ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় জোর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে IOM-এর নবনিযুক্ত মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: বরিশালে তথ্যমন্ত্রী টেকনাফের হোয়াইক্যং প্রাইভেটকারের বাম্পারে ১ লাখ ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ১ পিরোজপুরে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত একরাম হত্যা মামলা: র‍্যাবের সাবেক অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার মিফতাহ সেনা হেফাজতে গঠনমূলক সমালোচনা ও ইতিবাচক কাজ তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

ইরাকের কারবালায় বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে সফলভাবে কাজ করছেন বাংলাদেশিরা

 

দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের আরেকটি সফল অংশগ্রহণ—ইরাকের কারবালায় ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ডাছপ প্রেট্রোলিয়াম’ বিদ্যুৎ প্রকল্পে এখন কাজ করছেন ৫০ জনের অধিক বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও কারিগরি জনবল। তারা শুধু প্রকল্পে অংশগ্রহণই করছেন না, বরং কারিগরি সমস্যা সমাধান ও কার্যকর রক্ষণাবেক্ষণ কাজে সাফল্যের সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

 

 

বাংলাদেশি কর্মীরা এখানে মূলত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইঞ্জিন সংক্রান্ত কাজ, মেজর ওভারহোলিং (Major Overhauling), ট্রাবলশুটিং এবং টেকনিক্যাল সলিউশন প্রদান করে যাচ্ছেন। এই প্রকল্পের প্রতিটি যান্ত্রিক সমস্যা সমাধানে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

 

প্রকল্পটি পাঁচ বছরের কন্ট্রাক্টে পরিচালিত হচ্ছে এবং শুরু থেকেই বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি যথেষ্ট সম্মান ও মূল্যায়ন দেখাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

 

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত ইতিবাচক। কারবালার প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু মানুষ এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়মিত বিদ্যুৎ পাচ্ছেন, যা আগে সম্ভব ছিল না। অনেকেই বলছেন, বাংলাদেশিদের কাজের কারণে কারবালার অনেক গ্রামে আলো পৌঁছেছে, যা তাদের জীবনযাত্রায় আমূল পরিবর্তন এনেছে।

 

একজন স্থানীয় কর্মকর্তা জানান, “বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়াররা অত্যন্ত দক্ষ ও পরিশ্রমী। তাদের কাজের মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ের। আমরা অত্যন্ত উপকৃত।”

 

এ প্রসঙ্গে এক প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন সাগর বলেন, “বাংলাদেশি কর্মীরা অত্যন্ত আন্তরিক ও দক্ষ। তাদের কাজের মান ও সময়ানুবর্তিতা আমাদের প্রকল্পের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।”

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্রকল্পে বাংলাদেশিদের সফল অংশগ্রহণ শুধু দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে না, বরং কারিগরি জনশক্তি রপ্তানির নতুন পথও উন্মুক্ত করছে। ভবিষ্যতে এমন আরও প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও লাভবান হবে।

জনপ্রিয়

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত

ইরাকের কারবালায় বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে সফলভাবে কাজ করছেন বাংলাদেশিরা

আপডেট : ১২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

 

দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের আরেকটি সফল অংশগ্রহণ—ইরাকের কারবালায় ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ডাছপ প্রেট্রোলিয়াম’ বিদ্যুৎ প্রকল্পে এখন কাজ করছেন ৫০ জনের অধিক বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও কারিগরি জনবল। তারা শুধু প্রকল্পে অংশগ্রহণই করছেন না, বরং কারিগরি সমস্যা সমাধান ও কার্যকর রক্ষণাবেক্ষণ কাজে সাফল্যের সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

 

 

বাংলাদেশি কর্মীরা এখানে মূলত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইঞ্জিন সংক্রান্ত কাজ, মেজর ওভারহোলিং (Major Overhauling), ট্রাবলশুটিং এবং টেকনিক্যাল সলিউশন প্রদান করে যাচ্ছেন। এই প্রকল্পের প্রতিটি যান্ত্রিক সমস্যা সমাধানে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

 

প্রকল্পটি পাঁচ বছরের কন্ট্রাক্টে পরিচালিত হচ্ছে এবং শুরু থেকেই বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি যথেষ্ট সম্মান ও মূল্যায়ন দেখাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

 

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত ইতিবাচক। কারবালার প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু মানুষ এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়মিত বিদ্যুৎ পাচ্ছেন, যা আগে সম্ভব ছিল না। অনেকেই বলছেন, বাংলাদেশিদের কাজের কারণে কারবালার অনেক গ্রামে আলো পৌঁছেছে, যা তাদের জীবনযাত্রায় আমূল পরিবর্তন এনেছে।

 

একজন স্থানীয় কর্মকর্তা জানান, “বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়াররা অত্যন্ত দক্ষ ও পরিশ্রমী। তাদের কাজের মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ের। আমরা অত্যন্ত উপকৃত।”

 

এ প্রসঙ্গে এক প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন সাগর বলেন, “বাংলাদেশি কর্মীরা অত্যন্ত আন্তরিক ও দক্ষ। তাদের কাজের মান ও সময়ানুবর্তিতা আমাদের প্রকল্পের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।”

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্রকল্পে বাংলাদেশিদের সফল অংশগ্রহণ শুধু দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে না, বরং কারিগরি জনশক্তি রপ্তানির নতুন পথও উন্মুক্ত করছে। ভবিষ্যতে এমন আরও প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও লাভবান হবে।