ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
টেকনাফে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুব সমাবেশ ও র‍্যালি ভোলাবাসীর স্বপ্ন, গ্যাসভিত্তিক শিল্প-কারখানা দুই যুগেও গড়ে ওঠেনি পিরোজপুরের নাজিরপুরে উন্নয়নবঞ্চিত সড়ক পরিদর্শন, তালিকা প্রস্তুত টেকনাফে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ ৪ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার মোরেলগঞ্জে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত এমপিপুত্রকে যুবদল থেকে বহিষ্কার, ওসি প্রত্যাহার রামপাল নাগরিক ফোরামের সভা ও প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত ​ নভেম্বর থেকে কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়, খরচ জানালেন প্রতিমন্ত্রী পিরোজপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, মিলেছে অনিয়মের তথ্য

ইরাকের কারবালায় বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে সফলভাবে কাজ করছেন বাংলাদেশিরা

 

দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের আরেকটি সফল অংশগ্রহণ—ইরাকের কারবালায় ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ডাছপ প্রেট্রোলিয়াম’ বিদ্যুৎ প্রকল্পে এখন কাজ করছেন ৫০ জনের অধিক বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও কারিগরি জনবল। তারা শুধু প্রকল্পে অংশগ্রহণই করছেন না, বরং কারিগরি সমস্যা সমাধান ও কার্যকর রক্ষণাবেক্ষণ কাজে সাফল্যের সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

 

 

বাংলাদেশি কর্মীরা এখানে মূলত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইঞ্জিন সংক্রান্ত কাজ, মেজর ওভারহোলিং (Major Overhauling), ট্রাবলশুটিং এবং টেকনিক্যাল সলিউশন প্রদান করে যাচ্ছেন। এই প্রকল্পের প্রতিটি যান্ত্রিক সমস্যা সমাধানে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

 

প্রকল্পটি পাঁচ বছরের কন্ট্রাক্টে পরিচালিত হচ্ছে এবং শুরু থেকেই বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি যথেষ্ট সম্মান ও মূল্যায়ন দেখাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

 

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত ইতিবাচক। কারবালার প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু মানুষ এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়মিত বিদ্যুৎ পাচ্ছেন, যা আগে সম্ভব ছিল না। অনেকেই বলছেন, বাংলাদেশিদের কাজের কারণে কারবালার অনেক গ্রামে আলো পৌঁছেছে, যা তাদের জীবনযাত্রায় আমূল পরিবর্তন এনেছে।

 

একজন স্থানীয় কর্মকর্তা জানান, “বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়াররা অত্যন্ত দক্ষ ও পরিশ্রমী। তাদের কাজের মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ের। আমরা অত্যন্ত উপকৃত।”

 

এ প্রসঙ্গে এক প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন সাগর বলেন, “বাংলাদেশি কর্মীরা অত্যন্ত আন্তরিক ও দক্ষ। তাদের কাজের মান ও সময়ানুবর্তিতা আমাদের প্রকল্পের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।”

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্রকল্পে বাংলাদেশিদের সফল অংশগ্রহণ শুধু দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে না, বরং কারিগরি জনশক্তি রপ্তানির নতুন পথও উন্মুক্ত করছে। ভবিষ্যতে এমন আরও প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও লাভবান হবে।

জনপ্রিয়

টেকনাফে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুব সমাবেশ ও র‍্যালি

ইরাকের কারবালায় বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে সফলভাবে কাজ করছেন বাংলাদেশিরা

আপডেট : ১২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

 

দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের আরেকটি সফল অংশগ্রহণ—ইরাকের কারবালায় ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ডাছপ প্রেট্রোলিয়াম’ বিদ্যুৎ প্রকল্পে এখন কাজ করছেন ৫০ জনের অধিক বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও কারিগরি জনবল। তারা শুধু প্রকল্পে অংশগ্রহণই করছেন না, বরং কারিগরি সমস্যা সমাধান ও কার্যকর রক্ষণাবেক্ষণ কাজে সাফল্যের সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

 

 

বাংলাদেশি কর্মীরা এখানে মূলত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইঞ্জিন সংক্রান্ত কাজ, মেজর ওভারহোলিং (Major Overhauling), ট্রাবলশুটিং এবং টেকনিক্যাল সলিউশন প্রদান করে যাচ্ছেন। এই প্রকল্পের প্রতিটি যান্ত্রিক সমস্যা সমাধানে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

 

প্রকল্পটি পাঁচ বছরের কন্ট্রাক্টে পরিচালিত হচ্ছে এবং শুরু থেকেই বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি যথেষ্ট সম্মান ও মূল্যায়ন দেখাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

 

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত ইতিবাচক। কারবালার প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু মানুষ এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়মিত বিদ্যুৎ পাচ্ছেন, যা আগে সম্ভব ছিল না। অনেকেই বলছেন, বাংলাদেশিদের কাজের কারণে কারবালার অনেক গ্রামে আলো পৌঁছেছে, যা তাদের জীবনযাত্রায় আমূল পরিবর্তন এনেছে।

 

একজন স্থানীয় কর্মকর্তা জানান, “বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়াররা অত্যন্ত দক্ষ ও পরিশ্রমী। তাদের কাজের মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ের। আমরা অত্যন্ত উপকৃত।”

 

এ প্রসঙ্গে এক প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন সাগর বলেন, “বাংলাদেশি কর্মীরা অত্যন্ত আন্তরিক ও দক্ষ। তাদের কাজের মান ও সময়ানুবর্তিতা আমাদের প্রকল্পের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।”

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্রকল্পে বাংলাদেশিদের সফল অংশগ্রহণ শুধু দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে না, বরং কারিগরি জনশক্তি রপ্তানির নতুন পথও উন্মুক্ত করছে। ভবিষ্যতে এমন আরও প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও লাভবান হবে।