ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে গভীর সমুদ্রে বিকল ফিশিং বোট, ১৩ জেলেকে জীবিত উদ্ধার পিরোজপুরে জিয়া মঞ্চের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা বাগেরহাটে বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার কবর এদেশে হবে না’—বাবু সোমনাথ দে শাহআলী থানায় নতুন ওসি, ৪ থানার পরিদর্শককে বদলি টেকনাফে মাদক-মানবপাচারবিরোধী সমাবেশ, অপরাধীদের সতর্ক করলেন ওসি মোরেলগঞ্জের খাউলিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সালেহ খানের মতবিনিময় বাগেরহাটে তথ্য অধিকার দিবস পালন করল নির্মাণ সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ফকিরহাটে ভৈরব নদী থেকে মাথাবিহীন অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার টেকনাফের উনচিপ্রাং সীমান্তে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার
ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪ মাসের কারাদণ্ড

মোরেলগঞ্জে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে জনতার হাতে আটক যুবক

 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে মোহাম্মদ বিল্লাল কাজী নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা। এ সময় পালানোর চেষ্টা করে সঙ্গে থাকা গাঁজার পোটলা ফেলে দেন তিনি। পরে সেগুলো উদ্ধার করে জনসমক্ষে ধ্বংস করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে চার মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

 

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার মোরেলগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকার নদীর পাড়ে মিলঘর সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

 

আটক মোহাম্মদ বিল্লাল কাজী উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন থানার পাশ এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম নজরুল কাজী।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফেরিঘাট এলাকার নদীর পাড়ে গাঁজা বিক্রির সময় স্থানীয়দের নজরে পড়েন বিল্লাল কাজী। বিষয়টি টের পেয়ে তিনি দ্রুত সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় সঙ্গে থাকা গাঁজার পোটলাগুলো একটি দোকানের দিকে ছুড়ে ফেলে দেন বলে স্থানীয়রা জানান। পরে স্থানীয়রা তাকে ধাওয়া করে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

 

ইউএনও দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিল্লাল কাজীর ফেলে যাওয়া সাতটি পোটলা থেকে আনুমানিক ১০ কুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাবিবুল্লাহর উপস্থিতিতে উদ্ধার করা গাঁজা জনসমক্ষে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

 

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬ ধারার ৫ উপধারায় মোহাম্মদ বিল্লাল কাজীকে চার মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল্লাহ জানান, ইউএনওর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়ার পর পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফেরিঘাট ও আশপাশের এলাকায় মাদক বিক্রির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। জনবহুল এ এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবন বন্ধে নিয়মিত অভিযান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, ফেরিঘাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকের এমন কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয়দেরও সচেতন ও সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন।

জনপ্রিয়

সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে গভীর সমুদ্রে বিকল ফিশিং বোট, ১৩ জেলেকে জীবিত উদ্ধার

ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪ মাসের কারাদণ্ড

মোরেলগঞ্জে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে জনতার হাতে আটক যুবক

আপডেট : ১২:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে মোহাম্মদ বিল্লাল কাজী নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা। এ সময় পালানোর চেষ্টা করে সঙ্গে থাকা গাঁজার পোটলা ফেলে দেন তিনি। পরে সেগুলো উদ্ধার করে জনসমক্ষে ধ্বংস করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে চার মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

 

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার মোরেলগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকার নদীর পাড়ে মিলঘর সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

 

আটক মোহাম্মদ বিল্লাল কাজী উপজেলার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন থানার পাশ এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম নজরুল কাজী।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফেরিঘাট এলাকার নদীর পাড়ে গাঁজা বিক্রির সময় স্থানীয়দের নজরে পড়েন বিল্লাল কাজী। বিষয়টি টের পেয়ে তিনি দ্রুত সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় সঙ্গে থাকা গাঁজার পোটলাগুলো একটি দোকানের দিকে ছুড়ে ফেলে দেন বলে স্থানীয়রা জানান। পরে স্থানীয়রা তাকে ধাওয়া করে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

 

ইউএনও দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিল্লাল কাজীর ফেলে যাওয়া সাতটি পোটলা থেকে আনুমানিক ১০ কুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাবিবুল্লাহর উপস্থিতিতে উদ্ধার করা গাঁজা জনসমক্ষে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

 

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬ ধারার ৫ উপধারায় মোহাম্মদ বিল্লাল কাজীকে চার মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল্লাহ জানান, ইউএনওর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়ার পর পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফেরিঘাট ও আশপাশের এলাকায় মাদক বিক্রির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। জনবহুল এ এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবন বন্ধে নিয়মিত অভিযান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, ফেরিঘাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকের এমন কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয়দেরও সচেতন ও সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন।