ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
আদানির ইউনিট বন্ধ ও অভ্যন্তরীণ সংকটে দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং, ছুটির দিনেও চরম ভোগান্তি গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ ট্যাংক দুর্ঘটনায় আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী মোরেলগঞ্জে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনিময় সভা পিরোজপুর সদরকে শিশুশ্রম ও ঝরে পড়া শিশুমুক্ত উপজেলা ঘোষণা পিরোজপুরে তার কাটার সময় যুবক আটক, বিভিন্ন মালামাল উদ্ধারের দাবি ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের ক্যানসারে মারা গেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা: শেষকৃত্যে যোগ দিতে ৫ ঘণ্টার প্যারোল পিরোজপুরে তামাক নিয়ন্ত্রণ নির্দেশিকা বাস্তবায়নে কর্মশালা মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা

উত্তাল নাফ নদীতে বিজিবির অভিযান, ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩

 

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিন মাদক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাও জব্দ করা হয়।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীন সাবরাং ও শাহপরীর দ্বীপ বিওপির যৌথ অভিযানে নাফ নদীর শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন জালিয়াপাড়া এলাকা থেকে ইয়াবার চালানটি উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—টেকনাফের কুলালপাড়ার মৃত কবির আহমেদের ছেলে মো. জামাল হোসেন (৩৮), সাবরাংয়ের নোয়াপাড়ার শাহ আলমের ছেলে মো. এমরান (২৫) এবং একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মো. ইসমাইল (২৪)।

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার জানা যায়, মিয়ানমার থেকে নাফ নদী অতিক্রম করে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। এ তথ্যের ভিত্তিতে ২ বিজিবির অধিনায়কের নির্দেশনায় সাবরাং সংলগ্ন নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিজিবির নৌ-টহল দল একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাকে দ্রুতগতিতে বাংলাদেশের দিকে আসতে দেখে। নৌকাটির গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় থামার সংকেত দেওয়া হয়। কিন্তু নৌকায় থাকা ব্যক্তিরা সংকেত অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবির টহল দল তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়ার একপর্যায়ে নৌকায় থাকা একটি প্লাস্টিকের বস্তা নাফ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে নৌকাসহ তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা বস্তাটিতে ইয়াবা থাকার কথা স্বীকার করে। এরপর সাবরাং ও শাহপরীর দ্বীপ বিওপির টহল দল নাফ নদীতে তল্লাশি চালিয়ে শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন জালিয়াপাড়া এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় বস্তাটি উদ্ধার করে।

 

​বস্তাটি তল্লাশি করে ১ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। পাশাপাশি মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাটি জব্দ করা হয়।

২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক চোরাচালান ও সীমান্ত এলাকার সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। মাদক পাচারকারীরা কৌশল পরিবর্তন করলেও গোয়েন্দা নজরদারি, নৌ-টহল ও সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে তাদের অপচেষ্টা প্রতিহত করা হবে।” ​তিনি আরও বলেন, “দেশ ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় টেকনাফ ব্যাটালিয়নের মাদকবিরোধী অভিযান সামনে আরও জোরদার করা হবে।”

আটককৃত ব্যক্তি ও উদ্ধারকৃত ইয়াবা নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

জনপ্রিয়

আদানির ইউনিট বন্ধ ও অভ্যন্তরীণ সংকটে দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং, ছুটির দিনেও চরম ভোগান্তি

উত্তাল নাফ নদীতে বিজিবির অভিযান, ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩

আপডেট : ০৭:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

 

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিন মাদক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাও জব্দ করা হয়।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীন সাবরাং ও শাহপরীর দ্বীপ বিওপির যৌথ অভিযানে নাফ নদীর শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন জালিয়াপাড়া এলাকা থেকে ইয়াবার চালানটি উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—টেকনাফের কুলালপাড়ার মৃত কবির আহমেদের ছেলে মো. জামাল হোসেন (৩৮), সাবরাংয়ের নোয়াপাড়ার শাহ আলমের ছেলে মো. এমরান (২৫) এবং একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মো. ইসমাইল (২৪)।

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার জানা যায়, মিয়ানমার থেকে নাফ নদী অতিক্রম করে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। এ তথ্যের ভিত্তিতে ২ বিজিবির অধিনায়কের নির্দেশনায় সাবরাং সংলগ্ন নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিজিবির নৌ-টহল দল একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাকে দ্রুতগতিতে বাংলাদেশের দিকে আসতে দেখে। নৌকাটির গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় থামার সংকেত দেওয়া হয়। কিন্তু নৌকায় থাকা ব্যক্তিরা সংকেত অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবির টহল দল তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়ার একপর্যায়ে নৌকায় থাকা একটি প্লাস্টিকের বস্তা নাফ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে নৌকাসহ তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা বস্তাটিতে ইয়াবা থাকার কথা স্বীকার করে। এরপর সাবরাং ও শাহপরীর দ্বীপ বিওপির টহল দল নাফ নদীতে তল্লাশি চালিয়ে শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন জালিয়াপাড়া এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় বস্তাটি উদ্ধার করে।

 

​বস্তাটি তল্লাশি করে ১ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। পাশাপাশি মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাটি জব্দ করা হয়।

২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক চোরাচালান ও সীমান্ত এলাকার সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। মাদক পাচারকারীরা কৌশল পরিবর্তন করলেও গোয়েন্দা নজরদারি, নৌ-টহল ও সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে তাদের অপচেষ্টা প্রতিহত করা হবে।” ​তিনি আরও বলেন, “দেশ ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় টেকনাফ ব্যাটালিয়নের মাদকবিরোধী অভিযান সামনে আরও জোরদার করা হবে।”

আটককৃত ব্যক্তি ও উদ্ধারকৃত ইয়াবা নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।