ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় জোর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে IOM-এর নবনিযুক্ত মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: বরিশালে তথ্যমন্ত্রী টেকনাফের হোয়াইক্যং প্রাইভেটকারের বাম্পারে ১ লাখ ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ১ পিরোজপুরে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত একরাম হত্যা মামলা: র‍্যাবের সাবেক অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার মিফতাহ সেনা হেফাজতে গঠনমূলক সমালোচনা ও ইতিবাচক কাজ তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

শ্রীনগরে কোচিং করাতে বাধা দেয়ায় প্রধান শিক্ষককে সহকারী শিক্ষকদের মারধর

 

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে কোচিং সেন্টার খুলে কোচিংয়ে ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে নিষেধ করায় প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে সহকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।

 

বুধবার (২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার শ্রীনগর ১নং মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃদুল দেওয়ানকে মারধর করার অভিযোগ উঠে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অধীর চন্দ্র দত্ত, মোঃ মুরাদ হোসেন ও গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল এর বিরুদ্ধে।

 

এ সময় সহকারী এই তিন শিক্ষক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ ভাংচুরসহ বিদ্যালয়ের মূল্যবান আসবাবপত্র বিনষ্ট করেন। শিক্ষকদের মারামারির ও ভাংচুরের শব্দে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুরা আতংকে চিৎকার ও কান্নাকাটি করতে থাকে। শিশুদের চিৎকার ও কান্নাকাটি শুনে আশেপাশের লোকজন ও অভিভাবকরা দৌড়ে এসে প্রধান শিক্ষককে সহকারী শিক্ষকদের মারধর থেকে রক্ষা করে। সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও শ্রীনগর থানা অফিসার ইনচার্জ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রনে আনেন।

 

অভিভাবকরা জানান, প্রধান শিক্ষক মৃদুল দেওয়ান তার স্কুলের সহকারী শিক্ষকদের কোচিং সেন্টার খুলে ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে নিষেধ করেন এবং সকাল ৯টার মধ্যে শিক্ষকদের স্কুলে হাজির থাকতে বলেন। এ নিয়ে প্রধান শিক্ষকের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন সহকারী শিক্ষকরা।

 

জানা গেছে, আজ সহকারী শিক্ষক গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল সকাল ৯টার পরে স্কুলে আসলে প্রধান শিক্ষক তাকে প্রবেশ করতে নিষেধ করায় সহকারী শিক্ষকরা তাকে মারধর শুরু করেন।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃদৃুল দেওয়ান জানান, আমি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের কোচিং খুলে ছাত্রছাত্রীদের কোচিং করাতে নিষেধ করে আসছি। এ নিয়ে কয়েক দফা মিটিং করেও নিষেধ করেছি। কিন্তু সহকারী শিক্ষকরা আমার কথা অমান্য করে কোচিং চালিয়ে যায়। এতে তারা আমার উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে। এই নিয়ে সহকারী শিক্ষকরা আমার উপর হামলা চালিয়ে আমাকে মারধর করে আহত করে।

 

এ ব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জাহেদা খাতুন বলেন, এই ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তি মুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জনপ্রিয়

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত

শ্রীনগরে কোচিং করাতে বাধা দেয়ায় প্রধান শিক্ষককে সহকারী শিক্ষকদের মারধর

আপডেট : ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০২৪

 

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে কোচিং সেন্টার খুলে কোচিংয়ে ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে নিষেধ করায় প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে সহকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।

 

বুধবার (২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার শ্রীনগর ১নং মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃদুল দেওয়ানকে মারধর করার অভিযোগ উঠে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অধীর চন্দ্র দত্ত, মোঃ মুরাদ হোসেন ও গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল এর বিরুদ্ধে।

 

এ সময় সহকারী এই তিন শিক্ষক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ ভাংচুরসহ বিদ্যালয়ের মূল্যবান আসবাবপত্র বিনষ্ট করেন। শিক্ষকদের মারামারির ও ভাংচুরের শব্দে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুরা আতংকে চিৎকার ও কান্নাকাটি করতে থাকে। শিশুদের চিৎকার ও কান্নাকাটি শুনে আশেপাশের লোকজন ও অভিভাবকরা দৌড়ে এসে প্রধান শিক্ষককে সহকারী শিক্ষকদের মারধর থেকে রক্ষা করে। সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও শ্রীনগর থানা অফিসার ইনচার্জ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রনে আনেন।

 

অভিভাবকরা জানান, প্রধান শিক্ষক মৃদুল দেওয়ান তার স্কুলের সহকারী শিক্ষকদের কোচিং সেন্টার খুলে ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে নিষেধ করেন এবং সকাল ৯টার মধ্যে শিক্ষকদের স্কুলে হাজির থাকতে বলেন। এ নিয়ে প্রধান শিক্ষকের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন সহকারী শিক্ষকরা।

 

জানা গেছে, আজ সহকারী শিক্ষক গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল সকাল ৯টার পরে স্কুলে আসলে প্রধান শিক্ষক তাকে প্রবেশ করতে নিষেধ করায় সহকারী শিক্ষকরা তাকে মারধর শুরু করেন।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃদৃুল দেওয়ান জানান, আমি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের কোচিং খুলে ছাত্রছাত্রীদের কোচিং করাতে নিষেধ করে আসছি। এ নিয়ে কয়েক দফা মিটিং করেও নিষেধ করেছি। কিন্তু সহকারী শিক্ষকরা আমার কথা অমান্য করে কোচিং চালিয়ে যায়। এতে তারা আমার উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে। এই নিয়ে সহকারী শিক্ষকরা আমার উপর হামলা চালিয়ে আমাকে মারধর করে আহত করে।

 

এ ব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জাহেদা খাতুন বলেন, এই ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তি মুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।