ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর উপকূলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ চায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম বাগেরহাট মায়ানমারে পাচারকালে সেন্টমার্টিনে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯ আর কত রামিসাকে হারাতে হবে? রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জমকালো আয়োজনে গুরুর বাড়ি কিডস কমিউনিটির বৈশাখী কিডস ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জের চিংড়াখালী ইউনিয়নে মৎস্য ভিজিএফ (VGF) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে আ.লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন টানা ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে প্রস্তুত ২৫১ রেলকোচ

টেকনাফ নাফ নদীতে বিজিবির অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার 

 

টেকনাফের নাফ নদী সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সফল মাদকবিরোধী অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) ভোরে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং সীমান্তবর্তী আছারবানিয়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মায়ানমারের মংডু এলাকা থেকে একটি বড় ইয়াবার চালান নাফ নদী দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করবে।

 

এই তথ্যের ভিত্তিতে ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, বিজিবিএম, পিএসসি’র পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে সাবরাং বিওপি সংলগ্ন ডাকাতের গোদা ও আছারবানিয়া এলাকায় ফাঁদ পাতা হয়। ভোর আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে থার্মাল ক্যামেরার মাধ্যমে নাফ নদীতে একটি নৌকাযোগে চারজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হতে দেখা যায়।

 

 

বিজিবির টহলদল নৌযান নিয়ে এগিয়ে গেলে পাচারকারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকা ফেলে দ্রুত মায়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরে নদীতে ভাসমান অবস্থায় চারটি পলিব্যাগ উদ্ধার করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে এসব পলিব্যাগের ভেতর বিশেষ কায়দায় মোড়ানো মোট ২ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

 

এ ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাত মাদক পাচারকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

 

এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, সীমান্তে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। মানব ও মাদক পাচারসহ সকল ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির এই কার্যকর ভূমিকা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

 

উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট আইনগত প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

জনপ্রিয়

এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর

টেকনাফ নাফ নদীতে বিজিবির অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার 

আপডেট : ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

 

টেকনাফের নাফ নদী সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সফল মাদকবিরোধী অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) ভোরে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং সীমান্তবর্তী আছারবানিয়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মায়ানমারের মংডু এলাকা থেকে একটি বড় ইয়াবার চালান নাফ নদী দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করবে।

 

এই তথ্যের ভিত্তিতে ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, বিজিবিএম, পিএসসি’র পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে সাবরাং বিওপি সংলগ্ন ডাকাতের গোদা ও আছারবানিয়া এলাকায় ফাঁদ পাতা হয়। ভোর আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে থার্মাল ক্যামেরার মাধ্যমে নাফ নদীতে একটি নৌকাযোগে চারজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হতে দেখা যায়।

 

 

বিজিবির টহলদল নৌযান নিয়ে এগিয়ে গেলে পাচারকারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকা ফেলে দ্রুত মায়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরে নদীতে ভাসমান অবস্থায় চারটি পলিব্যাগ উদ্ধার করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে এসব পলিব্যাগের ভেতর বিশেষ কায়দায় মোড়ানো মোট ২ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

 

এ ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাত মাদক পাচারকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

 

এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, সীমান্তে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। মানব ও মাদক পাচারসহ সকল ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির এই কার্যকর ভূমিকা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

 

উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট আইনগত প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।