ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
গাড়ির ধোঁয়া ও নির্মাণের ধুলায় বিষাক্ত হচ্ছে ঢাকার বাতাস প্রদীপের আলোয় দূর হবে অন্ধকার, মা কালীর আরাধনায় জাগবে শুভশক্তি টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী শীতের আমেজে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পিপাসু পর্যটকদের ডাকছে কুইন আইল্যান্ড ভোলা মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ রাজধানীতে এক রাতে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন বাগেরহাটে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ প্রবাসীর মৃত্যু ​

পুলিশ দেখে পচা পুকুরে ঝাঁপ, ডোবায় নেমেই আসামিকে ধরল পুলিশ

 

​বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়ন অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এই অভিযানে সবচেয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এক আসামিকে গ্রেপ্তারের ঘটনা। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে পচা ডোবায় ঝাঁপ দিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি; ডোবায় নেমেই তাকে আটক করেছে পুলিশ।

​

রোববার (৯ আগস্ট) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশ।

 

​গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মোরেলগঞ্জ পৌর শহরের নব্বইরশী বাসস্ট্যান্ড এলাকার মালা আক্তার লিজা (৩৬), তার বর্তমান স্বামী সুমন হাওলাদার (২৬) এবং বারইখালী ফেরিঘাট এলাকার ইলিয়াস খলিফা (৩৬)।
​

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার মালা আক্তার লিজার বিরুদ্ধে মোরেলগঞ্জ থানায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ মোট ১৫টি মামলা রয়েছে। তার স্বামী সুমন হাওলাদারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ ৯টি মামলা এবং ইলিয়াস খলিফার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১৯টি মামলা রয়েছে।

​

পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার, মাদক ব্যবসা প্রতিরোধ এবং বিভিন্ন মামলায় পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ​অভিযানের একপর্যায়ে ইলিয়াস খলিফাকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তিনি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে তিনি একটি পচা ডোবায় ঝাঁপ দেন। তবে এতে পুলিশের অভিযান থেমে থাকেনি। পুলিশ সদস্যরাও ডোবায় নেমে তাকে ধাওয়া করে আটক করতে সক্ষম হন।

​

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই পুলিশের এমন সাহসিকতা ও তৎপরতার প্রশংসা করেছেন।

​

মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান এবং বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

জনপ্রিয়

গাড়ির ধোঁয়া ও নির্মাণের ধুলায় বিষাক্ত হচ্ছে ঢাকার বাতাস

পুলিশ দেখে পচা পুকুরে ঝাঁপ, ডোবায় নেমেই আসামিকে ধরল পুলিশ

আপডেট : ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

 

​বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়ন অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এই অভিযানে সবচেয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এক আসামিকে গ্রেপ্তারের ঘটনা। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে পচা ডোবায় ঝাঁপ দিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি; ডোবায় নেমেই তাকে আটক করেছে পুলিশ।

​

রোববার (৯ আগস্ট) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশ।

 

​গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মোরেলগঞ্জ পৌর শহরের নব্বইরশী বাসস্ট্যান্ড এলাকার মালা আক্তার লিজা (৩৬), তার বর্তমান স্বামী সুমন হাওলাদার (২৬) এবং বারইখালী ফেরিঘাট এলাকার ইলিয়াস খলিফা (৩৬)।
​

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার মালা আক্তার লিজার বিরুদ্ধে মোরেলগঞ্জ থানায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ মোট ১৫টি মামলা রয়েছে। তার স্বামী সুমন হাওলাদারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ ৯টি মামলা এবং ইলিয়াস খলিফার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১৯টি মামলা রয়েছে।

​

পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার, মাদক ব্যবসা প্রতিরোধ এবং বিভিন্ন মামলায় পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ​অভিযানের একপর্যায়ে ইলিয়াস খলিফাকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তিনি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে তিনি একটি পচা ডোবায় ঝাঁপ দেন। তবে এতে পুলিশের অভিযান থেমে থাকেনি। পুলিশ সদস্যরাও ডোবায় নেমে তাকে ধাওয়া করে আটক করতে সক্ষম হন।

​

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই পুলিশের এমন সাহসিকতা ও তৎপরতার প্রশংসা করেছেন।

​

মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান এবং বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।