ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বাগেরহাটে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনের রাজনৈতিক উপদেষ্টার বৈঠক মোরেলগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ঢাকা দক্ষিণে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী সাদিক কায়েম, উত্তরে সেলিম উদ্দিন ডাকসুতে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে, টাঙানো হলো গোলাম আযমকে জুতাপেটার ছবি কর্মসংস্থান ব্যাংকের নতুন ডিএমডি পারভীন আকতার মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সামাজিক প্রতিরোধ জোরদারের আহ্বান ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের ৭০ কিলোমিটার জুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার গ্রিন ফোর্স বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত টেকনাফ রাজারছড়ায় যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান: গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মানব পাচারকারীদের ২০টি আস্তানা টেকনাফে নাফ নদীতে বিজিবির চিরুনি অভিযান

মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতা ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির

বক্তব্য রাখছেন ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির 

 

“ধর্ম যার যার, উৎসব তার তার”—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন সনাতনী পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির।

 

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি উপজেলার একাধিক পূজা মণ্ডপে যান, ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তিনি বলেন—“ধর্মীয় স্বাধীনতা সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকার। ধর্ম যার যার, উৎসব তার তার—কিন্তু নিরাপত্তা, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের যৌথ দায়িত্ব।”

 

 

ড. মনিরুজ্জামান মনির আরও বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। যুগ যুগ ধরে সব ধর্মের মানুষ এখানে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে বসবাস করছে। বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। আমরা চাই প্রতিটি সম্প্রদায় শান্তিপূর্ণভাবে তাদের উৎসব উদযাপন করুক।”

 

 

পরিদর্শনকালে তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি পূজার পরিবেশ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন। তাঁর উপস্থিতিতে ভক্ত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এ সময় প্রতিটি মণ্ডপ কমিটির সভাপতির হাতে তিনি নগদ অর্থ সহায়তাও তুলে দেন।

 

 

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের এ ধরনের উদ্যোগ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি তাঁর রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ও জনসম্পৃক্ততা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বাড়াবে বলে তারা মনে করছেন।

 

 

উল্লেখ্য, দুর্গাপূজা এখন কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি বাঙালি সংস্কৃতিরও অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই রাজনৈতিক নেতাদের এমন অংশগ্রহণ স্থানীয় জনগণের কাছে আশার বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জনপ্রিয়

বাগেরহাটে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনের রাজনৈতিক উপদেষ্টার বৈঠক

মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতা ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির

আপডেট : ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বক্তব্য রাখছেন ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির 

 

“ধর্ম যার যার, উৎসব তার তার”—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন সনাতনী পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির।

 

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি উপজেলার একাধিক পূজা মণ্ডপে যান, ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তিনি বলেন—“ধর্মীয় স্বাধীনতা সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকার। ধর্ম যার যার, উৎসব তার তার—কিন্তু নিরাপত্তা, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের যৌথ দায়িত্ব।”

 

 

ড. মনিরুজ্জামান মনির আরও বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। যুগ যুগ ধরে সব ধর্মের মানুষ এখানে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে বসবাস করছে। বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। আমরা চাই প্রতিটি সম্প্রদায় শান্তিপূর্ণভাবে তাদের উৎসব উদযাপন করুক।”

 

 

পরিদর্শনকালে তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি পূজার পরিবেশ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন। তাঁর উপস্থিতিতে ভক্ত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এ সময় প্রতিটি মণ্ডপ কমিটির সভাপতির হাতে তিনি নগদ অর্থ সহায়তাও তুলে দেন।

 

 

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনিরের এ ধরনের উদ্যোগ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি তাঁর রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ও জনসম্পৃক্ততা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বাড়াবে বলে তারা মনে করছেন।

 

 

উল্লেখ্য, দুর্গাপূজা এখন কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি বাঙালি সংস্কৃতিরও অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই রাজনৈতিক নেতাদের এমন অংশগ্রহণ স্থানীয় জনগণের কাছে আশার বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।