কাবুলের আকাশে তখন গভীর বিকেল। পাহাড়ঘেরা নগরীর বাতাসে ছিলো ইতিহাসের দীর্ঘশ্বাস আর ভবিষ্যতের প্রত্যাশা। সেই আবহেই ইমারাতে ইসলামিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহল জুড়ে অনুষ্ঠিত হলো এক তাৎপর্যমণ্ডিত বৈঠক।
বাংলাদেশের ওলামায়ে কেরামের প্রতিনিধি দল প্রবেশ করতেই তাদের বরণ করে নেন আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোল্লা আমীর খান মুত্তাকী। মুখভরা হাসি আর দৃঢ় করমর্দনে ভেসে উঠলো ভ্রাতৃত্বের স্পর্শ। যেন দুই দেশের মানুষ কেবল ভৌগোলিক সীমান্তে নয়, হৃদয়ের বন্ধনেও অটুট।
আলোচনার টেবিলে উঠে এলো পারস্পরিক স্বার্থ, সহযোগিতা আর ভবিষ্যতের সম্ভাবনা। মোল্লা আমীর খান মুত্তাকী বলেন আন্তরিকতার সুরে—সম্পর্ক যদি আস্থার মাটিতে দাঁড়ায়, তবে তার শেকড় বহু প্রজন্মে প্রসারিত হয়। উপস্থিত কর্মকর্তারা সম্মিলিতভাবে প্রতিনিধি দলকে অভ্যর্থনা জানিয়ে দৃশ্যটিকে করে তোলেন আরও অনন্য।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ছিলেন মাওলানা মামুনুল হকসহ বিশিষ্ট আলেমরা। তাদের উপস্থিতি আলোচনাকে দিলো এক বিশেষ মর্যাদা, যেন কেবল কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠলো এই সাক্ষাৎ।
বৈঠকের সমাপ্তি মুহূর্তে দু’পক্ষই ব্যক্ত করলেন একটি অভিন্ন প্রত্যাশা—ভবিষ্যতের পথে যেন সম্পর্ক আরো নিবিড় হয়, সহযোগিতা আরও প্রসারিত হয়, আর ভ্রাতৃত্বের সেতু অটুট থাকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম।
কাবুলের সেই সন্ধ্যা তাই থেকে গেলো শুধু একটি তারিখে সীমাবদ্ধ নয়, বরং ইতিহাসের পাতায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে।

মোঃ আনজার শাহ 



















