ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ রাজধানীতে এক রাতে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন বাগেরহাটে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ প্রবাসীর মৃত্যু ​ বাগেরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত ​ পিরোজপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তিন মাসের প্রশিক্ষণে দক্ষতা অর্জন, এবার আয়ের সুযোগ ১০০ নারীর মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

টেকনাফ নাফ নদীতে বিজিবির অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার 

 

টেকনাফের নাফ নদী সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সফল মাদকবিরোধী অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) ভোরে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং সীমান্তবর্তী আছারবানিয়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মায়ানমারের মংডু এলাকা থেকে একটি বড় ইয়াবার চালান নাফ নদী দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করবে।

 

এই তথ্যের ভিত্তিতে ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, বিজিবিএম, পিএসসি’র পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে সাবরাং বিওপি সংলগ্ন ডাকাতের গোদা ও আছারবানিয়া এলাকায় ফাঁদ পাতা হয়। ভোর আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে থার্মাল ক্যামেরার মাধ্যমে নাফ নদীতে একটি নৌকাযোগে চারজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হতে দেখা যায়।

 

 

বিজিবির টহলদল নৌযান নিয়ে এগিয়ে গেলে পাচারকারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকা ফেলে দ্রুত মায়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরে নদীতে ভাসমান অবস্থায় চারটি পলিব্যাগ উদ্ধার করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে এসব পলিব্যাগের ভেতর বিশেষ কায়দায় মোড়ানো মোট ২ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

 

এ ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাত মাদক পাচারকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

 

এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, সীমান্তে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। মানব ও মাদক পাচারসহ সকল ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির এই কার্যকর ভূমিকা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

 

উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট আইনগত প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

জনপ্রিয়

এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ

টেকনাফ নাফ নদীতে বিজিবির অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার 

আপডেট : ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

 

টেকনাফের নাফ নদী সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সফল মাদকবিরোধী অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) ভোরে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং সীমান্তবর্তী আছারবানিয়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মায়ানমারের মংডু এলাকা থেকে একটি বড় ইয়াবার চালান নাফ নদী দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করবে।

 

এই তথ্যের ভিত্তিতে ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, বিজিবিএম, পিএসসি’র পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে সাবরাং বিওপি সংলগ্ন ডাকাতের গোদা ও আছারবানিয়া এলাকায় ফাঁদ পাতা হয়। ভোর আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে থার্মাল ক্যামেরার মাধ্যমে নাফ নদীতে একটি নৌকাযোগে চারজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হতে দেখা যায়।

 

 

বিজিবির টহলদল নৌযান নিয়ে এগিয়ে গেলে পাচারকারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকা ফেলে দ্রুত মায়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরে নদীতে ভাসমান অবস্থায় চারটি পলিব্যাগ উদ্ধার করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে এসব পলিব্যাগের ভেতর বিশেষ কায়দায় মোড়ানো মোট ২ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

 

এ ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাত মাদক পাচারকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

 

এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, সীমান্তে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। মানব ও মাদক পাচারসহ সকল ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির এই কার্যকর ভূমিকা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

 

উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট আইনগত প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।