ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ রাজধানীতে এক রাতে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন বাগেরহাটে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ প্রবাসীর মৃত্যু ​ বাগেরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত ​ পিরোজপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তিন মাসের প্রশিক্ষণে দক্ষতা অর্জন, এবার আয়ের সুযোগ ১০০ নারীর মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

টেকনাফে সাঁড়াশি অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্ত ১১ আসামি গ্রেপ্তার

 

​কক্সবাজারের টেকনাফে অপরাধ দমনে ব্যাপক সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ১১ জনকে আইনের আওতায় এনেছে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। একই অভিযানে অনলাইন জুয়া ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে ৭ জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

​

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ১৬ এপিবিএনের আওতাধীন টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় এ বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদার।

 

​বিশেষ এ অভিযানে ১৬ এপিবিএন, জেলা পুলিশ, র‍্যাব, ব্যাটালিয়ন আনসার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মোট ১৬৫ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন। অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে বিভিন্ন মামলার চারটি গ্রেপ্তারির পরোয়ানাভুক্ত এক দুর্ধর্ষ আসামিকে আটক করা হয়।

 

​পৃথক অভিযানে আরও তিনজন নিয়মিত মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে দুটি এবং অপর দুইজনের বিরুদ্ধে একটি করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।

​

অভিযান চলাকালে অনলাইন জুয়া ও পুলিশি কাজে বাধা দেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৭ জনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

​

১৬ এপিবিএনের তথ্য অনুযায়ী, এ অভিযানে একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার, মোট সাতটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল এবং সাতজনকে মোবাইল কোর্টে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ১১ জনকে আইনানুগ ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।

​

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি মোবাইল কোর্টে দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধেও প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ

টেকনাফে সাঁড়াশি অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্ত ১১ আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট : ০৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

 

​কক্সবাজারের টেকনাফে অপরাধ দমনে ব্যাপক সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ১১ জনকে আইনের আওতায় এনেছে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। একই অভিযানে অনলাইন জুয়া ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে ৭ জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

​

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ১৬ এপিবিএনের আওতাধীন টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় এ বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদার।

 

​বিশেষ এ অভিযানে ১৬ এপিবিএন, জেলা পুলিশ, র‍্যাব, ব্যাটালিয়ন আনসার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মোট ১৬৫ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন। অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে বিভিন্ন মামলার চারটি গ্রেপ্তারির পরোয়ানাভুক্ত এক দুর্ধর্ষ আসামিকে আটক করা হয়।

 

​পৃথক অভিযানে আরও তিনজন নিয়মিত মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে দুটি এবং অপর দুইজনের বিরুদ্ধে একটি করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।

​

অভিযান চলাকালে অনলাইন জুয়া ও পুলিশি কাজে বাধা দেওয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৭ জনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

​

১৬ এপিবিএনের তথ্য অনুযায়ী, এ অভিযানে একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার, মোট সাতটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল এবং সাতজনকে মোবাইল কোর্টে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ১১ জনকে আইনানুগ ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।

​

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি মোবাইল কোর্টে দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধেও প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।