫ ফুট গভীর থেকে উদ্ধার

টেকনাফে নাফ নদীতে বিজিবির চিরুনি অভিযান

আপডেট : ০৬:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি হস্তচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়।

 

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টেকনাফ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার চৌধুরীপাড়া কেকে খালসংলগ্ন নাফ নদীতে এ অভিযান চালায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)।

 

আটকরা হলেন—উত্তর চৌধুরীপাড়ার জাফর আহমদের ছেলে মো. আয়াছ (৩০) ও মো. রফিক (২৫)।

 

বিজিবি জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে নাফ নদী অতিক্রম করে ইয়াবার একটি চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। পরে জেলের ছদ্মবেশে থাকা ব্যক্তিদের কাছে চালানটি হস্তান্তরের পরিকল্পনা ছিল। এ তথ্যের ভিত্তিতে দুপুর ১টা থেকে ওই এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয় বিজিবির একটি আভিযানিক দল।

 

দুপুর সাড়ে ২টার দিকে মাছ ধরার নৌকাগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের সময় একটি হস্তচালিত কাঠের নৌকায় থাকা সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের বক্তব্যে অসংগতি পাওয়া যায়। পরে প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য ও প্রযুক্তিগত নিরীক্ষণের মাধ্যমে ইয়াবার চালান গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে জানায় বিজিবি।

 

আটকদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পার্শ্ববর্তী কেওড়া বাগানে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চিরুনি অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে কেওড়া বাগানের কাদামাটির প্রায় আড়াই ফুট গভীরে লুকিয়ে রাখা ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, মাদক পাচারকারীরা জেলের ছদ্মবেশ ধারণ কিংবা মাদক লুকাতে যতই অভিনব কৌশল অবলম্বন করুক, বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে তাদের অপচেষ্টা প্রতিহত করা হবে। টেকনাফে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

 

আটক দুই আসামি ও উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।