ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বাগেরহাটে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনের রাজনৈতিক উপদেষ্টার বৈঠক মোরেলগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ঢাকা দক্ষিণে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী সাদিক কায়েম, উত্তরে সেলিম উদ্দিন ডাকসুতে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে, টাঙানো হলো গোলাম আযমকে জুতাপেটার ছবি কর্মসংস্থান ব্যাংকের নতুন ডিএমডি পারভীন আকতার মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদারের আহ্বান ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের ৭০ কিলোমিটার জুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার গ্রিন ফোর্স বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত টেকনাফ রাজারছড়ায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মানব পাচারকারীদের ২০টি আস্তানা টেকনাফে নাফ নদীতে বিজিবির চিরুনি অভিযান

পিরোজপুরে মানব পাচার মামলায় পাঁচজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

জেলা ও দায়রা জজ আদালত, পিরোজপুর | ফাইল ছবি

 

পিরোজপুরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলায় পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১৮ জুন) পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘটিচোরা এলাকার মো. কুদ্দুস, হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকার মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা, চাঁদপুরের শাহরাস্তি এলাকার রবিউল আলম ওরফে মানিক, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এলাকার পলাশ চৌধুরী।

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ৭ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানায় ২০১৪ সালের ৩ জুন মামলা করা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলাটি পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ছিল।

 

মামলার বিচার শেষে রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত প্রত্যেক আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

 

রায় ঘোষণার সময় জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং পলাশ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং রায় ঘোষণার তারিখ থেকে তাদের সাজা কার্যকর হবে। অন্যদিকে, মামলার অপর তিন আসামি মো. কুদ্দুস, মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা এবং রবিউল আলম ওরফে মানিক পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। রায়ে তাদের গ্রেপ্তার অথবা আদালতে আত্মসমর্পণের পর আইনানুগভাবে সাজা কার্যকরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে জারি করা সাজা পরোয়ানা বাস্তবায়নসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

জনপ্রিয়

বাগেরহাটে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনের রাজনৈতিক উপদেষ্টার বৈঠক

পিরোজপুরে মানব পাচার মামলায় পাঁচজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট : ০৬:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, পিরোজপুর | ফাইল ছবি

 

পিরোজপুরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলায় পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১৮ জুন) পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘটিচোরা এলাকার মো. কুদ্দুস, হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকার মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা, চাঁদপুরের শাহরাস্তি এলাকার রবিউল আলম ওরফে মানিক, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এলাকার পলাশ চৌধুরী।

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ৭ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানায় ২০১৪ সালের ৩ জুন মামলা করা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলাটি পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ছিল।

 

মামলার বিচার শেষে রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত প্রত্যেক আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

 

রায় ঘোষণার সময় জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং পলাশ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং রায় ঘোষণার তারিখ থেকে তাদের সাজা কার্যকর হবে। অন্যদিকে, মামলার অপর তিন আসামি মো. কুদ্দুস, মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা এবং রবিউল আলম ওরফে মানিক পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। রায়ে তাদের গ্রেপ্তার অথবা আদালতে আত্মসমর্পণের পর আইনানুগভাবে সাজা কার্যকরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে জারি করা সাজা পরোয়ানা বাস্তবায়নসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।