ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ রাজধানীতে এক রাতে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন বাগেরহাটে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ প্রবাসীর মৃত্যু ​ বাগেরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত ​ পিরোজপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তিন মাসের প্রশিক্ষণে দক্ষতা অর্জন, এবার আয়ের সুযোগ ১০০ নারীর মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

বানারীপাড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তালা ভেঙে দোকান দখল

 

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজারে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তালা ভেঙে একটি দোকান দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ছালাম সুফি (৫০)-এর বিরুদ্ধে।

 

জানা গেছে, মৃত হক সুফি (মুন্সি)র মালিকানাধীন ওই দোকানঘরটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে ২০২৫ সালের ১৬ নভেম্বর বরিশাল বানারীপাড়া সহকারী জজ আদালতে আঃ ছালাম সুফি বাদী হয়ে আঃ হাকিম সুফি গং-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

 

অন্যদিকে, ২০২৬ সালের ৮ আগস্ট মোঃ মিজান (৩২) বাদী হয়ে বরিশাল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আঃ ছালাম সুফি গং-এর বিরুদ্ধে জালিয়াতি, অবৈধ দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে আরেকটি মামলা করেন।

 

বিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে জনতা বাজার কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দোকানঘরটি তালাবদ্ধ করে চাবি উপজেলা ভূমি অফিসে জমা রাখা হয়। পরবর্তীতে ছালাম সুফির দায়ের করা মামলায় বরিশাল সিভিল জজ আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ১ ও ২ নং বিধি এবং ১৫১ ধারার আলোকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান না করে উভয় পক্ষকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি নোটিশ প্রদানের ৩০ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, আদালতের ওই নির্দেশনা অমান্য করে রবিবার (৫ এপ্রিল) ছালাম সুফি নিজেই দোকানঘরের তালা ভেঙে দখল নেন।

 

বিষয়টি বাজার কমিটির নজরে এলে তারা বানারীপাড়া থানা ও উপজেলা ভূমি অফিসকে অবহিত করেন।

 

প্রসঙ্গত, হক সুফি (মুন্সি)র মৃত্যুর পর তার জ্যেষ্ঠ পুত্র হামেদ সুফি দোকানটি পরিচালনা করতেন। অসুস্থতার কারণে তিনি স্থানীয় আত্মীয় ও প্রতিবেশী ছালাম সুফির কাছে দোকানটি ভাড়া দেন। পরবর্তীতে হামেদ সুফির মৃত্যুর পর তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের না জানিয়ে ২০১৪ সালের ২৫ নভেম্বর তারিখে তার স্ত্রী রাহেলা বেগমের কাছ থেকে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে কিছু টাকার বিনিময়ে দোকানটি লিখে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

 

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, আইনের মাধ্যমে প্রকৃত মালিক যেন দোকানটি ফিরে পান।

জনপ্রিয়

এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ

বানারীপাড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তালা ভেঙে দোকান দখল

আপডেট : ০৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

 

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজারে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তালা ভেঙে একটি দোকান দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ছালাম সুফি (৫০)-এর বিরুদ্ধে।

 

জানা গেছে, মৃত হক সুফি (মুন্সি)র মালিকানাধীন ওই দোকানঘরটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে ২০২৫ সালের ১৬ নভেম্বর বরিশাল বানারীপাড়া সহকারী জজ আদালতে আঃ ছালাম সুফি বাদী হয়ে আঃ হাকিম সুফি গং-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

 

অন্যদিকে, ২০২৬ সালের ৮ আগস্ট মোঃ মিজান (৩২) বাদী হয়ে বরিশাল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আঃ ছালাম সুফি গং-এর বিরুদ্ধে জালিয়াতি, অবৈধ দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে আরেকটি মামলা করেন।

 

বিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে জনতা বাজার কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দোকানঘরটি তালাবদ্ধ করে চাবি উপজেলা ভূমি অফিসে জমা রাখা হয়। পরবর্তীতে ছালাম সুফির দায়ের করা মামলায় বরিশাল সিভিল জজ আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ১ ও ২ নং বিধি এবং ১৫১ ধারার আলোকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান না করে উভয় পক্ষকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি নোটিশ প্রদানের ৩০ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, আদালতের ওই নির্দেশনা অমান্য করে রবিবার (৫ এপ্রিল) ছালাম সুফি নিজেই দোকানঘরের তালা ভেঙে দখল নেন।

 

বিষয়টি বাজার কমিটির নজরে এলে তারা বানারীপাড়া থানা ও উপজেলা ভূমি অফিসকে অবহিত করেন।

 

প্রসঙ্গত, হক সুফি (মুন্সি)র মৃত্যুর পর তার জ্যেষ্ঠ পুত্র হামেদ সুফি দোকানটি পরিচালনা করতেন। অসুস্থতার কারণে তিনি স্থানীয় আত্মীয় ও প্রতিবেশী ছালাম সুফির কাছে দোকানটি ভাড়া দেন। পরবর্তীতে হামেদ সুফির মৃত্যুর পর তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের না জানিয়ে ২০১৪ সালের ২৫ নভেম্বর তারিখে তার স্ত্রী রাহেলা বেগমের কাছ থেকে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে কিছু টাকার বিনিময়ে দোকানটি লিখে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

 

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, আইনের মাধ্যমে প্রকৃত মালিক যেন দোকানটি ফিরে পান।