ঢাকা , বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বাগেরহাটে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার পিরোজপুরে মাদকপ্রবণ এলাকায় মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত “পুলিশ হলেও ছাড় নেই”: বাগেরহাটে জিরো টলারেন্স বার্তা খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির শহীদ তাহিদুল ইসলামের কবর জিয়ারত করলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমতুল্লাহ নওগাঁয় ফল ব্যবসায়ীকে মারধর করে সাড়ে ৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঝালকাঠিতে জিও-এনজিও সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে এডাবের সভা অনুষ্ঠিত টেকনাফে ৫ কোটি টাকার ক্রিস্টাল মেথ; বোট ফেলে পালাল মাদক কারবারিরা টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার, মিয়ানমারে পাচারের সময় সারসহ আটক ১ ভোলা-ঢাকা নৌরুটের ইলিশা লঞ্চঘাটে সরকার নির্ধারিত প্রবেশ ফি ৫ টাকার পরিবর্তে নেয়া হচ্ছে ১০ টাকা, যাত্রীদের ভোগান্তি পিরোজপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে শিশুদের মাঝে ছাতা ও মশারী বিতরণ

ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ঘোষণা করে আদালতের রায়

 

গত ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ফল বাতিল করে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন আদালত।

 

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।

 

রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন ইশরাক হোসেন। রায় ঘোষণার পর আদালতে বিজয় মিছিল করছেন ইশরাক হোসেন। তিনি সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে।

 

ইশরাক হোসেনের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ২০২০ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের প্রার্থী ইশরাক হোসেনের গাড়িবহরে হামলা করা হয়, ইভিএম মেশিনে ভোট জালিয়াতি করা হয়, নির্বাচনে ভোটারদের ভোটগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়, নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি করা হয়। এতসব জালিয়াতির পরেও নির্বাচন কমিশন শেখ ফজলে নূর তাপসকে মেয়র ঘোষণা করে। নির্বাচন কমিশনের গেজেট চ্যালেঞ্জ করে ২০২০ সালের ৩ মার্চ ইশরাক হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন। আদালত পূর্ণাঙ্গ শুনানি নিয়ে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করেছেন।

 

মামলার আরজিতে ইশরাক অভিযোগ করেন, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তিনি ছিলেন একজন মেয়র প্রার্থী। ইশরাক হোসেনের নির্বাচনী কর্মী, তাঁদের এজেন্টদের মারধর করা হয়। এ নিয়ে তখন গণমাধ্যমে প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও সেগুলো আমলে নেওয়া হয়নি। বরং নির্বাচন কমিশন নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিলেন। নির্বাচনের দিন তাঁর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়।

 

মামলায় ইশরাক আরও দাবি করেন, ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি শেখ ফজলে নূর তাপস নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করে রঙিন পোস্টার লাগান। এ বিষয়ে ইশরাক নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও দিয়েছিলেন। এরপর ২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি ইশরাক হোসেনের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন আওয়ামী লীগ ও তাঁদের সহযোগী সংগঠনের সদস্যরা। তাঁর নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহৃত মাইক ভাঙচুর করা হয়।

 

মামলার আরজিতে ইশরাক হোসেন আরও দাবি করেন, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলসহ বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাঁর এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়।

জনপ্রিয়

বাগেরহাটে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ঘোষণা করে আদালতের রায়

আপডেট : ০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

গত ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ফল বাতিল করে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন আদালত।

 

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।

 

রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন ইশরাক হোসেন। রায় ঘোষণার পর আদালতে বিজয় মিছিল করছেন ইশরাক হোসেন। তিনি সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে।

 

ইশরাক হোসেনের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ২০২০ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের প্রার্থী ইশরাক হোসেনের গাড়িবহরে হামলা করা হয়, ইভিএম মেশিনে ভোট জালিয়াতি করা হয়, নির্বাচনে ভোটারদের ভোটগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়, নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি করা হয়। এতসব জালিয়াতির পরেও নির্বাচন কমিশন শেখ ফজলে নূর তাপসকে মেয়র ঘোষণা করে। নির্বাচন কমিশনের গেজেট চ্যালেঞ্জ করে ২০২০ সালের ৩ মার্চ ইশরাক হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেন। আদালত পূর্ণাঙ্গ শুনানি নিয়ে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করেছেন।

 

মামলার আরজিতে ইশরাক অভিযোগ করেন, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তিনি ছিলেন একজন মেয়র প্রার্থী। ইশরাক হোসেনের নির্বাচনী কর্মী, তাঁদের এজেন্টদের মারধর করা হয়। এ নিয়ে তখন গণমাধ্যমে প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও সেগুলো আমলে নেওয়া হয়নি। বরং নির্বাচন কমিশন নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিলেন। নির্বাচনের দিন তাঁর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়।

 

মামলায় ইশরাক আরও দাবি করেন, ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি শেখ ফজলে নূর তাপস নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করে রঙিন পোস্টার লাগান। এ বিষয়ে ইশরাক নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও দিয়েছিলেন। এরপর ২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি ইশরাক হোসেনের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন আওয়ামী লীগ ও তাঁদের সহযোগী সংগঠনের সদস্যরা। তাঁর নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহৃত মাইক ভাঙচুর করা হয়।

 

মামলার আরজিতে ইশরাক হোসেন আরও দাবি করেন, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলসহ বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাঁর এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়।