ঢাকা , রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ রাজধানীতে এক রাতে ৮ ককটেল বিস্ফোরণ, বাসে আগুন বাগেরহাটে বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ প্রবাসীর মৃত্যু ​ বাগেরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত ​ পিরোজপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তিন মাসের প্রশিক্ষণে দক্ষতা অর্জন, এবার আয়ের সুযোগ ১০০ নারীর মোরেলগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে তদবির বাণিজ্য, মোংলায় গ্রেপ্তার ১

 

বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের নাম ও পদবি ব্যবহার করে অবৈধ তদবির বাণিজ্যের অভিযোগে মো. কামরুজ্জামান টুকু (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মোংলা থানা পুলিশ।

 

​রোববার (২ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে উপজেলার চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

এ সময় তাঁর কাছ থেকে প্রতিমন্ত্রীর নাম ও পদবিসংবলিত একটি সিল ও একটি প্যাড জব্দ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোংলা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম।

 

​গ্রেপ্তার কামরুজ্জামান টুকু উপজেলার চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলাম শেখের ছেলে।

​

পুলিশ জানায়, প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে একটি প্রতারক চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ তদবির বাণিজ্য চালিয়ে আসছে—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চক্রটির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত করে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কামরুজ্জামান টুকুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে প্রতিমন্ত্রীর নাম ও পদবিসংবলিত একটি সিল ও প্যাড উদ্ধার করা হয়। এগুলো ব্যবহার করে প্রতিমন্ত্রীর পরিচয় ভাঙিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা এবং অবৈধ তদবির বাণিজ্য চালানো হচ্ছিল। এ ঘটনায় মোংলা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

​মোংলা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম বলেন, “প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের নাম, সিল ও স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে মো. কামরুজ্জামান টুকুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে প্রতিমন্ত্রীর নাম ও পদবিসংবলিত একটি সিল ও প্যাড উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জনপ্রিয়

এবিজি স্পোর্টস সিটিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের এশিয়া কাপ

প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে তদবির বাণিজ্য, মোংলায় গ্রেপ্তার ১

আপডেট : ০৬:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

 

বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের নাম ও পদবি ব্যবহার করে অবৈধ তদবির বাণিজ্যের অভিযোগে মো. কামরুজ্জামান টুকু (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মোংলা থানা পুলিশ।

 

​রোববার (২ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে উপজেলার চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

এ সময় তাঁর কাছ থেকে প্রতিমন্ত্রীর নাম ও পদবিসংবলিত একটি সিল ও একটি প্যাড জব্দ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোংলা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম।

 

​গ্রেপ্তার কামরুজ্জামান টুকু উপজেলার চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলাম শেখের ছেলে।

​

পুলিশ জানায়, প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে একটি প্রতারক চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ তদবির বাণিজ্য চালিয়ে আসছে—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চক্রটির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত করে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কামরুজ্জামান টুকুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে প্রতিমন্ত্রীর নাম ও পদবিসংবলিত একটি সিল ও প্যাড উদ্ধার করা হয়। এগুলো ব্যবহার করে প্রতিমন্ত্রীর পরিচয় ভাঙিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা এবং অবৈধ তদবির বাণিজ্য চালানো হচ্ছিল। এ ঘটনায় মোংলা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

​মোংলা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম বলেন, “প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের নাম, সিল ও স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে মো. কামরুজ্জামান টুকুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে প্রতিমন্ত্রীর নাম ও পদবিসংবলিত একটি সিল ও প্যাড উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”