ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
আদানির ইউনিট বন্ধ ও অভ্যন্তরীণ সংকটে দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং, ছুটির দিনেও চরম ভোগান্তি গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ ট্যাংক দুর্ঘটনায় আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী মোরেলগঞ্জে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনিময় সভা পিরোজপুর সদরকে শিশুশ্রম ও ঝরে পড়া শিশুমুক্ত উপজেলা ঘোষণা পিরোজপুরে তার কাটার সময় যুবক আটক, বিভিন্ন মালামাল উদ্ধারের দাবি ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের ক্যানসারে মারা গেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা: শেষকৃত্যে যোগ দিতে ৫ ঘণ্টার প্যারোল পিরোজপুরে তামাক নিয়ন্ত্রণ নির্দেশিকা বাস্তবায়নে কর্মশালা মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাগেরহাটে আলোচনা সভা

সাউথ কোরিয়ায় ড়ঙ্গা ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স শেষ করার গল্প: এ কে আজাদ

 

আলহামদুলিল্লাহ, সর্বশেষ ক্লাস ও প্রেজেন্টেশন দিয়ে মাস্টার্স শেষ করলাম। এটা ছিল আমার জীবনের কিছু সেরা মুহূর্তের মধ্যে একটি। নতুন পরিবেশ, সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন দেশের ছাত্রবন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা ও শেখার অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ। এমন একটি জগতে আমি, শরীফ এবং খাইরুল—আমরা তিনজনই ছিলাম Public Policy প্রথম বাংলাদেশি ছাত্র।

 

এই দুই বছরে আমাদের মূল পাঠ্যবিষয় ছিল বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক রূপান্তর, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ব্যবসায়িক নীতি, শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতি এবং আধুনিক সংস্কৃতি। বিশেষভাবে পূর্ব এবং দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলো কীভাবে আধুনিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে উন্নত হয়েছে তা ছিল আমাদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

 

জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান ও ভিয়েতনামের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নীতিমালা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে—যুদ্ধবিধ্বস্ত অবস্থার পরেও (বিশেষ করে ১৯৯৪ সালের পর থেকে) তারা কীভাবে তাদের কর্মকাণ্ড সুচারুভাবে বজায় রেখেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি ও রাজনৈতিক নীতির সঙ্গে তুলনা করে আমি হতাশ হয়েছি। আমাদের রাজনীতিবিদরা এবং অনেক সময় আমাদের পূর্বসূরিরাও দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদী কোনো কার্যকর পরিকল্পনা উপহার দিতে পারেননি। শুধু রাজনৈতিক দল পাল্টেছে, কিন্তু নীতির কোনো মৌলিক পরিবর্তন হয়নি।

 

অন্যদিকে, যেসব দেশের নীতিমালাগুলো আমরা পড়েছি, তাতে বোঝা যায়, তারা কতটা দেশপ্রেমিক এবং ভবিষ্যতমুখী।

 

আপনাদের কাছে দোয়ার দরখাস্ত—আল্লাহ যেন নতুন কিছু শেখার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে আমাকে সফলভাবে পিএইচডি প্রোগ্রাম শেষ করার তৌফিক দেন।

জনপ্রিয়

আদানির ইউনিট বন্ধ ও অভ্যন্তরীণ সংকটে দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং, ছুটির দিনেও চরম ভোগান্তি

সাউথ কোরিয়ায় ড়ঙ্গা ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স শেষ করার গল্প: এ কে আজাদ

আপডেট : ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫

 

আলহামদুলিল্লাহ, সর্বশেষ ক্লাস ও প্রেজেন্টেশন দিয়ে মাস্টার্স শেষ করলাম। এটা ছিল আমার জীবনের কিছু সেরা মুহূর্তের মধ্যে একটি। নতুন পরিবেশ, সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন দেশের ছাত্রবন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা ও শেখার অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ। এমন একটি জগতে আমি, শরীফ এবং খাইরুল—আমরা তিনজনই ছিলাম Public Policy প্রথম বাংলাদেশি ছাত্র।

 

এই দুই বছরে আমাদের মূল পাঠ্যবিষয় ছিল বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক রূপান্তর, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ব্যবসায়িক নীতি, শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতি এবং আধুনিক সংস্কৃতি। বিশেষভাবে পূর্ব এবং দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলো কীভাবে আধুনিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে উন্নত হয়েছে তা ছিল আমাদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

 

জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান ও ভিয়েতনামের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নীতিমালা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে—যুদ্ধবিধ্বস্ত অবস্থার পরেও (বিশেষ করে ১৯৯৪ সালের পর থেকে) তারা কীভাবে তাদের কর্মকাণ্ড সুচারুভাবে বজায় রেখেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি ও রাজনৈতিক নীতির সঙ্গে তুলনা করে আমি হতাশ হয়েছি। আমাদের রাজনীতিবিদরা এবং অনেক সময় আমাদের পূর্বসূরিরাও দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদী কোনো কার্যকর পরিকল্পনা উপহার দিতে পারেননি। শুধু রাজনৈতিক দল পাল্টেছে, কিন্তু নীতির কোনো মৌলিক পরিবর্তন হয়নি।

 

অন্যদিকে, যেসব দেশের নীতিমালাগুলো আমরা পড়েছি, তাতে বোঝা যায়, তারা কতটা দেশপ্রেমিক এবং ভবিষ্যতমুখী।

 

আপনাদের কাছে দোয়ার দরখাস্ত—আল্লাহ যেন নতুন কিছু শেখার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে আমাকে সফলভাবে পিএইচডি প্রোগ্রাম শেষ করার তৌফিক দেন।