এ.কে.এম আমিনুল হক
ভান্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ.কে.এম আমিনুল হক সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যালয় থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাছে যাওয়ার পথে এ হামলার শিকার হন তিনি। তাকে বরিশাল শের-ইবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত প্রধান শিক্ষকের মেয়ে ঐশি জানান, দীর্ঘ দেড়বছর যাবৎ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির দ্বন্দ্বে রোশানালে পরে চাকুরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত হন প্রধান শিক্ষক আমিনুল হক, সহকারী প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন ও আ. সালাম মাওলানাসহ তিন শিক্ষক। বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষক আইনী লড়াই শেষে এবছর ১২ জানুয়ারি আদালত তাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহারসহ সকল বিষয়ে তাদের পক্ষে রায় প্রাদান করে। রোববার তিনি বিদ্যালয়ে যোগদান করতে গেলে তাকে বিদ্যালয়ে যোগদান করতে দেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পরে বিষয়টি জানাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে যাওয়ার সময় মোল্লা বাড়ীর সন্নিকটে প্রতিপক্ষের ভাড়াটিয়া একদল সন্ত্রাসী তার ওপর হামলা চালায়। এ হামলায় গুরুতর আহত হন তিনি।
স্থানীয়রা পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অহমদ আনওয়ার জানান, খবর পাওয়া মাত্র পুলিশ পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তার পরিবার থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

হাসান মামুন, পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ 



















