ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে কটুক্তির দাবি, অব্যাহতিপ্রাপ্ত এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন তানভীর গ্রেপ্তার বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক ও ‘অগ্রযাত্রা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাগেরহাটে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উদযাপিত টেকনাফ হোয়াইক্যংয়ে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৪৮ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ১ জলঢাকায় জমির আবর্জনা সরানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৪, থানায় অভিযোগ মনপুরায় ভাঙনরোধে হাজার কোটি টাকার বাঁধ নির্মাণ হলেও কাটেনি চরাঞ্চলবাসীর আতঙ্ক মোরেলগঞ্জে নানা আয়োজনে পালিত হলো ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পিরোজপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত নলছিটিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা পিরোজপুরে ইবতেদায়ী মাদ্রাসার সভাপতির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন: ক্ষতিগ্রস্তরা নিরাপত্তাহীনতায়

ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ঘোষণা করে আদালতের রায়

 

গত ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ফল বাতিল করে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন আদালত।

 

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।

 

রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন ইশরাক হোসেন। রায় ঘোষণার পর আদালতে বিজয় মিছিল করছেন ইশরাক হোসেন। তিনি সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে।

 

ইশরাক হোসেনের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ২০২০ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের প্রার্থী ইশরাক হোসেনের গাড়িবহরে হামলা করা হয়, ইভিএম মেশিনে ভোট জালিয়াতি করা হয়, নির্বাচনে ভোটারদের ভোটগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়, নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি করা হয়। এতসব জালিয়াতির পরেও নির্বাচন কমিশন শেখ ফজলে নূর তাপসকে মেয়র ঘোষণা করে। নির্বাচন কমিশনের গেজেট চ্যালেঞ্জ করে ২০২০ সালের ৩ মার্চ ইশরাক হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন। আদালত পূর্ণাঙ্গ শুনানি নিয়ে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করেছেন।

 

মামলার আরজিতে ইশরাক অভিযোগ করেন, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তিনি ছিলেন একজন মেয়র প্রার্থী। ইশরাক হোসেনের নির্বাচনী কর্মী, তাঁদের এজেন্টদের মারধর করা হয়। এ নিয়ে তখন গণমাধ্যমে প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও সেগুলো আমলে নেওয়া হয়নি। বরং নির্বাচন কমিশন নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিলেন। নির্বাচনের দিন তাঁর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়।

 

মামলায় ইশরাক আরও দাবি করেন, ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি শেখ ফজলে নূর তাপস নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করে রঙিন পোস্টার লাগান। এ বিষয়ে ইশরাক নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও দিয়েছিলেন। এরপর ২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি ইশরাক হোসেনের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন আওয়ামী লীগ ও তাঁদের সহযোগী সংগঠনের সদস্যরা। তাঁর নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহৃত মাইক ভাঙচুর করা হয়।

 

মামলার আরজিতে ইশরাক হোসেন আরও দাবি করেন, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলসহ বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাঁর এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়।

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে কটুক্তির দাবি, অব্যাহতিপ্রাপ্ত এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন তানভীর গ্রেপ্তার

ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ঘোষণা করে আদালতের রায়

আপডেট : ০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

গত ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ফল বাতিল করে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন আদালত।

 

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।

 

রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন ইশরাক হোসেন। রায় ঘোষণার পর আদালতে বিজয় মিছিল করছেন ইশরাক হোসেন। তিনি সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে।

 

ইশরাক হোসেনের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ২০২০ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের প্রার্থী ইশরাক হোসেনের গাড়িবহরে হামলা করা হয়, ইভিএম মেশিনে ভোট জালিয়াতি করা হয়, নির্বাচনে ভোটারদের ভোটগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়, নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি করা হয়। এতসব জালিয়াতির পরেও নির্বাচন কমিশন শেখ ফজলে নূর তাপসকে মেয়র ঘোষণা করে। নির্বাচন কমিশনের গেজেট চ্যালেঞ্জ করে ২০২০ সালের ৩ মার্চ ইশরাক হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন। আদালত পূর্ণাঙ্গ শুনানি নিয়ে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করেছেন।

 

মামলার আরজিতে ইশরাক অভিযোগ করেন, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তিনি ছিলেন একজন মেয়র প্রার্থী। ইশরাক হোসেনের নির্বাচনী কর্মী, তাঁদের এজেন্টদের মারধর করা হয়। এ নিয়ে তখন গণমাধ্যমে প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও সেগুলো আমলে নেওয়া হয়নি। বরং নির্বাচন কমিশন নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিলেন। নির্বাচনের দিন তাঁর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়।

 

মামলায় ইশরাক আরও দাবি করেন, ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি শেখ ফজলে নূর তাপস নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করে রঙিন পোস্টার লাগান। এ বিষয়ে ইশরাক নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও দিয়েছিলেন। এরপর ২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি ইশরাক হোসেনের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন আওয়ামী লীগ ও তাঁদের সহযোগী সংগঠনের সদস্যরা। তাঁর নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহৃত মাইক ভাঙচুর করা হয়।

 

মামলার আরজিতে ইশরাক হোসেন আরও দাবি করেন, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলসহ বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাঁর এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়।