ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
গাড়ির ধোঁয়া ও নির্মাণের ধুলায় বিষাক্ত হচ্ছে ঢাকার বাতাস প্রদীপের আলোয় দূর হবে অন্ধকার, মা কালীর আরাধনায় জাগবে শুভশক্তি টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী শীতের আমেজে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পিপাসু পর্যটকদের ডাকছে কুইন আইল্যান্ড ভোলা মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ রাজধানীতে এক রাতে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন বাগেরহাটে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ প্রবাসীর মৃত্যু ​

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের পৃথক অভিযান: অস্ত্র, গুলি ও ৫ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

​
​কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে বিদেশি জি-৩ রাইফেল, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও তাজা গুলিসহ ৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। তবে অভিযানের সময় ডাকাত ও মাদক কারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

​

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

​

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর আসে—টেকনাফের দমদমিয়া ১৪ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন পাহাড়ে একটি ডাকাত দল অপহরণ ও ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়ে অবস্থান করছে। খবর পেয়ে বুধবার ভোর ৫টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে সেখানে একটি যৌথ অভিযান চালানো হয়।

​

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা গহীন পাহাড়ি এলাকায় পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি জি-৩ রাইফেল (ম্যাগাজিনসহ), দুটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র, ১৩ রাউন্ড তাজা গুলি এবং এক লিটার দেশীয় মদ উদ্ধার করা হয়।

​

অন্যদিকে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে টেকনাফের সাবরাং এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ ও সাবরাং আউটপোস্টের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আরেকটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে সন্দেহভাজন একটি বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আনুমানিক ২৫ লাখ টাকা মূল্যের ৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্ট মাদক কারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় এই ঘটনায়ও কাউকে আটক করা যায়নি।

​

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা বলেন, “উদ্ধার করা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও জব্দ করা মাদকের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে কোস্ট গার্ডের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

​

একই দিনে পৃথক দুই অভিযানে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

গাড়ির ধোঁয়া ও নির্মাণের ধুলায় বিষাক্ত হচ্ছে ঢাকার বাতাস

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের পৃথক অভিযান: অস্ত্র, গুলি ও ৫ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

আপডেট : ০৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

​
​কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে বিদেশি জি-৩ রাইফেল, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও তাজা গুলিসহ ৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। তবে অভিযানের সময় ডাকাত ও মাদক কারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

​

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

​

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর আসে—টেকনাফের দমদমিয়া ১৪ নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন পাহাড়ে একটি ডাকাত দল অপহরণ ও ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়ে অবস্থান করছে। খবর পেয়ে বুধবার ভোর ৫টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে সেখানে একটি যৌথ অভিযান চালানো হয়।

​

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা গহীন পাহাড়ি এলাকায় পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি জি-৩ রাইফেল (ম্যাগাজিনসহ), দুটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র, ১৩ রাউন্ড তাজা গুলি এবং এক লিটার দেশীয় মদ উদ্ধার করা হয়।

​

অন্যদিকে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে টেকনাফের সাবরাং এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ ও সাবরাং আউটপোস্টের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আরেকটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে সন্দেহভাজন একটি বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আনুমানিক ২৫ লাখ টাকা মূল্যের ৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্ট মাদক কারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় এই ঘটনায়ও কাউকে আটক করা যায়নি।

​

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা বলেন, “উদ্ধার করা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও জব্দ করা মাদকের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে কোস্ট গার্ডের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

​

একই দিনে পৃথক দুই অভিযানে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।