ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় জোর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে IOM-এর নবনিযুক্ত মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: বরিশালে তথ্যমন্ত্রী টেকনাফের হোয়াইক্যং প্রাইভেটকারের বাম্পারে ১ লাখ ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ১ পিরোজপুরে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত একরাম হত্যা মামলা: র‍্যাবের সাবেক অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার মিফতাহ সেনা হেফাজতে গঠনমূলক সমালোচনা ও ইতিবাচক কাজ তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

সাউথ কোরিয়ায় ড়ঙ্গা ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স শেষ করার গল্প: এ কে আজাদ

 

আলহামদুলিল্লাহ, সর্বশেষ ক্লাস ও প্রেজেন্টেশন দিয়ে মাস্টার্স শেষ করলাম। এটা ছিল আমার জীবনের কিছু সেরা মুহূর্তের মধ্যে একটি। নতুন পরিবেশ, সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন দেশের ছাত্রবন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা ও শেখার অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ। এমন একটি জগতে আমি, শরীফ এবং খাইরুল—আমরা তিনজনই ছিলাম Public Policy প্রথম বাংলাদেশি ছাত্র।

 

এই দুই বছরে আমাদের মূল পাঠ্যবিষয় ছিল বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক রূপান্তর, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ব্যবসায়িক নীতি, শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতি এবং আধুনিক সংস্কৃতি। বিশেষভাবে পূর্ব এবং দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলো কীভাবে আধুনিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে উন্নত হয়েছে তা ছিল আমাদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

 

জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান ও ভিয়েতনামের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নীতিমালা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে—যুদ্ধবিধ্বস্ত অবস্থার পরেও (বিশেষ করে ১৯৯৪ সালের পর থেকে) তারা কীভাবে তাদের কর্মকাণ্ড সুচারুভাবে বজায় রেখেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি ও রাজনৈতিক নীতির সঙ্গে তুলনা করে আমি হতাশ হয়েছি। আমাদের রাজনীতিবিদরা এবং অনেক সময় আমাদের পূর্বসূরিরাও দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদী কোনো কার্যকর পরিকল্পনা উপহার দিতে পারেননি। শুধু রাজনৈতিক দল পাল্টেছে, কিন্তু নীতির কোনো মৌলিক পরিবর্তন হয়নি।

 

অন্যদিকে, যেসব দেশের নীতিমালাগুলো আমরা পড়েছি, তাতে বোঝা যায়, তারা কতটা দেশপ্রেমিক এবং ভবিষ্যতমুখী।

 

আপনাদের কাছে দোয়ার দরখাস্ত—আল্লাহ যেন নতুন কিছু শেখার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে আমাকে সফলভাবে পিএইচডি প্রোগ্রাম শেষ করার তৌফিক দেন।

জনপ্রিয়

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত

সাউথ কোরিয়ায় ড়ঙ্গা ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স শেষ করার গল্প: এ কে আজাদ

আপডেট : ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫

 

আলহামদুলিল্লাহ, সর্বশেষ ক্লাস ও প্রেজেন্টেশন দিয়ে মাস্টার্স শেষ করলাম। এটা ছিল আমার জীবনের কিছু সেরা মুহূর্তের মধ্যে একটি। নতুন পরিবেশ, সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন দেশের ছাত্রবন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা ও শেখার অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ। এমন একটি জগতে আমি, শরীফ এবং খাইরুল—আমরা তিনজনই ছিলাম Public Policy প্রথম বাংলাদেশি ছাত্র।

 

এই দুই বছরে আমাদের মূল পাঠ্যবিষয় ছিল বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক রূপান্তর, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ব্যবসায়িক নীতি, শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতি এবং আধুনিক সংস্কৃতি। বিশেষভাবে পূর্ব এবং দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলো কীভাবে আধুনিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে উন্নত হয়েছে তা ছিল আমাদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

 

জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান ও ভিয়েতনামের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নীতিমালা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে—যুদ্ধবিধ্বস্ত অবস্থার পরেও (বিশেষ করে ১৯৯৪ সালের পর থেকে) তারা কীভাবে তাদের কর্মকাণ্ড সুচারুভাবে বজায় রেখেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি ও রাজনৈতিক নীতির সঙ্গে তুলনা করে আমি হতাশ হয়েছি। আমাদের রাজনীতিবিদরা এবং অনেক সময় আমাদের পূর্বসূরিরাও দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদী কোনো কার্যকর পরিকল্পনা উপহার দিতে পারেননি। শুধু রাজনৈতিক দল পাল্টেছে, কিন্তু নীতির কোনো মৌলিক পরিবর্তন হয়নি।

 

অন্যদিকে, যেসব দেশের নীতিমালাগুলো আমরা পড়েছি, তাতে বোঝা যায়, তারা কতটা দেশপ্রেমিক এবং ভবিষ্যতমুখী।

 

আপনাদের কাছে দোয়ার দরখাস্ত—আল্লাহ যেন নতুন কিছু শেখার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে আমাকে সফলভাবে পিএইচডি প্রোগ্রাম শেষ করার তৌফিক দেন।