ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
মিয়ানমারে পাচারের পথে ১৭ লাখ টাকার সার ও কৃষিপণ্য জব্দ, আটক ৬ টেকনাফে র‌্যাব-১৫-এর অভিযানে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার বানারীপাড়ায় দুই জুলাই শহীদ পরিবারের ঘরে তারেক রহমানের উপহার মোরেলগঞ্জে পাটের বস্তার পরিবর্তে প্লাস্টিক ব্যবহার: ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা বিশ্ব বাঘ দিবস আজ হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিস আলমসহ কয়েকজন আহত স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে বাগেরহাটে খাল দখলমুক্ত আন্দোলন সাময়িক স্থগিত পিরোজপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার মানবপাচার প্রতিরোধ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় জোর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে IOM-এর নবনিযুক্ত মিশন প্রধানের সাক্ষাৎ

মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতা ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির

বক্তব্য রাখছেন ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির 

 

“ধর্ম যার যার, উৎসব তার তার”—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন সনাতনী পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির।

 

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি উপজেলার একাধিক পূজা মণ্ডপে যান, ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তিনি বলেন—“ধর্মীয় স্বাধীনতা সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকার। ধর্ম যার যার, উৎসব তার তার—কিন্তু নিরাপত্তা, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের যৌথ দায়িত্ব।”

 

 

ড. মনিরুজ্জামান মনির আরও বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। যুগ যুগ ধরে সব ধর্মের মানুষ এখানে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে বসবাস করছে। বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। আমরা চাই প্রতিটি সম্প্রদায় শান্তিপূর্ণভাবে তাদের উৎসব উদযাপন করুক।”

 

 

পরিদর্শনকালে তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি পূজার পরিবেশ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন। তাঁর উপস্থিতিতে ভক্ত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এ সময় প্রতিটি মণ্ডপ কমিটির সভাপতির হাতে তিনি নগদ অর্থ সহায়তাও তুলে দেন।

 

 

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের এ ধরনের উদ্যোগ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি তাঁর রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ও জনসম্পৃক্ততা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বাড়াবে বলে তারা মনে করছেন।

 

 

উল্লেখ্য, দুর্গাপূজা এখন কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি বাঙালি সংস্কৃতিরও অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই রাজনৈতিক নেতাদের এমন অংশগ্রহণ স্থানীয় জনগণের কাছে আশার বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জনপ্রিয়

মিয়ানমারে পাচারের পথে ১৭ লাখ টাকার সার ও কৃষিপণ্য জব্দ, আটক ৬

মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতা ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির

আপডেট : ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বক্তব্য রাখছেন ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির 

 

“ধর্ম যার যার, উৎসব তার তার”—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন সনাতনী পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির।

 

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি উপজেলার একাধিক পূজা মণ্ডপে যান, ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তিনি বলেন—“ধর্মীয় স্বাধীনতা সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকার। ধর্ম যার যার, উৎসব তার তার—কিন্তু নিরাপত্তা, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের যৌথ দায়িত্ব।”

 

 

ড. মনিরুজ্জামান মনির আরও বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। যুগ যুগ ধরে সব ধর্মের মানুষ এখানে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে বসবাস করছে। বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। আমরা চাই প্রতিটি সম্প্রদায় শান্তিপূর্ণভাবে তাদের উৎসব উদযাপন করুক।”

 

 

পরিদর্শনকালে তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি পূজার পরিবেশ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন। তাঁর উপস্থিতিতে ভক্ত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এ সময় প্রতিটি মণ্ডপ কমিটির সভাপতির হাতে তিনি নগদ অর্থ সহায়তাও তুলে দেন।

 

 

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের এ ধরনের উদ্যোগ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি তাঁর রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ও জনসম্পৃক্ততা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বাড়াবে বলে তারা মনে করছেন।

 

 

উল্লেখ্য, দুর্গাপূজা এখন কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি বাঙালি সংস্কৃতিরও অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই রাজনৈতিক নেতাদের এমন অংশগ্রহণ স্থানীয় জনগণের কাছে আশার বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।