মির্জা ফখরুল ইসলাম
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মূলধারার গণমাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশটির পরবর্তী রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে বলে গুঞ্জন চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি বিএনপি।
রোববার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় একটি গণমাধ্যম মির্জা ফখরুলকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। বিষয়টি আমার নলেজে নেই।’
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন, ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র বাছাই, ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদের অধিবেশনকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির পক্ষ থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী এই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে দলটির প্রথম পছন্দ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
অন্যদিকে ১১-দলীয় জোটের পক্ষ থেকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আজ রাজধানীর মিন্টো রোডে অবস্থিত বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১-দলীয় ঐক্য আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শুরু হয় বেলা সাড়ে ১১টায়।
উল্লেখ্য, সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গুরুতর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন। সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আর স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্টঃ 



















