ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
আদানির ইউনিট বন্ধ ও অভ্যন্তরীণ সংকটে দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং, ছুটির দিনেও চরম ভোগান্তি গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ ট্যাংক দুর্ঘটনায় আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী মোরেলগঞ্জে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনিময় সভা পিরোজপুর সদরকে শিশুশ্রম ও ঝরে পড়া শিশুমুক্ত উপজেলা ঘোষণা পিরোজপুরে তার কাটার সময় যুবক আটক, বিভিন্ন মালামাল উদ্ধারের দাবি ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের ক্যানসারে মারা গেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা: শেষকৃত্যে যোগ দিতে ৫ ঘণ্টার প্যারোল পিরোজপুরে তামাক নিয়ন্ত্রণ নির্দেশিকা বাস্তবায়নে কর্মশালা মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা

বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ কর্মকর্তা ডঃ আব্দুস সালাম এর বিরুদ্ধে ব্যাবসায়ীর টাকা মেরে দেয়ার অভিযোগ

 

কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন হোয়াইংখ্যং ইউনিয়নের বাসিন্দা ডঃ আব্দুস সালাম বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের ৩য় গ্রেডের কর্মকর্তা। তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের অধীনে বিসিএসআইআর এর প্রতিষ্ঠান ইন্সটিটিউট অব মাইনিং, মিনারেলজি এন্ড মেটার্লেজি (আইএমএমএম),বিসিএসআইআর জয়পুরহাট এ সিনিয়র প্রিন্সিপাল ইন্জিনিয়ার পদে কর্মরত থাকলেও কিছুদিন পুর্বে অর্থাৎ ১২ই আগস্ট ২৬ এ উপসচিব মোহাম্মদ সহীদুল হক পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে মুল পদ ঠিক রেখে বিসিএসআইআর চট্টগ্রাম গবেষণাগারে সংযুক্ত করা হয়েছে।

 

জয়পুরহাটে কর্মরত থাকাকালীন ঢাকায় পাবনা’র এক মেডিসিন র মেটেরিয়ালস ব্যাবসায়ীর (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরী হয়। ঘনিষ্ঠতার একপর্যায়ে তিনি ব্যাবসায়ীকে জানান যে শীগ্রই তিনি বিসিএসআইআর চট্টগ্রাম গবেষণাগারে পরিচালক (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব সহ) হিসেবে যোগদান করবেন বলে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। সেসেময় তিনি আরও দেখান যে ইতিমধ্যে বিজ্ঞান মন্ত্রী বরাবর পরিবেশ মন্ত্রী মহোদয়ের সুপারিশও সিগনেচার হয়ে গেছে। তিনি ব্যবসায়ীকে প্রলোভন দেখান যে চট্টগ্রাম বিসিএসআইআর এর পরিচালক হয়ে গেলে সেখানকার সর্বময় কর্তৃত্ব একমাত্র তিনিই রাখবেন, নিয়োগদানসহ সেখানে বিভিন্ন ব্যাবসার সুযোগ রয়েছে সে (ব্যাবসায়ী) চাইলে তার থেকে ভালো প্রফিট নিতে পারবেন।

 

একপর্যায়ে তিনি তার (ব্যবসায়ীর) কাছ থেকে সপ্তাহ দুয়েক এর জন্য ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা (ফিন্যান্সিয়াল সাপোর্ট লাগবে) বলে জানান এর বিনিময়ে গ্যারান্টি স্বরুপ ব্যাংক চেক সহ যাবতীয় এভিডেন্স জমা রাখবেন।

 

এ ব্যাপারে ব্যাবসায়ী জানান, তিনি যেহেতু সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা তার জায়গা থেকে ফল্স কমিটমেন্ট দিবেন এটা মনে হয়নি তাই তার সকল কিছু জানার পর তাকে সাময়িক অর্থনৈতিক সহযোগিতার করতে রাজী হই। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ ই আগষ্ট ২৬ তারিখে (তার আগে ২/৩ দিন তিনি ঢাকায় ছিলেন তোপখানা রোডের হোটেল এশিয়াতে) তিনি আমার থেকে ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা নগদ গ্রহণ করেন বিনিময়ে ২ টা সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক চট্টগ্রাম বালুচরা শাখার চেক, এনআইডি’র কপি, চাকরির পরিচিতি নাম্বার সহ পুর্নাঙ্গ সিভি জমা রাখেন। এরপর ২ সপ্তাহ পার হয়ে গেলে তিনি তার (ব্যাবসায়ীর) হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার ব্লক করেন দেন। অন্য নাম্বার থেকে নক দিলে টের পেয়ে সেটিও ব্লক করে দেন। পরবর্তীতে তার এমন আচরণের জন্য ১৩ই আগস্ট ২৬ এ চেক দুটো ব্যাংকে দিলে ডিজঅনার হয় ১৬ এবং ১৭ তারিখে। তিনি আরও বলেন আমি ঘোর চিন্তার মধ্যে পড়ে গেলাম মোবাইলে কল দিলে তিনি ধরেন না ডিরেক্ট ম্যাসেজ দিলেও রেসপন্স করেন না এমন অবস্থায় আমার পরিচিতি একজন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বরাবর বিষয়টি লিখিত আকারে তুলে উপস্থাপন করি এবং অনুরোধ করি তিনি যেনো বিজ্ঞান সচিব বরাবর আমার হয়ে ব্যাপারটা জানান। প্রতিমন্ত্রী মহোদয় আমার দেয়া লিখিত আবেদনে লিখিত আকারে বিজ্ঞান সচিব আনোয়ার মহোদয়কে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে বলেন। এরপর ২৪ই আগস্ট ডঃ সালাম কর্তৃক দেয়া ব্যাংক ২টা ব্যাংক চেক এর কপি, ২টা চেক ডিজঅনার এর রিটার্ন মেমো, এনআইডি’র কপি,পুর্নাঙ্গ সিভি সহ প্রতিমন্ত্রী মহোদয় স্বাক্ষরিত আবেদনের কপি বিজ্ঞান সচিব বরাবর পৌঁছালে তার এপিএস- উপসচিব আল আমিন সাহেব রিসিভ করেন এবং রিসিভড কপি দেন। এরপরও এখন অবধি তিনি কোনো যোগাযোগ করেন নাই এতে আমি চরম পর্যায়ে হতাশ দিন কাটাচ্ছি। জানিনা কোনো সুরাহা তিনি করবেন কি না।

 

উল্লেখ্য গত ১১ই আগস্ট বিসিএসআইআর চট্টগ্রাম গবেষণাগারে তাকে অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব দিয়ে পরিচালক পদে পদায়ন করলেও তার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ থাকায় এরপরদিনই পরিচালকের পদ অপসারণ করে মুলপদ ঠিক রেখে সংযুক্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে নানান বিতর্কিত কর্মকাণ্ড তুলে ধরে The Daily campus গত ১২ই আগস্ট ২৬ ইং অনলাইন পোর্টালে নিউজ করেছেন।

 

এমতাবস্থায় বিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে শীগ্রই ডঃ সালাম পাবেন বলে উক্ত ব্যাবসায়ী জানান এবং তিনি এও জানান যে লিগ্যাল নোটিশ পেয়েও সমাধান না করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয়

আদানির ইউনিট বন্ধ ও অভ্যন্তরীণ সংকটে দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং, ছুটির দিনেও চরম ভোগান্তি

বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ কর্মকর্তা ডঃ আব্দুস সালাম এর বিরুদ্ধে ব্যাবসায়ীর টাকা মেরে দেয়ার অভিযোগ

আপডেট : ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

 

কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন হোয়াইংখ্যং ইউনিয়নের বাসিন্দা ডঃ আব্দুস সালাম বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের ৩য় গ্রেডের কর্মকর্তা। তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের অধীনে বিসিএসআইআর এর প্রতিষ্ঠান ইন্সটিটিউট অব মাইনিং, মিনারেলজি এন্ড মেটার্লেজি (আইএমএমএম),বিসিএসআইআর জয়পুরহাট এ সিনিয়র প্রিন্সিপাল ইন্জিনিয়ার পদে কর্মরত থাকলেও কিছুদিন পুর্বে অর্থাৎ ১২ই আগস্ট ২৬ এ উপসচিব মোহাম্মদ সহীদুল হক পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে মুল পদ ঠিক রেখে বিসিএসআইআর চট্টগ্রাম গবেষণাগারে সংযুক্ত করা হয়েছে।

 

জয়পুরহাটে কর্মরত থাকাকালীন ঢাকায় পাবনা’র এক মেডিসিন র মেটেরিয়ালস ব্যাবসায়ীর (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরী হয়। ঘনিষ্ঠতার একপর্যায়ে তিনি ব্যাবসায়ীকে জানান যে শীগ্রই তিনি বিসিএসআইআর চট্টগ্রাম গবেষণাগারে পরিচালক (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব সহ) হিসেবে যোগদান করবেন বলে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। সেসেময় তিনি আরও দেখান যে ইতিমধ্যে বিজ্ঞান মন্ত্রী বরাবর পরিবেশ মন্ত্রী মহোদয়ের সুপারিশও সিগনেচার হয়ে গেছে। তিনি ব্যবসায়ীকে প্রলোভন দেখান যে চট্টগ্রাম বিসিএসআইআর এর পরিচালক হয়ে গেলে সেখানকার সর্বময় কর্তৃত্ব একমাত্র তিনিই রাখবেন, নিয়োগদানসহ সেখানে বিভিন্ন ব্যাবসার সুযোগ রয়েছে সে (ব্যাবসায়ী) চাইলে তার থেকে ভালো প্রফিট নিতে পারবেন।

 

একপর্যায়ে তিনি তার (ব্যবসায়ীর) কাছ থেকে সপ্তাহ দুয়েক এর জন্য ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা (ফিন্যান্সিয়াল সাপোর্ট লাগবে) বলে জানান এর বিনিময়ে গ্যারান্টি স্বরুপ ব্যাংক চেক সহ যাবতীয় এভিডেন্স জমা রাখবেন।

 

এ ব্যাপারে ব্যাবসায়ী জানান, তিনি যেহেতু সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা তার জায়গা থেকে ফল্স কমিটমেন্ট দিবেন এটা মনে হয়নি তাই তার সকল কিছু জানার পর তাকে সাময়িক অর্থনৈতিক সহযোগিতার করতে রাজী হই। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ ই আগষ্ট ২৬ তারিখে (তার আগে ২/৩ দিন তিনি ঢাকায় ছিলেন তোপখানা রোডের হোটেল এশিয়াতে) তিনি আমার থেকে ২০ (বিশ) লক্ষ টাকা নগদ গ্রহণ করেন বিনিময়ে ২ টা সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক চট্টগ্রাম বালুচরা শাখার চেক, এনআইডি’র কপি, চাকরির পরিচিতি নাম্বার সহ পুর্নাঙ্গ সিভি জমা রাখেন। এরপর ২ সপ্তাহ পার হয়ে গেলে তিনি তার (ব্যাবসায়ীর) হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার ব্লক করেন দেন। অন্য নাম্বার থেকে নক দিলে টের পেয়ে সেটিও ব্লক করে দেন। পরবর্তীতে তার এমন আচরণের জন্য ১৩ই আগস্ট ২৬ এ চেক দুটো ব্যাংকে দিলে ডিজঅনার হয় ১৬ এবং ১৭ তারিখে। তিনি আরও বলেন আমি ঘোর চিন্তার মধ্যে পড়ে গেলাম মোবাইলে কল দিলে তিনি ধরেন না ডিরেক্ট ম্যাসেজ দিলেও রেসপন্স করেন না এমন অবস্থায় আমার পরিচিতি একজন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বরাবর বিষয়টি লিখিত আকারে তুলে উপস্থাপন করি এবং অনুরোধ করি তিনি যেনো বিজ্ঞান সচিব বরাবর আমার হয়ে ব্যাপারটা জানান। প্রতিমন্ত্রী মহোদয় আমার দেয়া লিখিত আবেদনে লিখিত আকারে বিজ্ঞান সচিব আনোয়ার মহোদয়কে বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে বলেন। এরপর ২৪ই আগস্ট ডঃ সালাম কর্তৃক দেয়া ব্যাংক ২টা ব্যাংক চেক এর কপি, ২টা চেক ডিজঅনার এর রিটার্ন মেমো, এনআইডি’র কপি,পুর্নাঙ্গ সিভি সহ প্রতিমন্ত্রী মহোদয় স্বাক্ষরিত আবেদনের কপি বিজ্ঞান সচিব বরাবর পৌঁছালে তার এপিএস- উপসচিব আল আমিন সাহেব রিসিভ করেন এবং রিসিভড কপি দেন। এরপরও এখন অবধি তিনি কোনো যোগাযোগ করেন নাই এতে আমি চরম পর্যায়ে হতাশ দিন কাটাচ্ছি। জানিনা কোনো সুরাহা তিনি করবেন কি না।

 

উল্লেখ্য গত ১১ই আগস্ট বিসিএসআইআর চট্টগ্রাম গবেষণাগারে তাকে অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব দিয়ে পরিচালক পদে পদায়ন করলেও তার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ থাকায় এরপরদিনই পরিচালকের পদ অপসারণ করে মুলপদ ঠিক রেখে সংযুক্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে নানান বিতর্কিত কর্মকাণ্ড তুলে ধরে The Daily campus গত ১২ই আগস্ট ২৬ ইং অনলাইন পোর্টালে নিউজ করেছেন।

 

এমতাবস্থায় বিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে শীগ্রই ডঃ সালাম পাবেন বলে উক্ত ব্যাবসায়ী জানান এবং তিনি এও জানান যে লিগ্যাল নোটিশ পেয়েও সমাধান না করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।