ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
গাড়ির ধোঁয়া ও নির্মাণের ধুলায় বিষাক্ত হচ্ছে ঢাকার বাতাস প্রদীপের আলোয় দূর হবে অন্ধকার, মা কালীর আরাধনায় জাগবে শুভশক্তি টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী শীতের আমেজে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পিপাসু পর্যটকদের ডাকছে কুইন আইল্যান্ড ভোলা মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ রাজধানীতে এক রাতে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন বাগেরহাটে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ প্রবাসীর মৃত্যু ​

আদালতের আদেশ ভুল বুঝে এজলাসেই নারীর বিষপান: ভোলায় চাঞ্চল্য

 

ভোলা জেলার একটি আদালতে বিচারকের আদেশ ভুল বুঝে এজলাসের ভেতরেই দাঁড়িয়ে তারাভানু (৩৫) নামে এক নারী বিষপান করেছেন।

 

বুধবার (২৪ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ভোলার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৌরভ রায় মিঠুর আদালতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটে। বিষপানের পরপরই অসুস্থ অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী তারাভানু বোরহানউদ্দিন উপজেলার ছোট মানিকা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তার স্বামী বাহার উদ্দিনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি সিআর মামলা দায়ের করেছিলেন। বুধবার ওই মামলার চার্জ গঠনের দিন ধার্য ছিল। উপস্থিত আইনজীবী ও আদালত সূত্র জানায়, শুনানি শেষে বিচারক মামলার এক নম্বর আসামি বাদীর স্বামী বাহার উদ্দিনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে অপর দুই আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। কিন্তু বাদী তারাভানু বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুল বোঝেন। তিনি ধারণা করেন, বিচারক তার স্বামীকেও মামলা থেকে বেকসুর খালাস বা অব্যাহতি দিয়েছেন। এই ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে ক্ষোভ ও হতাশায় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে নিজের ব্যাগ থেকে তরল বিষাক্ত কিছু একটা বের করে এজলাসের ভেতরেই সবার সামনে পান করে ফেলেন।

 

এ বিষয়ে ভোলা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক সেখ মো. নাসির উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ওই নারী নিজেই একটি যৌতুক মামলার বাদী ছিলেন। এজলাসে কিছু পান করে অসুস্থ হয়ে পড়লে পুলিশ ও অন্যান্যদের সহায়তায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে ওই নারী ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরাফাতুর রহমান জানান, হাসপাতালে আনার পর থেকে ওই নারীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে, তবে সতর্কতার অংশ হিসেবে তাকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

জনপ্রিয়

গাড়ির ধোঁয়া ও নির্মাণের ধুলায় বিষাক্ত হচ্ছে ঢাকার বাতাস

আদালতের আদেশ ভুল বুঝে এজলাসেই নারীর বিষপান: ভোলায় চাঞ্চল্য

আপডেট : ০৫:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

 

ভোলা জেলার একটি আদালতে বিচারকের আদেশ ভুল বুঝে এজলাসের ভেতরেই দাঁড়িয়ে তারাভানু (৩৫) নামে এক নারী বিষপান করেছেন।

 

বুধবার (২৪ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ভোলার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৌরভ রায় মিঠুর আদালতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটে। বিষপানের পরপরই অসুস্থ অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী তারাভানু বোরহানউদ্দিন উপজেলার ছোট মানিকা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তার স্বামী বাহার উদ্দিনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি সিআর মামলা দায়ের করেছিলেন। বুধবার ওই মামলার চার্জ গঠনের দিন ধার্য ছিল। উপস্থিত আইনজীবী ও আদালত সূত্র জানায়, শুনানি শেষে বিচারক মামলার এক নম্বর আসামি বাদীর স্বামী বাহার উদ্দিনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে অপর দুই আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। কিন্তু বাদী তারাভানু বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুল বোঝেন। তিনি ধারণা করেন, বিচারক তার স্বামীকেও মামলা থেকে বেকসুর খালাস বা অব্যাহতি দিয়েছেন। এই ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে ক্ষোভ ও হতাশায় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে নিজের ব্যাগ থেকে তরল বিষাক্ত কিছু একটা বের করে এজলাসের ভেতরেই সবার সামনে পান করে ফেলেন।

 

এ বিষয়ে ভোলা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক সেখ মো. নাসির উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ওই নারী নিজেই একটি যৌতুক মামলার বাদী ছিলেন। এজলাসে কিছু পান করে অসুস্থ হয়ে পড়লে পুলিশ ও অন্যান্যদের সহায়তায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে ওই নারী ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরাফাতুর রহমান জানান, হাসপাতালে আনার পর থেকে ওই নারীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে, তবে সতর্কতার অংশ হিসেবে তাকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।